ডেস্ক নিউজ:আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
দেশজুড়ে শুরু হয়েছ নির্বাচনী আমেজ;। আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে নামছে।
সেইসাথে সরকারও নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা জোর দারসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।
বাংলাদেশের এই সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি কে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।
তবে, সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, নির্বাচনের জন্য এমন একটি অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যেখানে দেশের সব নাগরিক নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন এবং কো নো বাধা ছাড়াই নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন।
গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত নিয় মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মহাসচিব আন্তোনিও গুতে রে সের উপমুখপাত্র ফারহান হক এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক বাংলাদেশের বর্তমান পরি স্থিতি তুলে ধরে তাকে প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুন রুদ্ধারে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতিসংঘ মহা সচি ব।
জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশ এখন নোবেলজয়ী অধ্যা পক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত হ চ্ছে। আপনি জানেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১২ ফেব্রুয়া রি পরবর্তী নির্বাচন আয়োজন করতে যাচ্ছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব এই নির্বাচনে এবং নির্বাচন-পরব র্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রা খার বিষয়ে কোনো পরামর্শ দেবেন কি না?
জবাবে ফারহান হক বলেন, অবশ্যই, আমরা নির্বাচন আয়োজনকে উৎসাহিত করি।
জাতিসংঘের পুরো ব্যব স্থায় আমরা এটি স্পষ্ট করে দিয়েছি যে নির্বাচনে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে সব ব্যক্তি নির্ভয়ে ও শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারেন এবং স্বাধীনভাবে ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারে ন।
এদিকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষ ণের জন্য বাংলাদেশে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট এক টি পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে যাচ্ছে কমনওয়েলথ।
এই পর্যবেক্ষক দলের নেতৃত্ব দেবেন ঘানার সাবেক প্রেসি ডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদো।
তার সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম, জেন্ডার ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা যোগ দেবেন।
পর্যবেক্ষক দলকে সহায়তা করবে কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের একটি দল, যার নেতৃত্বে থাকবে ন ইলে ক্টো রাল সাপোর্ট সেকশনের প্রধান ও উপদেষ্টা লিনফোর্ড অ্যান্ড্রুজ।
কমনওয়েলথের এই পর্যবেক্ষক দলের ম্যান্ডেট হলো নির্বা চনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা এবং নির্বাচন ও গণভোট বিশ্বাসযোগ্য,স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে ছে কি না-সে বিষয়ে একটি স্বাধীন মূল্যায়ন প্রদান করা।
দলটি বাংলাদেশের জাতীয় আইনসহ যেসব মানদ ণ্ডে বাংলাদেশ নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছে, তার আ লো কে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিচালনা সম্পর্কে প্রতিবে দন দেবে।
মিশন সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যবেক্ষক দল তাদের পর্য বেক্ষণ ও সুপারিশসম্বলিত একটি প্রতিবেদন কমনও য়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবে।
এই প্রতিবেদন পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার, বাংলা দেশ নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলসমূহ, সকল কমনও য়েলথ সরকার এবং সর্বসাধারণের জন্য প্রকা শ করা হবে।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে