Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আঙুর চাষে সফলতা, বদলে গেছে সেলিমের জীবন চৌগাছার বাঘারদাঁড়ি গ্রামের কৃষকের দৃষ্টান্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : 03:10 pm, Wednesday, 10 June 2026
  • 69 Time View
জাহাঙ্গীর আলম, (যশোর)ঃ:
যশোরের চৌগাছা উপজেলার বাঘারদাঁড়ি গ্রামের কৃষক সেলিম পিতা আব্দুল মালেক, আঙুর চাষে সফলতা অর্জ ন করে এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
প্রচলিত কৃষির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিচর্যার মাধ্যমে তিনি বাণিজ্যিকভাবে আঙুর উৎপাদন করে অর্থ নৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে অল্প পরিসরে আঙুর চাষ শুরু করেন সেলিম। শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও নিজের পরিশ্রমে তিনি সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে তার বাগানে বিদেশি বিভিন্ন জাতের আঙুর উৎপাদিত হচ্ছে। ( বাইকুনুর, রেডগ্লোভ, গ্রীন লং, সহ ১৯ জাতের আঙ্গুর গাছ রয়েছে ) স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভালো দামও পাচ্ছেন তিনি।
সেলিম জানান, আঙুর চাষে অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় লাভ বেশি। সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই নিয় ন্ত্রণ করতে পারলে বছরে একাধিকবার ফলন পাওয়া সম্ভব। তার সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষকও আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, আগে এই অঞ্চলে আঙুর চাষের কথা খুব একটা শোনা যেত না। সেলিমের সফলতা প্রমাণ করেছে যে যশোরের চৌগাছার মাটিতেও বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ করা সম্ভব।
এতে নতুন কর্মসংস্থান ও কৃষিতে বৈচিত্র্য সৃষ্টি হচ্ছে। এছা ড়াও একই জমিতে পরীক্ষা মূলক তীন ফল ও এলাচ ফ লের চাষও করেছেন যা আশাব্যাঞ্জক ফুল  ফল হয়েছে।
যা চৌগাছা সহ বাংলাদেশের জন্য মাটি ও মানুষের জন্য এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।এটা স্থানী য় কৃষি বিভাগ মনে করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মুশাব্বির হোসেন জানান, আধুনিক ও লাভজনক কৃষি সম্প্রসারণে কৃষকদের আঙ্গুর চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আঙ্গুর যদিও বিদেশী ফল হিসাবে পরিচিত, তবে গত কয়েক বছর ধরে আমা দের দেশে আঙ্গুর চাষ হচ্ছে তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের চৌগাছাতেও বাইকুনুর, গ্রীন লং সহ আরো অনেক জাতে র আঙ্গুরের বাগান গড়ে উঠেছে এটি সম্প্রসারণযোগ্য এবং এই আঙ্গুর বাজারে চাহিদা রয়েছে, যেকোনো ধরনে র কারিগরি সহযোগিতার জন্য আমাদের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে রয়েছে।
সেলিমের মতো উদ্যোক্তারা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছেন।
প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত থাক লে এ অঞ্চলে আঙুর চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।
আঙুর চাষে সফল হয়ে সেলিম শুধু নিজের ভাগ্যই বদলা ননি, বরং এলাকার কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ ও দেখিয়েছেন।
তার এই উদ্যোগ বর্তমানে চৌগাছা উপ জেলায় কৃষি উদ্ভা বন ও উদ্যোক্তা সাফল্যের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবে চিত হচ্ছে।
সফল কৃষক সেলিম জানান, আঙুর চাষে আগ্রহী নতুন উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সহযোগিতা করতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।
যারা আঙুরের বাগান করতে ইচ্ছুক, তারা তার খামার থেকে উন্নত মানের আঙুরের চারা সংগ্রহ করতে পার বেন।
এছাড়া আঙুর চাষের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতাও প্রদান করা হবে। আগ্রহীরা বিস্তারিত তথ্যের জন্য ০১৭৫৮৮২৬০৬৯ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

আঙুর চাষে সফলতা, বদলে গেছে সেলিমের জীবন চৌগাছার বাঘারদাঁড়ি গ্রামের কৃষকের দৃষ্টান্ত

Update Time : 03:10 pm, Wednesday, 10 June 2026
জাহাঙ্গীর আলম, (যশোর)ঃ:
যশোরের চৌগাছা উপজেলার বাঘারদাঁড়ি গ্রামের কৃষক সেলিম পিতা আব্দুল মালেক, আঙুর চাষে সফলতা অর্জ ন করে এলাকায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
প্রচলিত কৃষির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিচর্যার মাধ্যমে তিনি বাণিজ্যিকভাবে আঙুর উৎপাদন করে অর্থ নৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে অল্প পরিসরে আঙুর চাষ শুরু করেন সেলিম। শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও নিজের পরিশ্রমে তিনি সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে তার বাগানে বিদেশি বিভিন্ন জাতের আঙুর উৎপাদিত হচ্ছে। ( বাইকুনুর, রেডগ্লোভ, গ্রীন লং, সহ ১৯ জাতের আঙ্গুর গাছ রয়েছে ) স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভালো দামও পাচ্ছেন তিনি।
সেলিম জানান, আঙুর চাষে অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় লাভ বেশি। সঠিক পরিচর্যা ও রোগবালাই নিয় ন্ত্রণ করতে পারলে বছরে একাধিকবার ফলন পাওয়া সম্ভব। তার সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষকও আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, আগে এই অঞ্চলে আঙুর চাষের কথা খুব একটা শোনা যেত না। সেলিমের সফলতা প্রমাণ করেছে যে যশোরের চৌগাছার মাটিতেও বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ করা সম্ভব।
এতে নতুন কর্মসংস্থান ও কৃষিতে বৈচিত্র্য সৃষ্টি হচ্ছে। এছা ড়াও একই জমিতে পরীক্ষা মূলক তীন ফল ও এলাচ ফ লের চাষও করেছেন যা আশাব্যাঞ্জক ফুল  ফল হয়েছে।
যা চৌগাছা সহ বাংলাদেশের জন্য মাটি ও মানুষের জন্য এক সম্ভাবনার দুয়ার উন্মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।এটা স্থানী য় কৃষি বিভাগ মনে করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা মুশাব্বির হোসেন জানান, আধুনিক ও লাভজনক কৃষি সম্প্রসারণে কৃষকদের আঙ্গুর চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আঙ্গুর যদিও বিদেশী ফল হিসাবে পরিচিত, তবে গত কয়েক বছর ধরে আমা দের দেশে আঙ্গুর চাষ হচ্ছে তার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের চৌগাছাতেও বাইকুনুর, গ্রীন লং সহ আরো অনেক জাতে র আঙ্গুরের বাগান গড়ে উঠেছে এটি সম্প্রসারণযোগ্য এবং এই আঙ্গুর বাজারে চাহিদা রয়েছে, যেকোনো ধরনে র কারিগরি সহযোগিতার জন্য আমাদের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সব সময় কৃষকের পাশে রয়েছে।
সেলিমের মতো উদ্যোক্তারা নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছেন।
প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত থাক লে এ অঞ্চলে আঙুর চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে।
আঙুর চাষে সফল হয়ে সেলিম শুধু নিজের ভাগ্যই বদলা ননি, বরং এলাকার কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ ও দেখিয়েছেন।
তার এই উদ্যোগ বর্তমানে চৌগাছা উপ জেলায় কৃষি উদ্ভা বন ও উদ্যোক্তা সাফল্যের উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে বিবে চিত হচ্ছে।
সফল কৃষক সেলিম জানান, আঙুর চাষে আগ্রহী নতুন উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সহযোগিতা করতে তিনি সবসময় প্রস্তুত।
যারা আঙুরের বাগান করতে ইচ্ছুক, তারা তার খামার থেকে উন্নত মানের আঙুরের চারা সংগ্রহ করতে পার বেন।
এছাড়া আঙুর চাষের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহযোগিতাও প্রদান করা হবে। আগ্রহীরা বিস্তারিত তথ্যের জন্য ০১৭৫৮৮২৬০৬৯ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।