এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অ ভিযোগে নাটোরের লালপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করেছেন বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন একাধিক সংবাদকর্মী।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) দুপুরে লালপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজে লা প্রশাসনের কর্মচারীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে লালপুর উপ জেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।
এ সময় তারা ইউএনওর বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম ও বাণি জ্যের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন স্লোগান দেন। একপর্যায়ে বি ক্ষোভকারীদের কয়েকজন ইউএনওর কক্ষে প্রবেশ করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন।
পরবর্তীতে থানা বিএনপির নেতারা এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এসময় ইউএনও ও আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের উ দ্দ্যেশে থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ হারুনার রশিদ পাপ্পু বলে ন, বুধবারের (১২ আগষ্ট) মধ্যে প্রকাশিত তালিকা বাতিল করে মেধাবীদের নিয়োগ দিতে হবে এবং লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বরকত উল্লাহকে এখান থেকে প্রত্যাহা র করতে হবে। না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৩ আগ ষ্ট) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস ঘেরাও করার ঘোষ ণা দেয়।
এসময় লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিক আলী মিষ্টু, গোপালপুর পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও সাবেক মেয়র নজরুল ইসলাম মোলাম, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল আজিজ রন্জু, এবি ইউ নিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবেদ আলী, উপ জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু রায়হান সুইট, যুগ্ম আহ বায়ক আবু রায়হান প্রমূখ।
এদিকে বিক্ষোভের ভিডিও ধারণ ও সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এনটিভি অনলাইনের লালপুর প্রতিনিধি সজিবুল ইসলাম ও দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি রশিদুল ইসলা বকে আন্দোলনকারীরা মারধর করার অভিযোগ ওঠে।
এবিষয়ে এনটিভি লালপুর প্রতিনিধি সাজিবুল ইসলাম ব লেন, হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
এবিষয়ে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি স্বা ভাবিকে নিয়ে আসে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্র ক্রিয়াধীন।
ঘটনার বিষয়ে জানতে লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগা যোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Reporter Name 



















