Related Articles
শহিদুল ইসলাম,মহেশপুর (ঝিনাইদহ):
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ছায়া ঢাকা, পাখি ডা কা, নির্ভিত পল্লীর নির্জন মাঠে গত ৭/৮ বছর ধরে গড়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “মমরেজ মোড় ” মোড়টি পাঁচ পোতা ও পাথরা গ্রামের সংযোগস্থলে এক সময়ের নির্জন ফাঁকা মাঠটি এখন স্থানীয় অর্থনীতির এক প্রাণচঞ্চল ক্ষু দ্র ব্যবসাকেন্দ্রে রূপ নিয়েছে, যা এলাকাবাসীর কাছে পরিচিত নামকরণ স্হান ” মমরেজ মোড় ’ নামে পরিচিত ।
প্রায় ৭/৮ বছর আগে পাঁচপোতা গ্রামের বাসিন্দা মম রেজ নামের এক ব্যক্তি নিজ হাতে একটি বটগাছ রোপণ করার মধ্য দিয়েই এই স্থানের পরিচয়ের সূচনা হয়।
সময়ের সঙ্গে সেই বটগাছের ছায়ায় গড়ে ওঠে মানুষের আড্ডা, আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একই গ্রামের উদ্যোক্তা মো.রহম বারী মাত্র ৭০০ টাকা পুঁজি নিয়ে ছয় বছর আগে ঝালমুড়ি ও চায়ের ছোট ব্যবসা শুরু করেন। শুরুটা ছিল খুব সাধারণ, তবে নিজ হাতে তৈরি বিশেষ মসলা, তেল ও উপকরণের সংমিশ্রণে তিনি ঝালমুড়ি, চট পটি ও ফুচকায় আলাদা স্বাদ যোগ করেন।
বিশেষ করে গরুর ভুঁড়ি ও ডিমের মিশ্রণে তৈরি তার চট পটি অল্প সময়েই এলাকায় সুনাম কুড়ায়। বর্তমানে এই মোড়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩০০ বাটি চটপটি বিক্রির পাশা পাশি ঝালমুড়ি ও ফুচকারও ভালো চাহিদা রয়েছে, যার ফলে দৈনিক ১৫,০০০ থেকে ২০,০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেচাকেনা হয়ে থাকে। রহম বারীর সাফল্য দেখে অনু প্রাণিত হয়ে একই গ্রামের সাব্বির হোসেনও এখানে একই ধরনের ব্যবসা শুরু করেছে, ফলে দুপুরের পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এই মোড় জমে ওঠে ক্রেতাদের ভিড়ে। এখানে প্রতিনিয়ত আশপাশের জীবননগর ও চৌগাছা উপজেলা ছাড়াও মহেশপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ স্বাদের ভিন্নতা আর গ্রামীণ পরিবেশের টানে এখানে ছুটে আসে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, করোনাভাইরাস মহামারির কঠি ন সময়ে ঝুঁকি নিয়েই রহম বারী এই ব্যবসাকে ঘুরে দাঁড়া নোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নেন।
আজ ‘ মমরেজ মোড় ’ কেবল একটি নাম নয়,বরং অল্প পুঁজি,পরিশ্রম আর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে কীভাবে গ্রামীণ উদ্যো ক্তা নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারেন তার একটি বাস্তব ও অনুকরণীয় উদাহরণ।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে