স্টাফ রিপোর্টার:কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা য় পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে শ্রমিক দলের কুষ্টিয়া সদর থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবেদুর রহমান আন্নু নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ উঠে ছে।
শনিবার দুপুরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বালুঘাটে আধিপত্য দুই পক্ষের স্থানীয়দের অভিযোগ ,কুষ্টিয়া সদরের কাজল বাহিনী,ঈ শ্বরদী উপ জেলার জাকারিয়া পিন্টু ও তার ভাই মেহেদী হাসানের গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে হরিপুর এলাকায় বালুঘাট দখল, উত্তো লন এবং প্রতিদিনের টাকার হিসাব–নিকাশ নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। এই এলাকাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে আ গে থেকেও উত্তেজনা ছিল বলে জানা যায়।
টাকার হিসাব নিয়ে সকালে উত্তেজনা,স্থানীয় শ্রমিকদের দেওয়া তথ্যে জানা যায়,শনিবার সকালে আবেদুর রহমান আনু বালুঘাটে গিয়ে আগের দিনের তুলনায় বেশি টাকা খরচ দেখানো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন—জাকারিয়া পিন্টুকে নিয়মিত টাকা দিতে হয়।” মেহেদী হাসানকেও আলাদা টাকা দিতে হয়।”“দুই ভাইকে একসঙ্গে টাকা দেওয়া সম্ভব নয়, তাহলে প্রশাসনকে কীভাবে সামাল দেব?”
এই হিসাব–নিকাশকে কেন্দ্র করে জাকারিয়া পিন্টু পক্ষে র লোকজনের সঙ্গে তার তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়।টাকা নিয়ে উত্তেজনার পর আন্নুর নৌকায় ওঠা
উদ্ধার হওয়া পাঁচজন বা জানায় , বাকবিতণ্ডার পর আনু বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় তিনি পিন্টু বাহিনীর লোকজন কে জানান যে— তিনি টাকার হিসাব কুষ্টিয়া সদর এলাকা য় গিয়ে মীমাংসা করবেন এবং সব টাকা কাজলকে দিতে হবে।
এরপর তিনি একা নৌকায় ওঠেন কুষ্টিয়ায় ফিরে আসার জন্য।তখন নৌকা লক্ষ্য করে হামলা করে পিন্টু কাহিনী, নদীতে ডুবিয়ে দেওয়াস্থানীয় সূত্র দাবি করেছে,জাকারিয়া পিন্টু ও মেহেদীর অনুসারীরা অন্নুর কাছে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়,পরে তাকে বালুবোঝাই বালগেট দিয়ে চাপা দিয়ে নৌকাসহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়,যেন ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলে প্রচার করা যায়।
তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে বালি ঘাটটি অবৈধ হওয়ার কারণে এ পর্যন্ত এই অনুনী খোঁজের অভিযোগের কোন থানায় হয়নি।
পরে কাজল পক্ষের লোকজন ৫–৬ জনকে উদ্ধার করে, কিন্তু আন্নু আর উত্তর করা সম্ভব হয়নি।
কাজল বাহিনীর লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌকা ডুবির সময় পানিতে পড়ে যাওয়া ৫/৬ শ্রমিককে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও মোঃ আবেদুর রহমান আনুর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জেলেরা নদীতে সন্ধান চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।
বালুঘাটি অবৈধ হওয়ার কারণে পুলিশের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। নদী দখল, বালু উত্তোলন ও টাকার লেন দেনকে কেন্দ্র করেই ঘটনাটি ঘটেছে কি না—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হবে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে