ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজে লায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র ক রে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দফা য় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান।
জানা যায়, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলা এ সহিংসতা য় অন্তত দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও রয়েছেন।
এ সময় একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়। সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ও আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগা তী) আসনের প্রার্থীদের উপস্থিতিতে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডি য়াম মাঠে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে র আয়ো জন করে উপজেলা প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের সমর্থ কে রা আগে থেকেই মঞ্চের সামনে আসন গ্রহণ করে ন।
পরে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের সমর্থকে রা মাঠে পৌঁছালে বসাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা এবং পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
প্রথম দফার সংঘর্ষের পর সন্ধ্যার দিকে জামায়াত প্রার্থী তার সমর্থকদের নিয়ে স্টেডিয়াম এলাকা থেকে বাজারের দিকে যেতে চাইলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাধা দেয়।
বাধা অতিক্রমের চেষ্টা করলে দ্বিতীয় দফায় আরও বড় ধরনের সংঘর্ষ শুরু হয়।
সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহতদের ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শের পুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে র সেক্রেটারি রেজাউল করিম রাত ১০টার দিকে ময়ম নসিং হ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ঘটনার পর রাতে জেলা জামায়াতে ইসলামী এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অতিরি ক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন এবং জড়িতদের গ্রেপ্তা রের দাবি জানায়। পরে মাইসাহেবা মসজিদ থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে সংগঠনটি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটা র্নিং কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম রাসেল বলেন, চেয়ার নিয়ে বসাকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মিজা নুর রহমান ভূঞা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এখনও কোনও পক্ষ মামলা করেনি। লিখিত অভি যোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। শেষ খবর পাওয়া প র্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছিল।