Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চৌগাছার বন্দুকযুদ্ধের নামে ছাত্র শিবিরের দুই নেতা কে গুলির ঘটনার বিচার শুরু

ফারুক আহাম্মদ,চৌগাছা: আজ থেকে  যশোরের চৌগা ছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নামে ইসলামী ছাত্র শিবি রের দুই নেতা কে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরা ধের মামলায় তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হচ্ছে।

সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্র হণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন তিন আসামি। তারা হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকু ল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক।

পলাতক আসামিরা হলেন- তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজে দুল।

এর আগে, ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগ গঠনের সময় নিজে দের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন গ্রেপ্তার আসামিরা। পরে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজ  দিন ধার্য করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ।

আদালতে হাজির না করে তাদের টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্থ পুলি শ সদস্যদের মাধ্যমে দুজনের পায়ে গুলি করানো হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবি রের এই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে। শেষ পর্যন্ত তাদের পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

চৌগাছার বন্দুকযুদ্ধের নামে ছাত্র শিবিরের দুই নেতা কে গুলির ঘটনার বিচার শুরু

Update Time : 01:48 pm, Monday, 1 June 2026

ফারুক আহাম্মদ,চৌগাছা: আজ থেকে  যশোরের চৌগা ছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নামে ইসলামী ছাত্র শিবি রের দুই নেতা কে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরা ধের মামলায় তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হচ্ছে।

সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্র হণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এ মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন তিন আসামি। তারা হলেন- চৌগাছা থানার তৎকালীন এসআই আকিকু ল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক।

পলাতক আসামিরা হলেন- তৎকালীন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ওসি মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজে দুল।

এর আগে, ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগ গঠনের সময় নিজে দের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন গ্রেপ্তার আসামিরা। পরে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজ  দিন ধার্য করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ।

আদালতে হাজির না করে তাদের টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্থ পুলি শ সদস্যদের মাধ্যমে দুজনের পায়ে গুলি করানো হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবি রের এই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে। শেষ পর্যন্ত তাদের পা কেটে ফেলতে হয়েছে।