আলিফ হোসেন,তানোর:
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) ব্যবস্থাপনা পরি চালক (এমডি) ওয়াহিদা বেগমকে গভীর ষড়যন্ত্র ও অপ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।
এনিয়ে রাকাবের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের মাঝে চরম ক্ষো ভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, তার পুর্বের কর্মস্থল অগ্রনী ব্যাং ক ঘিরে মামলা ও সাজার অভিযোগ এনে তাকে নতুন ভাবে ষড়যন্ত্রের জালে ফাঁসানোর চেষ্টা ও অপপ্রচার করা হচ্ছে।
ওয়াহিদা বেগমের পুর্বের কর্মস্থল অগ্রনী ব্যাংকের একা ধিক সুত্রে জানা গেছে ওয়াহিদা বেগম দায়িত্বে না থাকার পরেও ব্যাংকের সুত্র ধরে পুর্বে তার নামে মামলা দায়ের হয়।
বিজ্ঞ আদালত সেই মামলায় তাকে তিন মাসের সাজা প্রদান করলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপক্ষ চুল ছেড়া বিশ্লে ষণ করতে মামলাটি স্থগিত আদেশ প্রদান করেন।
এমতাবস্থায় অপর পক্ষ মামলাটি পুনরায় চালুর তদবির করলে শুনানির জন্য মামলাটি মহামান্য হাইকোর্টের আ দেশের অপেক্ষারত অবস্থায় থাকাকালিন সময়ে রাকা বের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদা বেগমকে হয়রানি করতে একটি মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
ভূল তথ্য দিয়ে আইনী প্রক্রিয়া শেষ হয়ার আগেই রাকাব পরিচালকের বিরুদ্ধে নানা গুজব ছড়িয়ে যোগাযোগ মাধ্য ম গরম করে তুলেছেন।
এছাড়াও রাকাবের এই নারী কর্ম কর্তার বিরুদ্ধে আনা হয়েছে আওয়ামীপন্থিদের পুনর্বা সনের মনগড়া অভি যোগ।
এমন মনগড়া অভিযোগের বিষয় নিয়ে ফুঁসে উঠেছে রাকাবের একাধিক ক্লিন ইমেজের কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।
তারা গণমাধ্যম কর্মীদের জানান একটি চক্র সুবিধা না পেয়ে হয়ত ষড়যন্ত্রের মত নোংরা খেলায় মেতে উঠেছেন।
তবে ষড়যন্ত্রকারিরা সফল হতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন রাকাবের একজন জৈষ্ঠ কর্মকর্তা।
সুত্রে জানা গেছে, রাকাবে ওয়াহিদা বেগমের নিয়োগ চ্যা লেঞ্জ করে গত ১৮ নভেম্বর উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন হয়েছে।
নিয়োগ কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে পরে রুল জারি করেন উচ্চ আদালত।
আদালতের নির্দেশে জানানো হয়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আ র্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিতর্কিত নিয়োগ পত্র কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ওয়াহিদা বেগমকে নিয়োগ প্রদান করা হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের (বিআরপিডি) ২০২৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারির সার্কুলার নম্বর-৫ ব্যাংক-কো ম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্ম কর্তা পদে নিয়োগ/নিযুক্তি এবং তার দায়-দায়িত্ব সম্প র্কিত নীতিমালার শর্তাবলি অনুসরণ না করে করা হয়েছে।
তা আইনগত ক্ষমতা ছাড়া করা বলে ঘোষণা করা না হওয়ার কারণ ৩ সপ্তাহের মধ্যে দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এর আগে, গত ২২ অক্টোবর রাকাবের সহকারী মহাব্য বস্থাপক আব্দুল মালে ক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ন র এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থি ক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর এমডির বিরুদ্ধে মন গড়া অভিযোগ এনে লিখিত অভিযোগ দেন।
তবে আব্দুল মালেকের অভি যোগ দেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা বললে অর্থ মন্ত্রণা লয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের ঘনিষ্ঠ জন জানান এমন অভিযোগের কোন ভি ত্তি নেই।
তিনি আরো বলেন সরকার কারো ব্যক্তিগত আক্রমণ নিয়ে সময় নষ্ট করে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন রাকাবের এমডির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে তা কে সাজাপ্রাপ্ত আসামি এবং আওয়ামী স্বৈরাচারের দো সর হিসেবে উল্লেখ করে যে ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তা সত্যিই দুঃখ জনক।
তিনি আরো বলেন অর্থমন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পদোন্নতি পেয়ে ওয়াহিদা বেগম রাকা বে বদলি হয়ে যাও য়ার পরে তার বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম অথবা কোন আর্থি ক কেলেংকারীর অভিযোগ আমাদের নিকট আসেনি।
এদিকে অগ্রনী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের একজন ডি জিএম জানান অগ্রণী ব্যাংক পিএলসিতে উপ-ব্যবস্থাপ না পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা অবস্থায় সেখা নে ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন ওয়াহিদা বেগম। হটাৎ কেন তাকে সরকারি বিষয় নিয়ে আলোচনা সমালোচনার খোরাক তৈরি করা হচ্ছে এমন বিষয় পরি স্কার নয়।
এসব বিষয়ে রাকাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এম ডি) ওয়াহিদা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সকল সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
একটি পক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন আদালত একটি নির্দেশনা দিয়েছেন পরবর্তীতে আমি ও আইনী প্রক্রিয়া গ্রহণ করেছি খুব শীঘ্রই একটি সমাধান পাব বলে আমি বিশ্বাস করি।#
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে