মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের যোগ্য সকল প্রভাষকের (৩২-৩৭ ব্যাচ পর্যন্ত) সহকারী অধ্যাপক পদে ভ‚তাপেক্ষ পদোন্নতির জিও জা রির দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মতো ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে কর্মসূচী পালন করছেন নওগাঁর বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার সকালে নওগাঁ সরকারি কলেজ প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিসিএস সাধারন শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক
পরিষদ সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
এ সময় শিক্ষকরা সরকারের প্রতি দ্রæত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সরকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জিও জারির আগ পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলেও ঘোষণা দেন। নওগাঁ সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক বাবুল আক্তার বলেন, বিধি মোতাবেক অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তা ৫ বছরে পদোন্নতি পেয়ে ষষ্ঠ গ্রেডে উন্নীত হলেও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা এখনও এন্ট্রি পদ ৯ম গ্রেডেই রয়েছেন।
প্রতি বছর পদোন্নতির জিও জারি হবার কথা থাকলেও গত দুই বছর ধরে প্রভাষকদের পদোন্নতির কোনো জিও জারি হয়নি।
আমলাতান্ত্রিক সদিচ্ছার অভাব ও বিভিন্ন অজুহাতের কারণে বারবার সময়ক্ষেপণের ফলে শিক্ষা ক্যাডারের
প্রভাষকবৃন্দ পদোন্নতির স্বাভাবিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এর ফলে পদোন্নতিযোগ্য প্রভাষকরা আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
আমরা অতিসত্বর পদোন্নতির সরকারি প্রজ্ঞাপন জারিসহ বৈষম্য নিরসনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। কলেজটির বাংলা বিভাগের প্রভাষক বিলকিস আক্তার বলেন, আমরা কখনো আন্দোলনে আসতে চাইনি, আন্দোলনে আসাটা বরং আমাদের জন্য লজ্জার ব্যাপার। কিন্তু বছরের পর বছর আমরা দীর্ঘ প্রতীক্ষায়
ছিলাম বিধি মোতাবেক আমাদের পদোন্নতি হবে।
পদোন্নতি পাওয়ার জন্য যেসব যোগ্যতা অর্জন করা দর কার আমরা সবগুলোই অনেক বছর আগেই অর্জন করে ছি। এক যুগ পেরিয়ে গেলেও কোন সুখবর আমরাপাইনি।
শিক্ষা শান্তি প্রগতি সবদিক থেকেই পৃথিবীতে বিপ্লবএ সেছে।
কিন্তু শিক্ষকরা সব সময় অবহেলিত থেকে গেছে। আমা দেরভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। আমরা অনেক টাই হতাশা নিয়ে সময় পারকরছি।
হতাশ মস্তিষ্ক নিয়ে ভালো পার্টন করানো সম্ভব না। আমরা মনেক রি সরকার দ্রæত আমাদের দাবি মেনে নিবে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে