সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
জলাভূমি সুরক্ষার অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরার উপ কূলীয় শ্যামনগরে পালিত হয়েছে বিশ্ব জলাভূমি দিবস।
এ উপলক্ষে রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) উপ জেলার মুন্সিগ ঞ্জের সোকুড়ি নদীর পাড়ে ‘জলাভূমি ও প্রথাগত জ্ঞান, সাংস্কৃতিক ঐ তিহ্য উদ্যাপন’ প্রতিপাদ্যে র্যালি ও আলোচ না সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক, গ্রীন কোয়ালি শন ও সুন্দ রবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম যৌথ ভাবে ‘জলাভূমি সুর ক্ষায় উপ কূল বাসীর অঙ্গীকার’ শীর্ষক এই কর্মসূচির আয়ো জন করে।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জলাভূমি, নদী, খাল-বিল ও প্রাকৃতিক জলাশয় রক্ষার দাবি তে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেবস্টুন প্রদর্শন করে ন।
পরে সেখানে অনুষ্ঠিত আলোচ না সভায় সভাপতিত্ব করেন মুন্সিগঞ্জ গ্রীন কোয়ালি শনের সভাপতি ডা. যোগেশ মন্ডল।
সভায় বারসিকের ক্যাম্পেইন অ্যান্ড নেট ওয়ার্ক ফ্যা সিলিটেটর স.ম ওসমান গনীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ঈশ্বরীপুর গ্রীন কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমা ন, সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভা পতি মাহফুজুর রহমান তালেব, মথুরা পুর কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধা য়ক সরমা রানী, কৃষক নিমাই মন্ডল এবং সুন্দরবন ইয়ুথ সলিডারিটি টিম বুড়িগোয়া লিনী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সবুজ বিল্লাহ, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের জীবন-জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় জলাভূমি অপ রিহার্য।
প্রথাগত জ্ঞান ও স্থানীয় মানুষের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে জলাভূমি সংরক্ষণে সম্মি লিত উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে গ্রাম ডা. যোগেশ মন্ডল বলেন, নদী, খাল-বিল ও জলাভূমি আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ।
এগুলো ধ্বংস হলে শুধু পরিবেশ নয়, উপ কূলবাসীর অস্তিত্বও হুমকির মুখে পড়বে।
তাই স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করেই জলাভূমি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
রামকৃষ্ণ জোয়ারদার বলেন, উপকূলীয় জ লাভূমি প্রা কৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। প্রথাগত জ্ঞান ও কৃষকে র অভিজ্ঞতা জলাভূমি ব্যবস্থা পনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, যা আমাদের নতুন ক রে মূল্যায়ন করা জরুরি।
বিশ্বজিৎ মন্ডল বলেন, নদী ও প্রাকৃতিক জ লাশয় দখল ও দূষণের ফলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এখনই সম্মিলিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিরা পদ পরিবেশ পাবে না।
এম. জিল্লুর রহমান বলেন, খাল-বিল ও জলাভূমি রক্ষা মানেই কৃষি, মৎস্য ও জীবি কার সুরক্ষা।
স্থানীয় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে জলা ভূমি রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।
মাহফুজুর রহমান তালেব বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলীয় নদীগুলো আমাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক।
গণমাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সচেতন অংশ গ্রহণ ছাড়া এসব প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব নয়।
সরমা রানী বলেন, প্রাকৃতিক জলাশয়ের সঙ্গে কৃষিপ্র তিবেশবিদ্যার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
জলাভূমি টিকিয়ে রাখলে পরিবে শবান্ধব কৃষি ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।
নিমাই মন্ডল বলেন, আমরা কৃষকরা জানি কোন মৌসুমে পানি ধরে রাখতে হয়, কখন ছাড়তে হয়।
আমাদের এই প্রথাগত জ্ঞানকে গুরুত্ব দিলে জলাভূমি রক্ষা করা সহজ হবে।
সবুজ বিল্লাহ বলেন, যুব সমাজ এগিয়ে এ লে জলাভূমি সুরক্ষা আন্দোলন আরও শক্তি শালী হবে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদী ও জলাশয় রক্ষা করা আমা দের নৈতিক দায়ি ত্ব।
নিমাই মন্ডল বলেন, আমরা কৃষকরা জানি কোন মৌসুমে পানি ধরে রাখতে হয়, কখন ছাড়তে হয়।
আমাদের এই প্রথাগত জ্ঞানকে গুরুত্ব দিলে জলাভূমি রক্ষা করা সহজ হবে।
সবুজ বিল্লাহ বলেন, যুব সমাজ এগিয়ে এলে জলাভূমি সুরক্ষা আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদী ও জলাশয় রক্ষা করা আমা দের নৈতিক দায়িত্ব।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে