Dhaka , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দীর্ঘ দুই যুগেও নির্মাণ হয়নি পুঠিয়া পৌরসভার ভবন

oppo_0

স্টাফ রিপোর্টার, পুঠিয়া (রাজশাহী): দীর্ঘ দুই যগেও নির্মা ণ হয়নি পুঠিয়া পৌরসভার নিজস্ব ভবন।

২০০১ সালে রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা গঠিত হলেও সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলার জটিলতার কারণে
দীর্ঘদিন প্রশাসক দিয়ে এই পৌরসভার কার্যক্রম পরিচা লিত করা হয়।

পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালে প্রথবা রের মতো পৌরভাটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচন হয়ম২০২০ সালে। ২০০৭ সালে ভবন নির্মাণের জন্য ৮৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
নানা জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে সেই ভবন আজওনির্মিত হয়নি। ফলে ভাড়া করা ভবনে সঙ্কীর্ণ পরিসরে পৌরসভার দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। পুঠিয়া পৌরসভার কাঙ্খিত নাগরিক সুবিধা না পাওয়ার পিছনে নিজস্ব ভবন না থাকা এর অন্যতম কারণ।

বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি)শিবু দাশ পৌরসভার প্রাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুুঠিয়া পৌরসভার কর্ম কর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা পরিশোধ করলেও বিভিন্ন দায়দেনা নিয়ে চলছে পুঠিয়া পৌরসভার কার্যক্রম।

পৌরভবন নির্মাণের টাকার দুই মেয়র তসরুপ করেছেন বলে পুঠিয়া পৌরসভার নাম না প্রকাশ করা শর্তে এক
কর্মচারী জানান। পৌরসভার সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে পৌরভবন নির্মাণের জন্য রয়েছে ১৬ লক্ষ টাকা।

যা পৌর ভবন নির্মাণের জন্য অপ্রতল। জেলার বেশি রভাগ পৌর ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উপজেলার সদর
বা ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায়। দেশের পৌরভবন নির্মানের জন্য ভূমি নির্বাচন স্থানীয় সরকার (পৌরভার) আইন, ২০০৯ এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে করা হয়।

পৌরভার ভূমি নির্বাচন সরকারি খাস, অধিগ্রহনযোগ্য অথবা পৌরসভার নিজস্ব ক্রয়কৃত জমি হতে হবে।

পুঠিয়া পৌরসভার সদরে বেশ কিছু খাস জমি রয়েছে যা অধিগ্রহন করে পৌরসভার ভবন নির্মাণ করা সম্ভব বলে একাধিক পৌরসভার

নাগরিকগণের জানিয়েছেন। পুঠিয়া পৌরসভার ৮নং কাঁঠালবাড়িয়াওয়ার্ডের বাসিন্দা রহিদুল ইসলাম জানান, পুঠিয়া পৌরসভার ভবন এখনওকেন নির্মাণ হয়নি তা আমরা বুঝতে পারিনা।

পৌরভবন নির্মানেরটাকা পুঠিয়া মেয়রেরা তাদের ব্যব সায়িক কাজে লাগিছেন বলেই পৌরভবন নির্মাণ হচ্ছে না। এ বিষয়ে পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস জানান, পৌরভবন নির্মাণের যেপরিমান জমি দরকার তা আমার পৌর সদরের পাচ্ছি না।

তবে পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন কাউন্সিলের জায়গার পৌর ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে পুঠিয়া পৌ রসভার ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে বলে এ কর্মকর্তা জানান। #

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

দীর্ঘ দুই যুগেও নির্মাণ হয়নি পুঠিয়া পৌরসভার ভবন

Update Time : 08:27 am, Monday, 6 July 2026

স্টাফ রিপোর্টার, পুঠিয়া (রাজশাহী): দীর্ঘ দুই যগেও নির্মা ণ হয়নি পুঠিয়া পৌরসভার নিজস্ব ভবন।

২০০১ সালে রাজশাহীর পুঠিয়া পৌরসভা গঠিত হলেও সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত মামলার জটিলতার কারণে
দীর্ঘদিন প্রশাসক দিয়ে এই পৌরসভার কার্যক্রম পরিচা লিত করা হয়।

পরবর্তীতে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালে প্রথবা রের মতো পৌরভাটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

দ্বিতীয়বারের মত নির্বাচন হয়ম২০২০ সালে। ২০০৭ সালে ভবন নির্মাণের জন্য ৮৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
নানা জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে সেই ভবন আজওনির্মিত হয়নি। ফলে ভাড়া করা ভবনে সঙ্কীর্ণ পরিসরে পৌরসভার দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালিত হচ্ছে। পুঠিয়া পৌরসভার কাঙ্খিত নাগরিক সুবিধা না পাওয়ার পিছনে নিজস্ব ভবন না থাকা এর অন্যতম কারণ।

বর্তমানে পুঠিয়া উপজেলা ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি)শিবু দাশ পৌরসভার প্রাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পুুঠিয়া পৌরসভার কর্ম কর্তা কর্মচারিদের বেতন ভাতা পরিশোধ করলেও বিভিন্ন দায়দেনা নিয়ে চলছে পুঠিয়া পৌরসভার কার্যক্রম।

পৌরভবন নির্মাণের টাকার দুই মেয়র তসরুপ করেছেন বলে পুঠিয়া পৌরসভার নাম না প্রকাশ করা শর্তে এক
কর্মচারী জানান। পৌরসভার সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে পৌরভবন নির্মাণের জন্য রয়েছে ১৬ লক্ষ টাকা।

যা পৌর ভবন নির্মাণের জন্য অপ্রতল। জেলার বেশি রভাগ পৌর ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উপজেলার সদর
বা ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায়। দেশের পৌরভবন নির্মানের জন্য ভূমি নির্বাচন স্থানীয় সরকার (পৌরভার) আইন, ২০০৯ এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করে করা হয়।

পৌরভার ভূমি নির্বাচন সরকারি খাস, অধিগ্রহনযোগ্য অথবা পৌরসভার নিজস্ব ক্রয়কৃত জমি হতে হবে।

পুঠিয়া পৌরসভার সদরে বেশ কিছু খাস জমি রয়েছে যা অধিগ্রহন করে পৌরসভার ভবন নির্মাণ করা সম্ভব বলে একাধিক পৌরসভার

নাগরিকগণের জানিয়েছেন। পুঠিয়া পৌরসভার ৮নং কাঁঠালবাড়িয়াওয়ার্ডের বাসিন্দা রহিদুল ইসলাম জানান, পুঠিয়া পৌরসভার ভবন এখনওকেন নির্মাণ হয়নি তা আমরা বুঝতে পারিনা।

পৌরভবন নির্মানেরটাকা পুঠিয়া মেয়রেরা তাদের ব্যব সায়িক কাজে লাগিছেন বলেই পৌরভবন নির্মাণ হচ্ছে না। এ বিষয়ে পুঠিয়া পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবু দাস জানান, পৌরভবন নির্মাণের যেপরিমান জমি দরকার তা আমার পৌর সদরের পাচ্ছি না।

তবে পুঠিয়া সদর ইউনিয়ন কাউন্সিলের জায়গার পৌর ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেলে পুঠিয়া পৌ রসভার ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা যাবে বলে এ কর্মকর্তা জানান। #