যশোরপ্রতিনিধি: যশোরজেলার কেশবপুর উপজেলার ভান্ডারখোলা দাখিল মাদরাসার শূন্য ৪ পদে জনবলনি য়োগে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বাণিজ্যে হয়েছে বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠেছে।
প্রতিষ্ঠানেরম্যানেজিং কমি টির দুই জন অভিভাবক সদস্য ও একজন চাকরি প্রত্যা শী লিখিতভাবে সরকারের সংশ্লি ষ্ট৪ দপ্তরে লিখিত অভি যোগ দায়ের করেছেন।
মাদরাসার সভাপতি রাসেলুজ্জামান,ভারপ্রাপ্ত সুপারিন্টে ন্টআব্দুল কাদের ও অফিস সহকারী হাফিজুর রহমান যোগসাজসে সাড়ে ৩৭ লাখ এই অর্থ বাণিজ্যেজড়িত রয়েছেন।
তারা তাদের পছন্দমত প্রার্থী নিয়োগ দিতে গোপনে পাতা নো নিয়োগ বোর্ড বসানোরপায়তারা করছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে।অভিযোগকারীরাহলেন প্রতিষ্ঠানের ভান্ডা খোলা গ্রামের আব্দুস সাত্তার খানের ছেলে চাকরি প্রত্যা শী মোঃ শামসুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটি রঅভিভাবক সদস্য মো: হাফিজুর রহমান এবং ওজিয়ার রহমান।
তাদের স্বাক্ষরিত পত্রে মাদ্রাসাশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকার মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক যশোর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেশবপুরও উপজেলা শিক্ষা অফিসার কেশব পুর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। যা এই প্রতিবে দকের হাতেএসেছে।
২১ ও ২৩ অক্টোবর তারিখে এই দপ্তরগুলোতে পত্র পাঠা নো হয়েছে। সেগুলোর রিসিভ কপিওসংগ্রহ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টবিভিন্ন দফতরে দেওয়া অভিযোগপত্র ও সরেজ মিন অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যমতে,ভান্ডারখোলা দাখিল (এমপিও শিট অনুযায়ী) মাদরাসায়শূন্য পদে সুপার, এব তেদায়ীপ্রধান, ল্যাব সহকারী ও দপ্তরি নিয়োগেরপ্রক্রিয়া চলছে।
সরেজমিনেমাদরাসার কোন শিক্ষক বাঅন্য কেউ কোন পত্রিকায়কবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে তাবলতে পারে ননি।
এলাকার অনেকেই যারা আবেদন করতেচান তারাও ওই পত্রিকার কোনহদিস এখনো পাননি।
শিক্ষকরাজানান, পত্রিকা ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল কাদের, অফিস সহকারী হাফিজুররহমান ও সভাপতি রাসেলুজ্জা মানে রহেফাজতে রয়েছে। তারা কিছুই জানেননা।
ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদেরও তা দেখতে বাজানতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিভাবকসদস্য ওজিয়ার রহমান, হাফিজুর রহমান, টিআর সদস্য আতাউররহমান, প্রতিষ্ঠা তা সদস্য আব্দুল আলিম খান ওবিদ্যোৎসাহী সদস্য জা কির হোসেন অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়োগ বাণিজ্য করার জন্য গোপ নেনিজেদের প্রার্থীদের দিয়ে আবেদন করিয়েনিয়োগের চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রাআরও জানান, চলতি বছরের ৯সেপ্টেম্বর ২০২৫ মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন হয়। শূন্য ওই৪ প দে নিয়োগে মোটাঅংকের অর্থ বাণিজ্য করারলক্ষ্যে আ র্থিক লেনদেন, সংশ্লিষ্টদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানান অসাধু উপায়ে এলাকার একজন মুরগি ব্যবসায়ী রাসেলু জ্জামানকে সভাপতি বানানো হয়েছে বলেও স্থানীয় সচে তনসমাজ ও অভিভাবকদের অভিযোগ।
এসব কাজে জাল সনদেচাকরিতে নিয়োগে অভিযুক্ত ক ম্পিউটার শিক্ষক লাভলী ইয়াসমিনকেও ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনগিয়ে ভারপ্রাপ্তসুপার ও অফিস সহকারী কে মাদরাসায় পাওয়া যায়নি। ফোনে যোগাযোগ করলেসাং বাদিকদের কেশবপুর উপজেলা পরিষদে যেতে বলা হয়।
উপজেলা পরিষদে বসে এসব বিষয়েজানতে চাইলে ভার প্রাপ্ত সুপার কোন বিষয়ে কোনউত্তর দিতে পারেননি।
একপর্যায়েঅফিস সহকারী হাফিজুর রহমান বলেন, কো।থাও কোন অনিয়ম করাহয়নি এবং এখনো হচ্ছেনা। তবে বর্তমান ভারপ্রাপ্তসুপার আব্দুল কাদের আমাদের চয়েজে র প্রার্থী।
সুপার হিসেবে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সুপার আব্দুল কাদের এবং অন্যান্য পদেএলাকার আমাদের চয়েজের প্রার্থীদের নেওয়ার জন্য আমরা চেষ্টাকরছি।
অফিস সহকারী হাফিজুররহমানের বক্তব্যই তার বক্তব্য এবংঅন্যান্য সব অভিযোগ মিথ্যাবলে দাবি করেন ভারপ্রা প্তসুপার আব্দুল কাদের।
স্থানীয়দেরদাবি দুর্নীতিবাজ শি।ক্ষক ও কর্মকর্তাদের বি রুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রতিষ্ঠানে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হোক।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে
поставщик медоборудования http://medoborudovanie-postavka.ru .