Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অবশেষে প্রাথমিকের শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিলেন ঝিনাইদহের ‘ঠিকানাহীন’ মিশন আচার্য

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছেন ঝিনাইদহের স্থায়ী ঠিকানাবিহীন মিশন আচার্য (৩১)।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে তিনি সব কাগজপত্র জমা দেন বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমজাদ হোসেন নিশ্চিত করেন।

ঝিনাইদহ শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন।

তার ও পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কলাবাগানের নাম আছে।

কিন্তু সেখানে তাদের নিজেদের জমি বা বাড়ি না থাকায় তার নিয়োগ স্থগিত ছিল।

মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়। যোগদানের পর তাকে উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১১ অক্টোবর তাকে বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।’
মিশন আচার্য বলেন, ‘আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করে পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দিয়েছি।’

সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এ অংশ নিয়ে মিশন আচার্য লিখিত ও ভাইভায় উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী ঠিকানা জটিলতায় নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন।

মিশনের মা ময়না আচার্য বলেন, ‘আমাদের নিজেদের বাড়ি না থাকায় আমার ছেলের চাকরি আটকে যাচ্ছিল না বারবা র। এবার সবাই পাশে ছিল বলে শেষ পর্যন্ত তার নিয়োগটা হলো।”

উল্লেখ, গত ৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন এই মিশন আচার্যকে নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর দপ্তরে হাজির হন।

তখন শিক্ষামন্ত্রী ড. আনম এহসানুল হক মিলন ঝিনাইদহের জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট ফোন দিয়ে বাদ পড়ার কা রণ জানতে চাইলে তিনি স্থায়ী বসত ভিটা না থাকার কথা
উল্লেখ করেন।

পরে বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় এবং বিষয়টি স্থায়ী সমাধানের নির্দেশ দেন।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

অবশেষে প্রাথমিকের শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিলেন ঝিনাইদহের ‘ঠিকানাহীন’ মিশন আচার্য

Update Time : 10:26 pm, Tuesday, 6 October 2026

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে কাগজপত্র জমা দিয়ে শিক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছেন ঝিনাইদহের স্থায়ী ঠিকানাবিহীন মিশন আচার্য (৩১)।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে তিনি সব কাগজপত্র জমা দেন বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমজাদ হোসেন নিশ্চিত করেন।

ঝিনাইদহ শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কলাবাগান এলাকার বাসিন্দা মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করেছেন।

তার ও পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে কলাবাগানের নাম আছে।

কিন্তু সেখানে তাদের নিজেদের জমি বা বাড়ি না থাকায় তার নিয়োগ স্থগিত ছিল।

মো. আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সোমবার মিশন আচার্যের নিয়োগপত্র ইস্যু করা হয়। যোগদানের পর তাকে উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১১ অক্টোবর তাকে বিদ্যালয়ে পদায়ন করা হবে।’
মিশন আচার্য বলেন, ‘আমি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করে পরবর্তী নির্দেশ অনুযায়ী উপজেলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দিয়েছি।’

সরকারি প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এ অংশ নিয়ে মিশন আচার্য লিখিত ও ভাইভায় উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী ঠিকানা জটিলতায় নিয়োগবঞ্চিত ছিলেন।

মিশনের মা ময়না আচার্য বলেন, ‘আমাদের নিজেদের বাড়ি না থাকায় আমার ছেলের চাকরি আটকে যাচ্ছিল না বারবা র। এবার সবাই পাশে ছিল বলে শেষ পর্যন্ত তার নিয়োগটা হলো।”

উল্লেখ, গত ৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন এই মিশন আচার্যকে নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রীর দপ্তরে হাজির হন।

তখন শিক্ষামন্ত্রী ড. আনম এহসানুল হক মিলন ঝিনাইদহের জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট ফোন দিয়ে বাদ পড়ার কা রণ জানতে চাইলে তিনি স্থায়ী বসত ভিটা না থাকার কথা
উল্লেখ করেন।

পরে বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির কারণে হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় এবং বিষয়টি স্থায়ী সমাধানের নির্দেশ দেন।