ফারুক আহাম্মেেদ,চৌগাছা( যশোর) প্রতিনিধিঃ
যশোরের চৌগাছার সেই বহুল আলোচিত কলেজ ছাত্রী আনিসার বিয়ের কাবিন বানিজ্যের কারীগর এর ঘটনা নিয়ে গ্রামীন আদালতে এক শালিশী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আনিসার বাড়ি উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের দুলালপুর গ্রামে। তার পিতার নাম আব্বাস আলী। মাতা গৃহিনী। তিনি পেশায় একজন কৃষক। আনিসা যশোর এম এম কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী।
অন্যদিকে আনিসার তালাক প্রাপ্ত প্রতারিত হওয়া স্বামী মেহেদীর বাড়ি চৌগাছার পেটভরা গ্রামে। তিনি যশোর এম এম কলেজ থেকে হিসা ব বিজ্ঞানে অনার্সসহ এম এ পাশ করে ব্যারাকের অফিসার পদে চাকুরী করছেন। দুই ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছোট। বোন ও ভগ্নিপতি উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকুরী করেন। তার পিতা-মাতা বৃদ্ধ অসহায়।
আনিসা তার স্বামীর সাথে প্রতারণা মূলক বিয়ে করে ১০/১৫ দিনের মধ্যে তার স্বামী মেহেদীকে তালাক দেয়। অবশেষে এ বিষয়টি নিয়ে আদালত পর্যন্ত গড়ায়।
আজ ৩ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টায় হাকিমপুর ইউনিয়ন পরিষদে এক (গ্রামীন আদালত) শালিশী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় স্থালিশী বৈঠকে উভয় পক্ষের অভিভাবক,স্থানীয় সাংবাদিকসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
এই শালিশী বৈঠকটি পরিচালনা করেন হাকিমপুর ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন। এ সময় তিনি উভয় পক্ষের কাছ থেকেে এবং উপস্থিত সকলেরব বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন।
একই সাথে তিনি উপস্থিত সকলকে আশ্বস্ত করেন আপনারা উভয় পক্ষ ন্যায় বিচার পানেন।
ওই বৈঠকে কাবিণনামা বানিজ্যের কারীগর আনিসার বক্ত ব্যের মাধ্যমে যেটা উঠে আসছে তার স্বামী মেহেদী কিসে চাকুরী করে সেটা তিনি গোপন করেছিলেন।
তিনি বিয়ের সময় বলেছিল ব্যারাক ব্যাংকে চাকুরী করে। কিন্তু তিমি ব্যারাকের ব্যাংকে নয়,ব্যারাকের অফিসার পদে চাকুরী করে।
এই কারনে আমি মেহেদীকে বিয়ের ১০ দিনের মধ্যেই তালা ক দিয়েছি।
স্ত্রী কর্তৃক নির্যাতিত ও প্রতারিত মেহেদী হাসান গ্রামীন আদালতকে বলেন,আমি আপনাদের কাছে ন্যায় বিচার চাই। আমার মত যেন আর কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বিয়ের সময় কোন তথ্যই আমি গোপন করিনি।
সুচতুর আনিসা বিয়ের দিন রাত থেকে আনার কাছ থেকে শুনছেন আমি মাসে কত বেতন পায়। আমার ব্যাংকে কত টাকা আ ছে। আমি বলেছি,আলহামদুলিল্লাহ আমি মাসে ৫০/৬০ হাজার টাকা বেতন পায়।
শুরু থেকে নানা অপ্রচার চালায় আমার বিরুদ্ধে সে এবং তার মা। আমি ও আমার পরিবার নগদ টাকা,সোনা গয়না সহ প্রায় ১০/১২ লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।এটা মহামান্য আদালতের মাধ্যমে ফেরত চাই।
উল্লেখ্য,যে এ বিষটি নিয়ে এলাকায় বেশ তোলপাড় হয়। এর আগেও বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট থানায় একটি শালিশী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এ ঘটনায় চৌগাছার সচেতন মহল মনে করছেন প্রতারণা মূলক বিয়ে করে কাবিণনামা বানিজ্যে এখনি বন্ধ বা প্রতি কার হওয়া জরুরী।
এ ধরনের প্রতারণাকারী মেয়েদের শাস্তি না হলে আগামীতে চৌগাছায় প্রতারণা মূলক বিবাহের সংখ্যা আরও বাড়বে। সম্মানী মানুষের আরও সম্মান নষ্ট হবে।
এ জন্য সকলকে সজাক থাকতে হবে। এ উপজেলায় এর আগে সাবেক থানায় ওসি পায়েলসহ দুইজন শিক্ষক হ্যানী ট্যাপের কবলে পড়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
সেই সাথে বর্তমান সরকারের কাছে পুরুষ নির্যাতন আইন জরুরী ভাবে প্রতিষ্ঠার জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।

Reporter Name 



















