Related Articles
জাহাঙ্গীর আলম, (যশোর):
যশোর–২ (চৌগাছা–ঝিকরগাছা) জাতীয় সংসদ আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনী মাঠে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন প্রধান প্রার্থীরা, আর তা তেই রাজনীতির উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকা য়।
মাঠপর্যায়ের সর্বশেষ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ১০ দলিয় ঐক্যজোট প্রার্থী ডা. মোস লেহ উদ্দীন ফরিদ বিএনপি প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নী’র তুলনায় অনেক এগিয়ে রয়েছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সূত্রে জানা যায় , দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসাসেবা, সমাজকল্যাণ ও মানবিক কর্ম কাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছেন। চৌগাছা ও ঝিকরগাছা উপজেলার গ্রাম-ইউনিয়ন-ওয়ার্ড পর্যায়ে তার ধারাবাহিক চিকিৎসা সেবা, গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা, চা চক্র ও সুশৃঙ্খলভাবে সাংগঠনিক তৎপরতায় যেন ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেক ভোটারই তাকে মানবতার ফেরিওলা ‘জনগণের ডাক্তার’ মানবিক ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ কর ছেন।
একেক জন একেক নামে গুনগান শুনচ্ছেন। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি প্রার্থী ডা: মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ বলেন, আমরা চারটি মূল ভিত্তির ওপর কাজ কর ছি, দুর্নীতি করবো না, দুর্নীতিতে সহযোগিতা করবো না, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবো এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় মাথা নত করবো না, সবার সাথে সৌহা র্দপূর্ণ সম্পর্ককে জোর দিব।
অন্যদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নীও বসে নেই। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে মাঠপর্যায়ের জনসমর্থন, সাং গঠনিক শক্তি ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার বিচারে তিনি এখনো জামায়াত প্রার্থীর তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়ে ছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ধানের শীষের প্রার্থী সাবিরা সুলতানা মুন্নী বলেন, আমরা আশা বাদী এলাকার জনগণ জানে তাদের পাশে কে ছিল, এছাড়া এলাকার ধর্মভীরু লোক আমাকে ভোট দিবে আমি বিপুল ভোটে পাশ করব।
বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে রাজনৈতিক, সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসন করতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করব। সন্ত্রাসিদের কোন জায়গায় নেই।
এদিকে বিভিন্ন গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরোজমিনে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় , তারা এবার দলীয় পরিচয়ের চেয়ে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব প্রার্থীকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। এলাকার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যা—যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন এই ইস্যুগুলোই ভোটের মূল ফ্যাক্টর হয়ে উঠছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঐতিহ্যগতভাবে যশোর–২ আসনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদের অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্ত।
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই চৌগাছা–ঝিক রগাছা জুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কৌতূহল। শেষ পর্যন্ত কার হাতে যাবে যশোর–২ আসনের ম্যান্ডেট—তা নিয়ে এখনই শুরু হয়ে গেছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
অসংখ্য কৃষক শ্রমিক জনতার দাবি সব দলতো দেখলা মই, একবার জামায়াতে ইসলামীর দশ দলিও জোটকে ভোট দিয়েই দেখি এরা কেমন দেশ প্রেমিক। আমরা চাই প্রকৃত দেশ দরদী নেতা।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে