Related Articles
হাবিব ওসমান কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও ঝিনাইদহ সদরের আংশিক) আসনে বিএনপি দলীয় ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খাঁনে র অফিস দুুইদিনেরর মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। দুুই একদিনের মধ্যে অফিস ছেড়ে না দিলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ৩ জানুয়ারী বিকাল ৫.১৫ মিনিটের দিকে।
বিল্ডিং এর মালিক মনিরুজজ্জামান বাবলুর কাছে এসে এ হুমকি দেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সমর্থক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ও তার লোকজন।
বিল্লাল হোসেন কালীগঞ্জ পৌরসভাধীন চাঁচড়া মাঠপাড়ার মো. আজহার মন্ডলের ছেলে। বিল্লাল হোসেন তার লোক জন নিয়ে অফিসে এসে কথা বলছিল এমন একটি ভিডি ও ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি রাশেদ খাঁন কালীগঞ্জ পৌর শহরের কোটচাঁদপুর সড়কের আড়পাড়া টিভিএস শোরুমের ওই বিল্ডিং এ অফিস ভাড়া নেন।
গত কয়েকদিনে অফিস গুছানো কাজ চলছিলো। এখনো অফিস ব্যবহার করেননি রাশেদ খাঁন। রাশেদ খাঁন গণঅ ধিকার পরিষদের সাধারন সম্পাদক ছিলেন।
২৭ ডিসেম্বর শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারস নের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপি তে যোগ দেন রাশেদ।
এসময় বিএনপি মহাসচিব ঝিনাইদহ-৪ এ মো. রাশেদ খানকে দলীয় প্রার্থী হিসাবে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করবেন বলে ঘোষনা দেন।
এদিকে রাশেদ খাঁনকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছা সেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।
তিনি এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন। বিএনপি থেকে স্থানীয় কাউকে মনোনয়ন না দেওয়ায় ক্ষোভ আর হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
ক্ষুদ্ধ নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ করেন। সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বত ন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষনা দেন।
রাশেদ খাঁনের ভাড়া অফিসের বিল্ডিং এর মালিক মনিরুজ্জামান বাবলু বলেন, এটা হুমকি বলা যায় না। বিল্লাল আমি আমরা সবাই একসাথে বিএনপি করি। বিল্লাল বলছিল, আমরা একসাথে দল করি, রাশেদের ঝামেলা এখানে না আনাই ভালো।
আমরা এখানে মিলেমিশে দল করছি, ভালো আছি। রাশেদ অন্য কোথাও অফিস ভাড়া নিক।
রাশেদ খাঁন জানান, আমি বিষয়টি জেনেছি। যারা অফিস না নেওয়ার জন্য বলছে, তারাও বিএনপির নেতা-কর্মী। আমাকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়াররম্যান তারেক রহমাান মনোনয়ন দিয়ে পাঠিয়েছেন।
তাছাড়া এ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশি সাইফুল ইস লাম ফিরোজ ভাই আমার অত্যান্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একসাথে লেখাপড়া করেছি।
এখন যদি তার কোন চাওয়া বা অভিযোগ থাকে দলের উচ্চ পর্যায়ে জানাতে পারেন, বিষয়টি তারা দেখবেন এবং সমাধান করবেন।
আমরা দেশ ও জনগণের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। এভাবে শত্রুতা করতে থাকলে সুস্থ্য গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে