সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।
মুক্তিপণের এক লাখ আশি হাজার টাকা পরিশোধ করে লোকালয়ে ফিরেছে সুন্দরবন থেকে অপহৃতসাত জেলে।
সোমবার দুপুর ও বিকালে বিকাশে দাবিকৃত টাকা
পরিশোধের পর জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে মঙ্গলবার তারা লোকালয়ে পৌছে।
এর আগে রোববার সকালে সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীর হাঁসখালী, চেলাকাটা ও হেতালবুনি খাল থেকে সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকার করার সময় মাথাপিচু ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপনের দাবিতে জলদস্যুরা তাদেরকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
জিম্মিদশা থেকে ফিরে আসা জেলেরা হলো, সাতক্ষীরা শ্যামনগর উপজেলার দক্ষিন কদমতলা গ্রামের আব্দুল আজিজ(৫০), ইব্রাহিম হোসেন (৪৫), আনারুল ইসলাম
(২২), নাজমুল হক (৩৪), শামিম হোসেন(৩৬), আনোয়ার হোসেন(৩২) ও মুজিবুল হোসেন((৩৫)।
মুক্তিপন দিয়ে ফিরে আসা জেলেরা জানায়, শুরুতে আত্মসমর্পনকৃত জলদস্যু ডন বাহিনীর পরিচয়ে তাদের অপহরণ করা হয়েছিল।
কিন্ত দুই দিন জিম্মি অবস্থায় থাকার সময়ে তারা জল দস্যুদের কথোপকথনে নিশ্চিত হয়েছেন যে নয় সদস্যের জলদস্যু দলটি নানু বাহিনী নামে সুন্দরবনে দস্যুতা চালাচ্ছে।
এসব জেলেদের দাবি পুলিশ বা র্যাবের ব্যবহারকৃত একটি পিস্তলসহ মোট সাতটি আগ্নেয়ান্ত্র রয়েছে জল দস্যুদের কাছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফিরে আসা দুই জেলে আরও জানান, সাতক্ষীরার।পারুলিয়া বসে কোন একটি প্রভাব শালী চক্র এই জলদস্যুদের নিয়ন্ত্রণ করছে।
তাদের সামনে একাধিকবার জলদস্যুরা পারুলিয়ায় অবস্থানরতদের সাথে কথা বলেছেন।
ইতোপূর্বে আত্মসমর্পনকৃত জলদস্যু শ্যামনগর উপজে লার মৌখালী আটিরউপর এলাকার সফিকুল, শাহাজান, কালিঞ্চির মিকাইল, গোলাখালীর আসলাম, গাবুরার
আজিজুল ও মিন্টুকে তারা চিনতে পেরেছে।
সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারি বন সংরক্ষক মো. ফজলুল হক জানান, জিম্মি হওয়া কয়েকজন জেলে বাড়িতে ফিরেছে বলে লোকমুখে জেনেছেন।
তবে ফিরে আসা জেলেদের থেকে এখনো কিছু জানা যায়নি।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মা. খালেদুর রহমান জানান, জলদস্যুদের কবল থেকে ফিরে আসা জেলেদের থেকে তথ্য নিয়ে অপরাধীদের সনাক্তের চেষ্টা চলছে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে