Related Articles
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
এক বাচ্চা হওয়ার খবরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে স্থানীয় জামায়াত-বিএনপি কর্মীদের মধ্যে বাকবিতন্ডার জেরে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কুল্ল্যাগাছা ভাতু ড়িয়া গ্রামের দু’পক্ষের মাঝে কথপোকথন শেষে মারামারি র ঘটনা ঘটেছে। এসময় আবুল কাশেম নামে এক কৃষক দল নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম হরিনাকুণ্ডু উপজেলার কাপাশহা টি য়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক ও কুল্ল্যাগা ছা ভাতুড়িয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, ঈদুল ফেতরের কয়েকদিন আগে স্থানী য় জামায়াত নেতা মুতালেবের ভায়ের মেয়ে হওয়ায় ফেস বুক আলহামদুলিল্লাহ বলে পোষ্ট দেয় সেই পোস্টের কমে ন্ট করে একজন বিএনপি নেতা।
তার এই কমেন্ট করা নিয়ে ওই গ্রামের আব্দুল আজিজ ও কৃষকদল নেতা আবুল কাশেমের বাকবিতন্ডা হয়।
তারা একে অপ রের চাচাতো ভাই। বাকবিতন্ডার জেরে বুধবার রাতে আ বুল কাশেম ও আব্দুল আজিজ হাতা হাতিতে জড়িয়ে পড়ে।
এক পর্যায়ে উভয়ের পরিবারের লোকজন মারামা রিতে লিপ্ত হয়। এসময় হাতাহাতির এক পর্যায়ে অচেতন হয়ে মাটিতে পড়ে যান আবুল কাশেম।
পরে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নেয়া র পথে তার মৃত্যু হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জুবায়ের বলেন আবুল কাসেম হাসপাতালে পৌছানোর মৃত্যু বরণ করেছে। বাইরে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই ইন্টারনাল হেমা রেজ হতে পারে পরে তবে সেটা পোস্টমর্টেম ছাড়া জানা যাবেনা।
কাপাশহাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শরাফু দ্দৌলা ঝন্টু জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ ও মারামারি হয়েছে।
কয়েকদিন ধরেই তাদের মাঝে বিরোধ চলে আসছিলো।
এ দিকে এঘটনাকে রাজনৈতিক বিরোধ দাবি করে জেলা যুবদলে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু অ ভিযোগ করেন, “স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজনের যৌথ হামলায় কৃষকদল নেতা নিহত হয়ে ছেন।
এ দিকে এঘটনাকে রাজনৈতিক বিরোধ দাবি করে জেলা যুবদলে সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু অ ভিযোগ করেন, “স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের লোকজনের যৌথ হামলায় কৃষকদল নেতা নিহত হয়ে ছেন।
জামায়াতের লোকজন ঝিনাইদহে গুপ্ত হত্যার রাজনীতি শুরু করেছে এর আগে তারা ঝিনাইদহ সদরের কৃষকদল নেতা তরু মুন্সী হত্যা করেছে। এটা তাদেও পরিকল্পিত হ ত্যাকান্ড।
হরিণাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের আমির বাবুল হোসেন জামায়াতের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, “ফেসবু কে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে একই পরিবারের সদ্যদের মধ্যে মারামারি হয়েছে।
এক পর্যায়ে নিহত আবুল কাশেম তারই চাচা নাজের মন্ডলের ছোঁড়া ইটের আঘাতে মারা গেছেন বলে অভি যোগ উঠেছে। কিন্ত এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে কোন ভাবেই জামায়াত জড়ি ত নয়।”
এ ব্যাপারে হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি গোলাম কিবরিয়া জানান, ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে মারামারি হয়েছে বলে শুনেছি।
আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা করেছি। চাচাতো ভাই দের মাঝে মারামারি হয়েছে, এমনটা জানতে পেরে ছি।
তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। মরদেহ ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়ে ছে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে
My family every time say that I am killing my time here at net,
however I know I am getting know-how daily by reading such fastidious articles.