Related Articles
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়নের ইউপি) হাতি শাইল স্কুল পাড়া গ্রামে প্রায় কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণের সুফল পেতে শুরু করেছে প্রায় সহস্রাধিক পরি বার এবং হাতিশাইল উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এতে সহজ হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।
অথচ কিছুদিন আগেও ভাঙাচোরা এই রাস্তায় চলাচল করা ছিল স্থানীয়দের জন্য নিত্য ভোগান্তি।
বৃষ্টির দিনে রাস্তার বিভিন্ন স্থানে পানি কাঁদা জমায় হেঁটে যাওয় ছিলো দুর্বিষহ। গাড়ি চলাচল করা ছিল চরম ঝুঁকি পুর্ণ অনেকে বাধ্য হয়ে পাঁযে হেটে যেতো। তবে রাস্তাটি পাকা করায় অবশেষে সেই দুর্দিন কাটিয়ে এলাকায় বইছে স্বস্তির হাওয়া।
সম্প্রতি রাস্তা পাকাকরণ কাজ শেষ হয়েছে। এই রাস্তা যেনো নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে গ্রামবাসীর জন্য। নিরাপদ ও আরামদায়ক যাতায়াতের সুযোগ পেয়ে কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের মুখে এখন হাসি।
জানা গেছে,উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) হাতিশাইল গ্রামে প্রায় সহস্রাধিক পরিবারের বসবাস।
কিন্ত্ত মাত্র এক কিলোমিটার রাস্তা পাকা না হওয়ায় এসব মানুষের দুর্ভোগের অন্ত ছিলো না।বিশেষ করে বর্ষা মৌসু মে কৃষকেরা মাঠ থেকে খেতের ফসল তুলতে গিয়ে বিড়ম্ব নার শিকার হতেন।এছাড়াও স্কুলের শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ছিলো নিত্যদিনের।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয় নের (ইউপি) হাতিশাইল স্কুল পাড়া গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণে প্রায় ৯৭ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়।
কাজটি বাস্তবায়ন করেন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌ শল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। রাজশাহী শহরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স র্যাবেল এন্টারপ্রাইজ।
এদিকে কাজের শুরু থেকেই উপজেলা প্রকৌশলী নুর নাহার নিজে কাজের মাণ দেখভাল করেন।ফলে ঠিকা দারি প্রতিষ্ঠান কাজে কোনো অনিয়মের সুযোগ পায়নি।
উপজেলা প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে সিডিউল অনুযায়ী কাজ হয়েছে।কাজের মান নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাগণ খুশি।
স্থানীয় অটো চালক আব্দুর রশিদ বলেন, তিনি বাড়ি থে কে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে অটো নিয়ে যান।
কাচা রাস্তার কারণে অনেক কষ্ট করতে হতো। এখন সুদি ন ফিরেছে, চলাচল অনেক সহজ হয়েছে।”
অটোরিকশা চালক আলম জানান, আগে রাস্তা খারাপ থাকায় যাতায়াতে সময় ও ব্যাটারির চার্জ খরচ বেড়ে যেত। এখন যাত্রীদেরও আরাম, আমাদেরও স্বস্তি।
স্থানীয়রা মনে করছেন, এই সড়ক এই অঞ্চলের যোগা যোগ ব্যবস্থায় নতুন প্রাণ সঞ্চার করবে। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সাধারণ মানুষের কর্মজীবনে আসবে নতুন গতি ও স্বাচ্ছন্দ্য।
স্থানীয় বাসিন্দা সুলতান আহম্মেদ বলেন, উপজেলা প্রকৌশলীর তৎপরতা ছিলো চোখে পড়ার মতো।রাস্তার কাজের মান নিয়ে তারা পরম খুশি।তিনি বলেন,নিয়ম মাফিক কাজ হয়েছে।
স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানা বলেন,এলাকার মানুষ রাস্তার কাজের মান নিয়ে খুশি।তিনি বলেন,স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে রাস্তার কার্পেটিং কাজ করা হয়েছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী নুর নাহার বলেন, কাজের মান নিয়ে কোনো আপোষ নাই।
সিডিউল মোতাবেক নিয়মমাফিক কাজ বুঝে নেয়া হয়ে ছে। তিনি বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকতাগণ কাজের মান পরী ক্ষা-নিরীক্ষা করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাস্তার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, কার্পেটিংসহ সব কিছুই সঠিক পাওয়া গেছে। #
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে