Dhaka , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পর্যায়ক্রমে সব দখলদারকে উচ্ছেদ করে জেলার নদ-নদী দখলমুক্ত করা হবে: নদী কমিশনের চেয়ারম্যান 

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:50 pm, Tuesday, 18 August 2026
  • 96 Time View

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান সিনিয়র সচিব মো. মকসুমুল হাকিম চৌধুরী বলেন, সাতক্ষী রার কপোতাক্ষ নদ এবং বেতনা, মরিচ্চাপ, আদি যমুনা, মা দার,খোলপেটুয়াসহ বিভিন্ন নদী ও নৌ-খালের তীরে অবৈধ দখলদার হিসাবে জেলার ৩০২ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এবস দখলদারকে উচ্ছেদ করে জেলারসব নদ-নদী দখলমুক্ত করা হবে।

কমিশনের মূলত কাজ হচ্ছে যে নদ-নদী গুলো এখনো প্রবা হমান আছে সেগুলিকে রক্ষা করা। একই সাথে নদ-নদীর অবেধ দখলমুক্ত করা, দূষণরোধ ও নব্যতা ঠিক রাখা।

মঙ্গলবার(১৮ আগষ্ট) সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ এর সভাপতি ত্বে অনুষ্ঠিত জেলা নদী রক্ষা কমিটির এক সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক, এনজিও ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদেরকে নদীর অবৈধ দখল সর্ম্পকে আরো সোচ্ছার হতে হবে।

প্রথমে একটি অথবা দুইটা নদী চিহিৃত করে সে গুলোকে দখল মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি এই কার্য ক্রমকে এগিয়ে নিতে একটি প্রকল্প করে নদী কমিশনকে অবহিত করার জন্য জেলা প্রশাসককে বলেন।

নদী কমিশন যতদূর সম্ভব এবিষয়ে তার লজিস্টিক সার্পোট দিবে।

জেলা নদী কমিটির সদস্য সচিব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রোজস্ব) রিপন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পানি কমিশনের উপ-পরিচালক উপসচিব আব্দুল আল জাকি, জাতীয় পানি কমিশনের সহকারী পরি চালক গবেষণা ও পরিকল্পনা মোহাম্মদ আশরাফুল হক, পানি প্রকৌশলী সহকারী প্রধান আহমদ শামস কাদিও, পৌর সিভার নির্বাহী মোঃ আসাদুজামান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভা গ-১ ও বিভাগ ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী যথক্রমে মো. আশ রাফুল আলম ও মো. আব্দুর রহমান তাযকিয়া, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লা বের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সাধারণ সম্পা দক মোঃ আব্দুল বারী, উত্তরণের হাসেম আলী ফকির ও
সুশিলনের মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

সভায় বলা হয়, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের রাজস্ব (এসএ) শাখার তথ্য অনুযায়ি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশিনের নির্দেশনা মোতাবেক স্থানীয় প্রশাসন সরেজমিন তদন্ত শেষে কপো তাক্ষ নদ, বেতনা, মরিচ্চাপ, আদি যমুনা, মাদার, খোলপেটু য়াসহ বিভিন্ন নদী ও নৌ-খালের তীরে অবৈধ দখলদার হিসা বে ৩০২ জনকে চিহ্নিত করেছে।

তাদের তালিকা জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।

একই সঙ্গে উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি কর্ম পরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ি দীর্ঘদিন ধরে জে লার গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী ও খালের তীর স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুদের দখলে রয়েছে।

সরকারি জমি দখল করে সেখানে স্থায়ী বসতবাড়ি, ইটভাটা, মাছের ঘের এবং ফসলি জমিতে রূপান্তর করেছেন।

এর মধ্যে কপোতাক্ষ নদের তীরে ১১৫ জন এবং ইছামতী নদীর তীরে ১০ জনসহ মোট ৩০২ জন ব্যক্তি নদী ও নৌ-খালের তীর দখল করে আছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ভূমিহীন হিসাবেও তালিকাভুক্ত।

সভায় আরো বলা হয়, সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদ, বেতনা, ইছামতিসহ বিভিন্ন নদ-নদী ও খালবদখলমুক্ত করার উদ্যো গে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নির্দেশনারনআলোকে ৩০২ জন অবৈধ দখলকারীকে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সভা শেষে অতিথিবৃন্দ সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়ের খাল, বেতনা নদীসহ বিভিন্ন নদীর পাড়ে গড়ে উঠা অভেধ স্থাপনা সমূহ পরিদর্শন করেন।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

পর্যায়ক্রমে সব দখলদারকে উচ্ছেদ করে জেলার নদ-নদী দখলমুক্ত করা হবে: নদী কমিশনের চেয়ারম্যান 

Update Time : 02:50 pm, Tuesday, 18 August 2026

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:জাতীয় নদী কমিশনের চেয়ারম্যান সিনিয়র সচিব মো. মকসুমুল হাকিম চৌধুরী বলেন, সাতক্ষী রার কপোতাক্ষ নদ এবং বেতনা, মরিচ্চাপ, আদি যমুনা, মা দার,খোলপেটুয়াসহ বিভিন্ন নদী ও নৌ-খালের তীরে অবৈধ দখলদার হিসাবে জেলার ৩০২ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এবস দখলদারকে উচ্ছেদ করে জেলারসব নদ-নদী দখলমুক্ত করা হবে।

কমিশনের মূলত কাজ হচ্ছে যে নদ-নদী গুলো এখনো প্রবা হমান আছে সেগুলিকে রক্ষা করা। একই সাথে নদ-নদীর অবেধ দখলমুক্ত করা, দূষণরোধ ও নব্যতা ঠিক রাখা।

মঙ্গলবার(১৮ আগষ্ট) সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ এর সভাপতি ত্বে অনুষ্ঠিত জেলা নদী রক্ষা কমিটির এক সভায় প্রধান
অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সাংবাদিক, এনজিও ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধিদেরকে নদীর অবৈধ দখল সর্ম্পকে আরো সোচ্ছার হতে হবে।

প্রথমে একটি অথবা দুইটা নদী চিহিৃত করে সে গুলোকে দখল মুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি এই কার্য ক্রমকে এগিয়ে নিতে একটি প্রকল্প করে নদী কমিশনকে অবহিত করার জন্য জেলা প্রশাসককে বলেন।

নদী কমিশন যতদূর সম্ভব এবিষয়ে তার লজিস্টিক সার্পোট দিবে।

জেলা নদী কমিটির সদস্য সচিব অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রোজস্ব) রিপন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় পানি কমিশনের উপ-পরিচালক উপসচিব আব্দুল আল জাকি, জাতীয় পানি কমিশনের সহকারী পরি চালক গবেষণা ও পরিকল্পনা মোহাম্মদ আশরাফুল হক, পানি প্রকৌশলী সহকারী প্রধান আহমদ শামস কাদিও, পৌর সিভার নির্বাহী মোঃ আসাদুজামান, পানি উন্নয়ন বোর্ড বিভা গ-১ ও বিভাগ ২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী যথক্রমে মো. আশ রাফুল আলম ও মো. আব্দুর রহমান তাযকিয়া, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী, সাতক্ষীরা প্রেস ক্লা বের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি, সাধারণ সম্পা দক মোঃ আব্দুল বারী, উত্তরণের হাসেম আলী ফকির ও
সুশিলনের মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

সভায় বলা হয়, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের রাজস্ব (এসএ) শাখার তথ্য অনুযায়ি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশিনের নির্দেশনা মোতাবেক স্থানীয় প্রশাসন সরেজমিন তদন্ত শেষে কপো তাক্ষ নদ, বেতনা, মরিচ্চাপ, আদি যমুনা, মাদার, খোলপেটু য়াসহ বিভিন্ন নদী ও নৌ-খালের তীরে অবৈধ দখলদার হিসা বে ৩০২ জনকে চিহ্নিত করেছে।

তাদের তালিকা জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হয়।

একই সঙ্গে উচ্ছেদ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি কর্ম পরিকল্পনাও প্রস্তুত করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ি দীর্ঘদিন ধরে জে লার গুরুত্বপূর্ণ নদ-নদী ও খালের তীর স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুদের দখলে রয়েছে।

সরকারি জমি দখল করে সেখানে স্থায়ী বসতবাড়ি, ইটভাটা, মাছের ঘের এবং ফসলি জমিতে রূপান্তর করেছেন।

এর মধ্যে কপোতাক্ষ নদের তীরে ১১৫ জন এবং ইছামতী নদীর তীরে ১০ জনসহ মোট ৩০২ জন ব্যক্তি নদী ও নৌ-খালের তীর দখল করে আছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ভূমিহীন হিসাবেও তালিকাভুক্ত।

সভায় আরো বলা হয়, সাতক্ষীরার কপোতাক্ষ নদ, বেতনা, ইছামতিসহ বিভিন্ন নদ-নদী ও খালবদখলমুক্ত করার উদ্যো গে নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নির্দেশনারনআলোকে ৩০২ জন অবৈধ দখলকারীকে চিহ্নিত করে উচ্ছেদ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

সভা শেষে অতিথিবৃন্দ সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ সায়ের খাল, বেতনা নদীসহ বিভিন্ন নদীর পাড়ে গড়ে উঠা অভেধ স্থাপনা সমূহ পরিদর্শন করেন।