Dhaka , Monday, 26 October 2026
সর্বশেষ:
মোহনপুরে সার ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ যবিপ্রবির অধ্যাপক ড.মোঃ জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ডায়াস্পোরা) হলেন ঝিনাইদহের তারেক রেজা ঝিনাইদহ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব হলেন সাকিব রানা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন: ২৭ অক্টোবর থেকে বহিরাগতদের অবস্থানে নিষেধাজ্ঞা ঝিকরগাছায় মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির পাল্টা অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চৌগাছায় শিক্ষকের ছেলে শাহিনুরের জানাজা সম্পন্ন চৌগাছায় ২৫ টি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান শৈলকুপায় প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট ঝিকরগাছা হাসপাতালের প্রধানের নির্দেশনা কর্ণপাত করে না ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা : রোগীরা ভোগান্তির শীর্ষে

যবিপ্রবির অধ্যাপক ড.মোঃ জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন

: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যানো ইউরিয়া উদ্ভা বনের পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযু ক্তি বিশ্ববি দ্যালয়ের (যবিপ্রবি ) গবেশক অধ্যাপক ড. মোঃ জাভেদ হোসেন খান।

গতকাল বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস তাঁর উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমোদন করেছে।

দেশের কৃষি খাতে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিকা শে এ অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ড. জাভেদ হোসেন খানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ন্যা নো ইউরিয়ার পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছিল।

তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আবেদনটির অনুমোদন পাওয়া যায়নি।

পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ’র সরাসরি দিকনির্দেশনা ও সহযো গিতায় পেটেন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। অবশেষে আজ এ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি পাওয়ায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

পেটেন্ট অনুমোদনের প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “২০২১ সালে আমরা বাংলাদেশ পেটেন্ট অফি সে আবেদন করেছিলাম। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর আজ পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছি।

এ অর্জনের পেছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উপদেষ্টা জনাব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর আন্তরিক সহ যোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ছে।

তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের কল্যাণ সাধন।

দেশের মাটি, দেশের কৃষি এবং কৃষকের স্বার্থকে সামনে রেখেই আমরা কাজ করছি। ন্যানো ইউরিয়া কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, সা রের অপচয় হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সঙ্গে পরিবেশের ওপর সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের চাপ কমাতেও এটি ভূমিকা রাখবে।”

পেটেন্ট পাওয়ায় উচ্ছাস প্রকাশ করে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন,”আমাদের বিশ্ববিদ্যা লয়ের কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খানের দীর্ঘ দিনের সাধনা ও গবেষণার ফসল এই ‘ন্যানো ইউরিয়া সার’-এর পেটেন্ট প্রাপ্তি যবিপ্রবি পরিবারসহ সমগ্র জাতির জন্য এক অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।

এই যুগান্তকারী উদ্ভাবন কেবল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সক্ষমতাই প্রমাণ করে না, বরং দেশের কৃষিখাতে এক বিরাট বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

প্রচলিত ইউরিয়া সারের তুলনায় অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এবং পরিবেশ বান্ধব উপায়ে সমান পুষ্টি নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই প্রযুক্তি আমাদের কৃষকদের উৎপাদন খরচ বহুগুণ কমিয়ে আনবে।

একই সাথে এটি সরকারের কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে এবং ইউরিয়া আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে অনন্য ভূমিকা পালন করবে।

আমরা বিশ্বাস করি, ড. জাভেদের এই সাফল্য আমাদের অন্যান্য গবেষক ও শিক্ষার্থী দের গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কাজে আরও বেশি অনুপ্রা ণিত করবে।

যবিপ্রবি সবসময় দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত এমন সৃজনশীল এবং বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাকে সর্বাত্মক সহযো গিতা দিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অ ব্যাহত রাখবে।

আমি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান কে এই ঐতি হাসিক অর্জনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।”

বাংলাদেশে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণার বিকাশে অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

২০১৩ সাল থেকে তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা লয়ে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত ন্যা নো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড মেটেরিয়া লস ইঞ্জিনিয়ারিং (ন্যাম) ল্যাবে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।

২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন।

সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমো দন উদ্ভাবনটির আরও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বাণি জ্যিক উৎপাদনের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা যাচাই এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠা নের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভাবনটি কৃষিক্ষে ত্রে প্রয়োগ করা গেলে সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং পরিবেশবা ন্ধব কৃষি প্রযুক্তির প্রসা রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশীয় গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পেটেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এখন উদ্ভাবন টির কার্যকর বাণিজ্যিকীকরণ, কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে প্রযুক্তিটি পৌঁছে দেওয়া এবং দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোই হবে পরবর্তী লক্ষ্য।

উদ্ভাবক পুনর্ব্যক্ত করেন যে এটি একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। এর সুরক্ষা এবং দেশ ও জাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি অবিচল ও দায়বদ্ধ।

About Author Information

Popular Post

মোহনপুরে সার ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

যবিপ্রবির অধ্যাপক ড.মোঃ জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট পেলেন

Update Time : One hour ago

: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ন্যানো ইউরিয়া উদ্ভা বনের পেটেন্ট অনুমোদন পেয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযু ক্তি বিশ্ববি দ্যালয়ের (যবিপ্রবি ) গবেশক অধ্যাপক ড. মোঃ জাভেদ হোসেন খান।

গতকাল বাংলাদেশ পেটেন্ট অফিস তাঁর উদ্ভাবিত ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমোদন করেছে।

দেশের কৃষি খাতে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির বিকা শে এ অর্জন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ড. জাভেদ হোসেন খানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ন্যা নো ইউরিয়ার পেটেন্টের জন্য আবেদন করা হয়েছিল।

তবে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও আবেদনটির অনুমোদন পাওয়া যায়নি।

পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ’র সরাসরি দিকনির্দেশনা ও সহযো গিতায় পেটেন্ট অনুমোদনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। অবশেষে আজ এ উদ্ভাবনের স্বীকৃতি পাওয়ায় দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হলো।

পেটেন্ট অনুমোদনের প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “২০২১ সালে আমরা বাংলাদেশ পেটেন্ট অফি সে আবেদন করেছিলাম। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর আজ পেটেন্টের অনুমোদন পেয়েছি।

এ অর্জনের পেছনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উপদেষ্টা জনাব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর আন্তরিক সহ যোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে ছে।

তাঁদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”তিনি আরও বলেন, “আমাদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের মূল লক্ষ্য হলো দেশের মানুষের কল্যাণ সাধন।

দেশের মাটি, দেশের কৃষি এবং কৃষকের স্বার্থকে সামনে রেখেই আমরা কাজ করছি। ন্যানো ইউরিয়া কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, সা রের অপচয় হ্রাস, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ফসলের ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

একই সঙ্গে পরিবেশের ওপর সারের অতিরিক্ত ব্যবহারের চাপ কমাতেও এটি ভূমিকা রাখবে।”

পেটেন্ট পাওয়ায় উচ্ছাস প্রকাশ করে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন,”আমাদের বিশ্ববিদ্যা লয়ের কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খানের দীর্ঘ দিনের সাধনা ও গবেষণার ফসল এই ‘ন্যানো ইউরিয়া সার’-এর পেটেন্ট প্রাপ্তি যবিপ্রবি পরিবারসহ সমগ্র জাতির জন্য এক অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।

এই যুগান্তকারী উদ্ভাবন কেবল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার সক্ষমতাই প্রমাণ করে না, বরং দেশের কৃষিখাতে এক বিরাট বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

প্রচলিত ইউরিয়া সারের তুলনায় অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যে এবং পরিবেশ বান্ধব উপায়ে সমান পুষ্টি নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই প্রযুক্তি আমাদের কৃষকদের উৎপাদন খরচ বহুগুণ কমিয়ে আনবে।

একই সাথে এটি সরকারের কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করতে এবং ইউরিয়া আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে অনন্য ভূমিকা পালন করবে।

আমরা বিশ্বাস করি, ড. জাভেদের এই সাফল্য আমাদের অন্যান্য গবেষক ও শিক্ষার্থী দের গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কাজে আরও বেশি অনুপ্রা ণিত করবে।

যবিপ্রবি সবসময় দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত এমন সৃজনশীল এবং বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণাকে সর্বাত্মক সহযো গিতা দিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও তা অ ব্যাহত রাখবে।

আমি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান কে এই ঐতি হাসিক অর্জনের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানাই এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করি।”

বাংলাদেশে ন্যানোটেকনোলজি গবেষণার বিকাশে অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।

২০১৩ সাল থেকে তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা লয়ে নিজস্ব গবেষণাগার পরিচালনা করছেন।

তাঁর প্রতিষ্ঠিত ন্যা নো-বায়ো অ্যান্ড অ্যাডভান্সড মেটেরিয়া লস ইঞ্জিনিয়ারিং (ন্যাম) ল্যাবে ন্যানোটেকনোলজি ও উন্নত উপকরণ নিয়ে গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে।

২০২৫ সালে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো নির্বাচিত হন।

সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, ন্যানো ইউরিয়ার পেটেন্ট অনুমো দন উদ্ভাবনটির আরও উন্নয়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং বাণি জ্যিক উৎপাদনের সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

যথাযথ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, মাঠপর্যায়ে কার্যকারিতা যাচাই এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠা নের সঙ্গে কার্যকর সহযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভাবনটি কৃষিক্ষে ত্রে প্রয়োগ করা গেলে সারের ব্যবহার দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষকের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস এবং পরিবেশবা ন্ধব কৃষি প্রযুক্তির প্রসা রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

দেশীয় গবেষণালব্ধ প্রযুক্তিকে বাস্তব প্রয়োগে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এ পেটেন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এখন উদ্ভাবন টির কার্যকর বাণিজ্যিকীকরণ, কৃষকের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে প্রযুক্তিটি পৌঁছে দেওয়া এবং দেশের কৃষি ও শিল্প খাতে এর সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোই হবে পরবর্তী লক্ষ্য।

উদ্ভাবক পুনর্ব্যক্ত করেন যে এটি একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। এর সুরক্ষা এবং দেশ ও জাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে এর ব্যবহার নিশ্চিত করতে তিনি অবিচল ও দায়বদ্ধ।