Dhaka , Saturday, 31 October 2026
সর্বশেষ:
বিএসটিআই,ভোক্তা অধিকার ও টিসিবিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়ার প্রস্তাব,খাদ্যমন্ত্রীর মাগুরায় মাসুদ গাজী হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি গ্রেফতার ঝিকরগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজ বলেলেই মানুষ বুঝে ফেলেন কোন দলের কথা বলা হচ্ছে-এমপি আলী আজম ঝিনাইদহ কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে রাশেদ খাঁনের মতবিনিময় শালিখায় গ্রাম সমিতির সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সমিতির লিডারের বিরুদ্ধে ডুমুরিয়ায় গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০টাকা, শীতকালীন সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি চৌগাছায় নবাগত ওসি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করবেন গোপালগঞ্জে পাঁচ বাড়ি, দুই দোকান ও গোডাউনে হামলা-ভাঙচুর,লুটপাটের অভিযোগ বিজয়ের পর মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন ফয়সল আমিন

বিএসটিআই,ভোক্তা অধিকার ও টিসিবিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়ার প্রস্তাব,খাদ্যমন্ত্রীর

দেশে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রমের সমন্বয় বাড়ানো এবং বা জার ব্যবস্থাপনায় আরো গতিশীলতা আনতে বাংলাদেশ স্ট্যা ন্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই),জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ট্রেডিং
করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আশার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম।
​
গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ সকালে রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিল নায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, পুষ্টি কর ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্র ধান অগ্রাধিকার।
তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রমের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং টিসিবি এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাসমূহকে যদি এক ছাতার নিচে বা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা সম্ভব হয়, তবে কাজের বাস্তবায়ন ও মনিটরিং প্রক্রিয়া আর ও সহজ হবে।
এর ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্র ণ, অসাধু সিন্ডি কেট দমন এবং ন্যায্যমূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য পৌঁ ছে দেওয়ার কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
​বিশ্লেষকদের মতে- খাদ্যমন্ত্রীর দূরদর্শী উদ্যোগ ও মন্তব্য এবং
সরকারের এই যুগোপযোগী পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবা য়ন করা সম্ভব হলে সামগ্রিকভাবে খাদ্য বিভাগের কাজের পরিধি ও মূল্যায়ন আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এর মাধ্যমে খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা  ও কর্মচারীদের কর্মতৎ পরতা এবং দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হবে।
সর্বোপরি, জনবান্ধব এই তিন সংস্থাকে নিয়ে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও পরিকল্পনা শতভাগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
​
অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিধি, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তা এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত যৌথ উদ্যোগ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণ য়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত, খাদ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবনার বাস্ত বায়ন করা হলে খাদ্য বিভাগের কর্মপরিধি বাড়ার পাশাপাশি গতিশীল হবে কার্যক্রম।
এর সুফল ভোগ করবেন সাধারণ মানুষ। এর ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, অসাধু সিন্ডিকেট দমন এবং ন্যায্য মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা সম্ভব হবে।#
About Author Information

Popular Post

বিএসটিআই,ভোক্তা অধিকার ও টিসিবিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়ার প্রস্তাব,খাদ্যমন্ত্রীর

বিএসটিআই,ভোক্তা অধিকার ও টিসিবিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেয়ার প্রস্তাব,খাদ্যমন্ত্রীর

Update Time : 16 Hours Ago
দেশে খাদ্য বিভাগের কার্যক্রমের সমন্বয় বাড়ানো এবং বা জার ব্যবস্থাপনায় আরো গতিশীলতা আনতে বাংলাদেশ স্ট্যা ন্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই),জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং ট্রেডিং
করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আশার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন খাদ্য মন্ত্রী আফরোজা খানম।
​
গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ সকালে রাজধানী ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিল নায়তনে আয়োজিত এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ, পুষ্টি কর ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্র ধান অগ্রাধিকার।
তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রমের মধ্যে আরও কার্যকর সমন্বয় থাকা জরুরি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং টিসিবি এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাসমূহকে যদি এক ছাতার নিচে বা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনা সম্ভব হয়, তবে কাজের বাস্তবায়ন ও মনিটরিং প্রক্রিয়া আর ও সহজ হবে।
এর ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্র ণ, অসাধু সিন্ডি কেট দমন এবং ন্যায্যমূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য পৌঁ ছে দেওয়ার কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
​বিশ্লেষকদের মতে- খাদ্যমন্ত্রীর দূরদর্শী উদ্যোগ ও মন্তব্য এবং
সরকারের এই যুগোপযোগী পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবা য়ন করা সম্ভব হলে সামগ্রিকভাবে খাদ্য বিভাগের কাজের পরিধি ও মূল্যায়ন আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
এর মাধ্যমে খাদ্য বিভাগীয় কর্মকর্তা  ও কর্মচারীদের কর্মতৎ পরতা এবং দায়িত্বশীলতার স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হবে।
সর্বোপরি, জনবান্ধব এই তিন সংস্থাকে নিয়ে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও পরিকল্পনা শতভাগ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
​
অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিধি, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তা এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায় পর্যন্ত যৌথ উদ্যোগ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণ য়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত, খাদ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবনার বাস্ত বায়ন করা হলে খাদ্য বিভাগের কর্মপরিধি বাড়ার পাশাপাশি গতিশীল হবে কার্যক্রম।
এর সুফল ভোগ করবেন সাধারণ মানুষ। এর ফলে বাজারে খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, অসাধু সিন্ডিকেট দমন এবং ন্যায্য মূল্যে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম বহুগুণে জোরদার করা সম্ভব হবে।#