Breaking News

শৈলকূপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ প্যাথলজিস্ট আরিফের বিরুদ্ধে

 শৈলকুপা( ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃঝিনাইদহের শৈলকূ পা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে প্যাথলজিষ্ট মোঃ আরিফ আহা মেদ এর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ঝিনাইদহ দুদকের একটি টিম

শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হানা দেয় এবং নানা অনিয়ম দেখতে পাই প্যাথলজি বিভাগে সে মোতাবেক দুদক টিম প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন প্রেরণ করে।

তার পরেও টনক নড়েনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,শৈলকুপা হাসপাতালের প্যাথলজি বিভা গের মা সিক টাকা জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ম ও অসঙ্গ তির অভিযোগ করে আসছেন সেবা নিতে আসা রোগী ওস্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে প্যাথলজি বিভাগের দায়িত্বে থাকা প্যাথলজিষ্ট আরিফ এর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের এসব অভিযোগ  উঠেছে  তার বিরু দ্ধে।
সঠিক তদন্ত হলে বেরিয়ে আসবে থলের বিড়াল বলে মনে করেন সচেতন মহল।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একই হাস পাতালে চাকুরী করার সুবাধে প্যাথলজিষ্ট আরিফ গড়ে তুলেছেন এক অপ্রতিরোধ্য সিন্ডিকেট। আর এই সিন্ডি কেটের মাধ্যমে  তিনি জড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের সাথে।
ইচ্ছামত প্যাথলজির রুমের মধ্যে টাকা আদায় আবার একই রুমের মধ্যে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে আর সেইসাথে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
প্যাথলজি বিভাগে রোগীর সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বাড়লেও সরকারের খাতায় সেপরিমান টাকা জমা হচ্ছে না।
প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার প্যাথলজির কাজ হয় বলে জানা যায়। এহিসাব মতে মাসে জমা হয় ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা অথচ সরকারের রাজস্ব খাতে জমা হচ্ছে মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।
হাসপাতালটির প্যাথলজিস্ট বিভাগে রোগী দের বিভিন্ন  পরীক্ষার সংখ্যা ও আয় বাড়লেও এভাবে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে এই খাত থেকে।
প্যাথলজি বিভাগ থেকে মাসে যে পরিমান রাজস্ব সরকা রি কোষাগারে জমা হয়, তা ২০ বছর আগের হিসাবের কাছাকাছির সমান।
আবার কখনো সরকারী রিএজেন্ট ফুরিয়ে গেলে ব্যক্তি গতভাবে রি এজেন্ট ক্রয় করে পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা।
প্রতিনিয়ত এভাবে হাসপা তালের বিপুল পরিমাণ টাকা
হরিলুটের অভিযো গের সত্যতা পাওয়া গেছে।নাম প্রকা শে অনিচ্ছুক একাধিক হাসপাতাল স্টাফরা বলেন, হাসপা তালে রোগী বাড়ছে, পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ছে সেইসাথে প্রচুর পরিমাণ আয় বাড়ছে অথচ সরকারি হিসাবে টাকা বাড়ছে না।
তাহলে অতিরিক্ত টাকার হিসাব কোথায় ? এর তদন্ত হও য়া জরুরী।  তারা আরো বলেন প্যাথলজিস্ট টি অন্যা ন্য খাতের আয়ের জন্য আলাদা ক্যাশ কাউন্টার  স্থাপন ও আলাদা ব্যক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রণ হোক।
এব্যাপারে প্যাথল জিষ্ট মোঃ আরিফ আহামেদকে বার বার মোবাইল করলে ও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবা র পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাশেদ আল মামুন বলেন ,শৈল কুপা হাসপাতালে প্যাথ লজি খাতে আগের থেকে এখন বেশী  টাকা জমা হচ্ছে।

About admin

Check Also

শার্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত   

(শার্শা) উপজেলা প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরের শা র্শার উলাশী ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে …