Breaking News

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাম লায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শহীদ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ।

এছাড়া হামলায় খামেনির মেয়ে, মেয়ের জামাই, নাতিসহ পরিবারের আরও কয়েকজন শাহাদাত বরন করেছেন বলেও জানায় ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমটি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষনা করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ফার্স নিউজ এজেন্সি।

রোববার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্র্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ খবর প্রচার করা হয়।

সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে রোববার (১ মার্চ) থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

দেশটির রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলগুলোতে উপস্থাপকদের পড়ে শোনানো বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সর্বোচ্চ জাতী য় নিরাপত্তা পরিষদ জানিয়েছে, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় ভোরে আয়াতুল্লাহ খামেনি তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করার সময়ই নিহত হন।

এদিকে, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে বিবিসি নিউজ জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত ‘লিডারশিপ হাউস’ কম প্লেক্সের কিছু অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ পেয়ে ছে। এই স্থানটিই খামেনির কার্যালয়।

এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট একজন ব্যক্তি, ‘মারা গেছেন’।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন।

খামেনি ও তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা ‘মিউটিলেটেড’ অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্ববাসীর জন্য আজ সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।’

পোস্টে তিনি আরও বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভি যানে খামেনি এবং তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতারা পালানোর কোনো সুযোগ পাননি। ইরানি জনগণের জন্য এখন তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এছাড়াও পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের রেভোল্যু শনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্যই আর যুদ্ধ করতে চাচ্ছেন না। বরং তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি গত রাতেই বলেছিলাম, এখন চাইলে তারা ইমিউনিটি পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে নির্ঘাত মৃত্যু আছে’।

About admin

Check Also

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ: চলতি বছর ২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে …