Related Articles
আকিমুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা :
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম ও নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিয়া কত আলীর বিরুদ্ধে।
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসা সেবা প্রত্যাশী ও মেম্বারদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
উথলী ইউনিয়নে একা ধারে ১৫ বছরের অধিক সময় চাকুরী করার কারণে দুনীতি করে কোটি টাকা মালিক বনে যান এছাড়াও মনোহরপুর ইউনিয়ন দীর্ঘ দিন চাকুরী কালীল সময়ে দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে লিয়াকত আ লীর বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সরকারি এলজিএসপি প্রকল্প, এডিবি প্রকল্প, টিআর-কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়ম, অর্থ নয়ছয় এবং খাতা কলমের সাথে কাজের বাস্তবতায় বিস্তর ফারাক রয়েছে।
সারদেশে ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে শক্তিশালী করা, কার্য করভাবে জনসেবা প্রদান এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমূ লক কাজ তদারকিতে সহায়তার জন্য লোকাল গভর্ন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্টেরক্টের (এলজিএসপি) ও উন্নয়ন প্রকল্প টিআর, কাবিখা, কাবিটার আওতায় হাসাদাহ ইউনিয়ন পরিষদে কত টাকা বরাদ্দ কোন কোন খাতে খরচ করা হয়েছে তার সঠিক তথ্য মেলেনি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পিআইসির সভাপতি বলেন টিআর, কাবিখা ও কাবিটা অর্থায়নে যে কাজ হয়ে থাকে সেখানে লিয়াকত আলী ২% দিতে হয় যদি না দেওয়া হয় তাহলে পরের বার কাজ দেওয়া হয়না।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন হাসাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশানিক কর্ম র্কর্তা জীবননগর থেকে সম্প্রতি বদলিকৃত ইউএনও আল আমীন স্যারের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন।
২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ১% টাকা জীবননগর উপজেলার ৮ ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৮ লক্ষ টাকা এখান থে কে ইউএনও আল আমীন কে ১২% পার্সেন্ট প্রায় ৬ লক্ষ টাকা উৎকোচ তুলে দেন লিয়াকত আলী।
এছাড়াও ১% পার্সেন্টের টাকা কোন কোন খাতে খরচ হয়েছে তার তালিকা, ইউনিয়ন পরিষদেে টাংগানো হয়নি পরিষদে ট্যাক্স হোল্ডারদের কাছ থেকে উত্তোলনকৃত টাকার জমা ও খরচের হিসাব নিকাশের কোন তথ্য পা ওয়া যায়নি।
কাগজে কলমে কাজ দেখানো হলেও বাস্ততা কোন কাজ হয়নি।সরেজমিনে দেখা গেছে প্রকল্প দেখানো হলেও টাকা গেছে লিয়াকত আলী আর সাবেক ইউএনও আল আমীন পকেটে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন মেম্বার জানিয়েছেন, লিয়াকত আলী দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি তার ইচ্ছেমতো সবকিছু করে গেছেন।
মেম্বারদের সাথে পরামর্শ না করে নিজের খেয়াল খুশি মতো সব করেন চেয়ারম্যানকে নিয়ে । মেম্বাররা কিছু জানতে চাইলে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।
ইউনিয়নের সাধারণ জনগণের দাবি, লিয়াকত আলী সরকারি প্রকল্প নিয়ে নয়ছয়ের বিষয়টি প্রশাসন খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
জানতে চাইলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিয়াকত আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোন অনিয়ম ও নয়ছয় করিনি।
জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, কোন অনিয়ম হলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দ্বিতীয় পর্বে আরও আসছে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অর্থ আ ত্মসাৎ এর বিষয়।
Bartabd24.com সব খবর সবার আগে
জীবননগর হাসাদাহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ( সচিব) লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ
Good news