Breaking News

রাজশাহী-১ আসনে ঐক্যে ফিরল বিএনপি তৃণমূলে প্রাণচাঞ্চল্য

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপির মনো নয়ন বঞ্চিতদের ক্ষোভ আর মান-অভিমান দুর হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ও ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত কর তে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কোমর বেঁধে  নেমেছেন প্রচারণা য়।এতে রাতারাতি ভোটের হিসেব-নিকেশ পাল্টে গেছে।
ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে  ঐক্যর কোনো বিক ল্প নাই।
ঐক্যর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে দীর্ঘদিনের মান-অ ভিমান ও মতবিরোধ ভুলে একে-অপরকে কাছে টানছে, এতে তাদের মধ্য দীর্ঘদিনের বিরাজমান ক্ষোভ-অসন্তো ষের বরফ গলতে শুরু করেছে।
ব্যবসা-বাণিজ্যে, চাওয়া-পাওয়া না পাওয়া ও মান-অভি মানসহ নানা কারণে যেসব নেতাকর্মীরা এতোদিন নিস্ক্রীয় ছিল, তারাও নির্বাচন সামনে রেখে নবউদ্দ্যেমে রাজনী তিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে দীর্ঘদিন পর দলটির দলীয় কার্যালয় নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পদচারণা মুখর জমজমাট হয়ে উঠেছে।রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরেছে ব্যাপ ক প্রাণচাঞ্চল্য।
বিএনপির আদর্শিক,প্রবীণ,ত্যাগী, পরিক্ষিত ও নিবেদিত প্রাণ নেতাকর্মীর পাশাপাশি তৃনমূলের নেতাকর্মীরাও এখন উজ্জীবিত ,ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য। ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে  মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনের আহবানে সাড়া দিয়ে অতীতের ভেদাভেদ ভুলে বহুধারায় বিভক্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রমাণ করে ছে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
জানা গেছে,রাজশাহী-১ আসনে মনোনয়ন নিয়ে বিএন পিতে ছিল বিশৃঙ্খল অবস্থা।অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ছিল নিত্যদিনের ঘটনা।
দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মনোনয়ন বঞ্চিত অনেকেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেননি।
মান-অভিমান নিয়ে কেউ গুটিয়ে রাখেন নিজেকে, আবার কেউ সিদ্ধান্ত না মেনে ছিলেন মাঠে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামা থেকে বিরত ছিলেন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতাদে র অনুসারীরাও।
কিন্তু দলীয় কঠোর নির্দেশনায় প্রতীক বরাদ্দের পর ঐক্য ফিরেছে বিএনপিতে।
দিন যত যাচ্ছে দূরত্ব ঘুচিয়ে দলীয় প্রতীক বিজয়ী করতে এককাট্টা হয়ে এবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা। এই আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।
রাজশাহী-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের সাবেক সামরিক সচিব ও উপদেষ্টা পরিষ দের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন।
শরিফ উদ্দিনকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পরিবর্তনের আশায় মাঠে ছিলেন বিএ নপি নেতা ও শিল্পপতি এ্যাডঃ সুলতানুল ইসলাম তারেক।
দুই নেতার পাল্টাপাল্টি শোডাউনে বিভক্ত হয়ে পড়েন দলের নেতা-কর্মীরা।কিন্তু গত সপ্তাহে প্রতীক বরাদ্দের পর সেই দূরত্ব আর অনৈক্য ঘুচে যায়।
বিভেদ ভুলে মনোনয়ন বঞ্চিতরা এককাট্টা হয়ে যান ধানে র শীষ প্রতীকের পক্ষে।
মনোনয়ন বঞ্চিতদের দাবি ব্যক্তি র চেয়ে দল বড়,তাছাড়া বিদ্রোহের জন্য যদি ধানের শীষের পরাজয় হয়,তাহলে সেই পরাজয় তাদেরও,আবার যদি বিজয় হয় সেই বিজ য়ের অংশীদার তারাও।
এছাড়াও ধানের শীষ প্রতিক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের।কাজেই ধানের শীষের পরা জয় হলে কেউ বলবে না শরিফ উদ্দিনের পরাজয় হয়েছে, সবাই বলবে বিএনপির পরাজয় হয়েছে,তাই বিএনপির আদর্শিক কোনো নেতাকর্মী এটা মেনে নিতে পারেন না।
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির সদস্য ও তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলে ন,বিএনপি দেশের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। দলে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা থাকবে এটা স্বাভাবিক।কিন্ত্ত দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমরা সবাই একতাবদ্ধ।তিনি বলেন,ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে বিএনপির সকল স্তরের নেতা ও কর্মীসমর্থকগণ একট্টা হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন,তিনি বলেন,তারা আশাবাদী দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের বিজয় হবে ইনশা ল্লাহ।#

About admin

Check Also

শার্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত   

(শার্শা) উপজেলা প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরের শা র্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে …