মোঃ আক্তরুজ্জামান,খুলনা: বাংলাদেশীরা এমন যাতি যারা কখনো হার মানেনা,। বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসছে সেই সরকার ভারতের তাবেদারি করে আসছে।
ভাবা যায় আপনার ঘরে ঢুকে আপনার ভাইকে মেরে ফেলবে এটা কি ভাবে সম্ভব?
বাংলাদেশের জাতিকে মনে রাখতে হবে সময় মাত্র দুদিন শনিবার পর্যন্ত আমরা যে যেখান থেকে পারি ভারতীয় দালালদের জুতা পেটা কেরে বাংলাদেশ ছাড়া করতে হবে।
দালালদের সম্পত্তি আগুন লাগিয়ে শেষ করতে হবে, বঙ্গবল্টুর যত ছবি আছে মূর্তি আছে সব ভেঙ্গে চুরে একাকার করতে হবে।
শনিবারের পর থেকে আমরা সবাই স্বাভাবিক হবো হাদীর প্রতিশোধ নেব শনিবার পর্যন্ত।
যেন পরবর্তী কোন ক্রাইম করতে হলে ভারত শতবার চিন্তা করে, আসুন ভারত কি কারনে পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান দুইটি ভাগ করেছিল তার ইতিহাস জানি, দেশ ভাগ হওয়ার আগে কখনো ভারত পাকিস্তা নের সাথে যুদ্ধে যেতে নাই, এই কারণে ভারতের মাথা ব্যাথা ছিল যে করে হোক পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকি স্তান দুই ভাগ করতে হবে, দালাল হিসাবে শেখ মুজিবর কে পেয়ে গেল ।
বাংলাদেশীদের পূর্বের যুদ্ধের ইতিহাস আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি ,ভারতের ৯ টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে যে বাঙালি করেছিলেন রেকর্ড তিনি, পাইলট মুহাম্মদ মাহ মুদুল আলম। মাত্র ৪০ সেকেন্ড ৫ টি শত্রু বিমান ভূপাতিত করে ইতিহাসে নাম লেখান তিনি।
১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে কাশ্মীর কে রক্ষা করতে পশ্চিম পাকিস্তানের সেনাদের সাথে, বীরদর্পে ভারতের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি সেনারাও।
সেই যুদ্ধে প্রায় ৬৫ জন বাঙালি সেনাও শহীদ হয়েছেন। আর কাশ্মীর যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম ছিল মোহাম্মদ মাহমুদুল আলম নামটি, তিনি আজও কাশ্মীর বাসীর কাছে মহাপুরুষ হিসেবে স্মরণীয়।
১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের বিমানবাহিনী পাকি স্তানের শেয়ালকোট বিমানঘাঁটিতে হামলা চালায়। আর পাল্টা জবাবে পাকিস্তানের বৈমানিক মাহমুদুল আলম এফ-৮৬ যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতে ঢুকে পড়ে।
মাহমুদুল আলম মাত্র ৪০ সেকেন্ডে ৫ টি ভারতীয় হকার হান্টার যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করে। যেটি আজও বিমান যুদ্ধের ইতিহাসে রেকর্ড, এখনও পর্যন্ত এই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারেনি।
আর পুরোযুদ্ধে মোট ৯ টি যুদ্ধ বিমান ভূপাতিত করা এই পাইলটের নামে, পাকিস্তান বিমানবাহিনী মিয়ানওআলী বিমানঘাঁটির নাম করন করে রাখা হয় মোহাম্মদ মাহমুদুল আলম বিমানঘাঁটি ।
তাকে স্মরণে রাখতে লাহোরের একটি রাস্তার নাম রাখা হয় এমএম আলম রোড। ১৯৩৫ সালের ৬ জুলাই এই বাঙালি পাইলট জন্মগ্রহণ করেন।
ঢাকার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করেন ১৯৫১ সালে। এরপর পাকিস্তানের বিমানবাহিনী তে যোগদান করেন, এক অসাধারণ পাইলট হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। এই যুদ্ধে ৫০০০ বাঙালি সৈন্য অংশগ্রহণ করে।
লেখক: মোঃ আক্তরুজ্জামান,(খুলনা এবি পাটির নেতা )
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে