মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভায় ডিএপি সার বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সার ডিলার আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে।
কৃষকদের অভিযোগ, ডিএপি সার মজুত থাকা সত্ত্বেও ‘সার নেই’ বলে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
এতে প্রয়োজনীয় সার না পেয়ে হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কৃষকরা।কিন্ত্ত কৌশলে তার আত্মীয়-স্বজনের সার দেয়া
হ চ্ছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেশি টাকা দিলেই কৌশলে তা দের সার দেয়া হয়েছে।অথচ দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সিংহভাগ কৃষক সার না নিয়ে ফিরে গেছেন।
জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে কেশর হাট পৌরসভার মেসার্স আশা ট্রেডার্সে সার নিতে আসা কৃষ কদের ভিড় দেখা যায়।
এ সময় সার না পেয়ে অনেক কৃষ ককে ফিরে যেতে হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।কৃষকেরা বলছে,আজ সার না পে লে রাতের আঁধারে সার পাচার করে দিয়ে বলবে সার নাই শেষ হয়ে গেছে।কারণ এমন ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।
এদিকে সার মজুত থাকার পরেও কেনো কৃষকদের তাৎক্ষণি কভাবে দেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
কৃষকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কৃষকদের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সার মজুত, বিত রণ ও বরাদ্দের হিসাব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে কর ছেন স্থানীয়রা। সরকারি সার বিতরণে কোনো ধরনের অনি য়ম হয়ে থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
কৃষকদের প্রশ্ন, প্রয়োজনের সময় সার না পেয়ে তাঁদের বার বার ফিরে যেতে হলে কৃষি উৎপাদন কীভাবে স্বাভাবিক থাক বে ? এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের কার্য কর পদক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিলার আব্দুল আজিজ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সার ছিল, আগামীকা ল দেওয়া হবে। আজ ভিড়ের কারণে সবাইকে সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

আলিফ হোসেন, তানোর(রাজশাহী) 


















