রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এদিকে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যে প্র ণোদিত দাবি করে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে প্রকাশিত সংবাদ নি য়ে জনমনে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয়রা বলছে,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
এমনকি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাস্তব বিবর্জিত সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন।
এসব অপপ্রচারের কারণে উন্নয়ন বরাদ্দ হ্রাস ও এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, পৌরসভার সচিব মতলেবুর রহমান ও প্রকৌশলী হাসানকে ঘিরে গড়ে উঠেছে প্রভাবশালী বলয়।
দীর্ঘদিন ধরে সচিব মতলেবুর রহমান পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রমে একক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন।
তাঁর সঙ্গে প্রকৌশলী হাসানের যোগসাজশে পৌরসভার উন্নয় ন প্রকল্পের কাজের পরিমাপ বিল প্রস্তুত ঠিকাদারি কার্যক্রম ও অর্থ উত্তোলনের প্রক্রিয়া নিয়ে চলছে নানা অনিয়ম।
যা সম্পুর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মানহানিকর। পৌরসভার দায়িত্বশীল দুজন কর্মকর্তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে এমন বাস্তব বিবর্জিত ও মানহানিকর অপপ্রচার করা হচ্ছে।
কারণ তাহেরপুর পৌরসভায় এমন বলয়ের কোনো অস্থিত্ব নাই,এটা সম্পুর্ন বাস্তব বিবর্জিত ও অপপ্রচার।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে,২০২৪ সালের কো ভিড-১৯ প্রকল্পের প্রায় দেড় কোটি টাকার বরাদ্দ ঘিরে সামনে এসেছে নানা অভিযোগ।
প্রকল্পের বাস্তব কাজের সঙ্গে কাগজে-কলমে দেখানো অগ্রগ তির বড় ধরনের অসংগতি রয়েছে, ৫০ শতাংশ সম্পন্ন দেখি য়ে প্রায় ৮০ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
এটাও মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বাস্তব বিবর্জিত। কারণ ইতিমধ্যে এসব কাজের অডিট হয়েছে,কোনো অনিয়ম হলে অডিটে অবশ্যই ধরা পড়তো।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, প্রকল্পের অনিয়ম লুট পাট ধামাচাপা দিতে সচিব মতলেবুর রহমান ও প্রকৌ শলী হাসান দফায় দফায় প্রকল্প পরিচালকের (পিডি) কার্যালয়ে যাতায়াত করেছেন।
এটাও ডাহা মিথ্যা, বানোয়াট,অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্র ণোদিত।কারণ কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন কর তে গেলে প্রকল্প পরিচালকের(পিডি) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগা যোগ রাখতে হয়,এখানে ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার কিছু নাই।
এদিকে তাহেরপুর পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না।
কাজেই প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত কোনো কাজ করার ক্ষম তা নাই সচিব-প্রকৌশলীর।তাহলে তারা অনিয়ম-দুর্নীতি বা অর্থ লোপাট করলেন কিভাবে ?
শুধুমাত্র তাদের সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তাদে র জড়িয়ে বাস্তব বিবর্জিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে নাম না করার শর্তে একাধিক (সাবেক) কাউন্সলর বলেন,একটি গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এসব অপপ্রচার করছে।
তারা বোঝে না তাদের এসব অপপ্রচারের কারণে এলাকার উন্নয়ন বরাদ্দ হ্রাস ও বাধাগ্রস্ত হবার ঝুঁকি রয়েছে।#

নিজস্ব প্রতিবেদক,রাজশাহী: 


















