Related Articles
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কোমারভোগ গ্রামের তোফাজ্জলের বাসার সামনে দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাজারের লোটো শোরুম থেকে শোরুমের মালিক মোঃ পিন্টু আকন্দ (৩৮), এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পিন্টু নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার লোহাচড়া গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
সোমবার রাত সাড়ে ৯টারদিকে দুপচাঁচিয়া লোটো সুরুম থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা জোর পূর্বক একটি সাদা হাইস মাইক্রোবাসে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
গাড়ীর মালিককে যে গন্তব্যস্থলে যায়গার কথা বলে ভাড়া নেয়া হয় সেই গন্তব্যস্থলে না গিয়ে অন্য ঘোরাফেরা করতে দেখে “জিপিএসের মাধ্যমে” গাড়ী বন্ধ করে দেওয়া হয়।
গাড়ী বন্ধ হলে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা গাড়ী রেখে পালিয়ে যায়। জিপিএসের মাধ্যমে ঘটনাস্থল জানতে পেরে তাৎক্ষণিক দুপচাঁচিয়া থানা ও আদমদীঘি ও দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ আদমদীঘি উপজেলার কোমারভোগ গ্রাম থেকে কোমা রপুর গ্রাম মুখী রাস্তার উপর তোফাজ্জলের বাসার সাম নে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও হাইচ মাইক্রো বাসে র পিছনের সিটের পা রাখার স্থান থেকে ভিকটিমের লাশ উদ্ধার করে। ভিকটিমের নাকে মূখে কসটেপ পেঁচানো ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে পিন্টু আকন্দকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে। দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশসহ থানার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়।
এবং হত্যার কাজে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৩২৬৮ নম্বর একটি সাদা হাই সুজ মাইক্রোবাস জব্দসহ পুলিশ এক ব্যক্তি গ্রেফতার করেছে।
সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ হোসেন,আদমদীঘি সার্কেল, অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান ও দুপ চাচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় অফিসারসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইন গত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছেন। #
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে