Dhaka , Sunday, 18 October 2026
সর্বশেষ:
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই সনদের এক বছর পূর্তিতে এবি পার্টির মুক্ত আলোচনায় বক্তারা যা বললেন ধর্ম অবমাননার অভিযোগে মব সৃষ্টি করে পিটিয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী গ্রেপ্তার মোহনপুরে সার ডিলারদের গুদাম পরিদর্শন  মহেশপুরে ২০ লিটার চোলাই মদসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম,দলীয়করণ, দুর্নীতি, চ বিরুদ্ধে ঝিনাইদহ জামায়াতের মানববন্ধন অপরাধ করে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই- বিচার হবেই- সিও, এসআরবি-৬ এমপি আব্দুল মহিত তালুকদারের উদ্যোগ সান্তাহার স্টেডিয়ামকে আধুনিক মানের রুপান্তরিত হবে খাদ্য কর্মকর্তা যখন মাছ চোর !

খাদ্য কর্মকর্তা যখন মাছ চোর !

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী:
পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া চুরি করে মাছ ধরে বাড়ি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) কে এম মামুনুর রহমানের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার (১৬অক্টোবর) রাতে উপজেলা খাদ্যগুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ২০ কেজি মাছ নিলামে এক হাজার পাঁচশ’ টাকায় বিক্রি করে ছেন উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৭অক্টোবর) দুপুরে নিলামে মাছগুলো কিনে নেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ব্যতিত চুরি করে রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন ওই কর্মকর্তা।
পরে রাতে মাছগুলো ককসিটে করে বাড়ি নেওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ মাছগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখে।
স্থানীয়রা জানান,এই কর্মকর্তা এর আগেও এমন কাজ করেছে।
এছাড়া ধান-চাল সংগ্রহে তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ওই খাদ্য কর্মকর্তা প্রায়ই এভাবে পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন এবং কাউকে না জানিয়ে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিনভর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ।
এ জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি নেননি। পরে মাছগুলো নিজের বাড়ি পাবনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেটজাত করেন তিনি।
স্থানীয়রা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে এম মামুনুর রশিদকে আটকসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিলামে বিক্রি করা মাছের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
এবিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, উপজেলা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত তিনি কি মাছ ধরতে পারেন,তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসিফুড) সেলিম মাহমুদ সাগর বলেন, ঘটনা শুনেছি,তদন্ত কমিটি হয়েছে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।#

About Author Information

Popular Post

পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

খাদ্য কর্মকর্তা যখন মাছ চোর !

Update Time : 2 Hours Ago
নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী:
পিরোজপুর জেলার জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া চুরি করে মাছ ধরে বাড়ি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) কে এম মামুনুর রহমানের বিরুদ্ধে।
গত শুক্রবার (১৬অক্টোবর) রাতে উপজেলা খাদ্যগুদাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া প্রায় ২০ কেজি মাছ নিলামে এক হাজার পাঁচশ’ টাকায় বিক্রি করে ছেন উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৭অক্টোবর) দুপুরে নিলামে মাছগুলো কিনে নেন স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত শুক্রবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ব্যতিত চুরি করে রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন ওই কর্মকর্তা।
পরে রাতে মাছগুলো ককসিটে করে বাড়ি নেওয়ার সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ মাছগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখে।
স্থানীয়রা জানান,এই কর্মকর্তা এর আগেও এমন কাজ করেছে।
এছাড়া ধান-চাল সংগ্রহে তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
উপজেলা পরিষদের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ওই খাদ্য কর্মকর্তা প্রায়ই এভাবে পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন এবং কাউকে না জানিয়ে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিনভর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন খাদ্য কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রশিদ।
এ জন্য তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমতি নেননি। পরে মাছগুলো নিজের বাড়ি পাবনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য প্যাকেটজাত করেন তিনি।
স্থানীয়রা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে এম মামুনুর রশিদকে আটকসহ তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিলামে বিক্রি করা মাছের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
এবিষয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রক (টিসিএফ) কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, উপজেলা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত তিনি কি মাছ ধরতে পারেন,তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এবিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসিফুড) সেলিম মাহমুদ সাগর বলেন, ঘটনা শুনেছি,তদন্ত কমিটি হয়েছে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।#