Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রতারণার দায়ে ঝিনাইদহের এক প্রধান শিক্ষককে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:23 pm, Wednesday, 19 November 2025
  • 26 Time View

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
জাল সনদে চাকরি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতা রণার দায়ে ঝিনাইদহে এক প্রধান শিক্ষককে ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদন্ড করেছে ঝিনাইদহের একটি বিচারিক আদালত।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতের বিচারক মোঃ মাসুদ আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম রণি আক্তার। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষ ক ছিলেন এবং একই উপজেলার দুর্গাপুর নারায়ন পুর পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে।

২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার, রণি আক্তারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদ দিয়ে চাকরী করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্য প্রমান শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করেন। সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. এ এস এম রাকিবুল হাসান ও আসামী পক্ষে এ্যাড.তারিকুল ইসলাম মামলাটি পরিচাল না করেন।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, আসামী রণি আক্তার গোয়া লপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছি লেন।

তিনি জাল জালিয়াতী চক্রের সদস্য হওয়ায় তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজন করে তাহা সঠিক বলে বিদ্যালয়ে চাকরি করে আ সছিলেন। চাকরী করার সুবাদে তিনি নিয়োগ বানি জ্যসহ স্কুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর আসামী রণি আক্তার তার সরকারী বেতন ভাতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দাখিল করেন।

আসামীর দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদসহ অন্যান্য কাগজ পত্র যাছাই বাছাই অন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃক পক্ষ ভুয়া ও জাল বলে প্রমানিত হয় এবং তার সরকারী বেতন ভাতা বাতিল করে।

আসামী উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় শিক্ষা প্রতি ষ্ঠানের আয়কৃত টাকা ও কাগজপত্র বুঝিয়ে না দিয়ে ২০ ২৪ সালের ৯ আগষ্ট বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামী রণি আক্তার উপস্থিত ছিলেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

প্রতারণার দায়ে ঝিনাইদহের এক প্রধান শিক্ষককে সাত বছরের সশ্রম কারাদন্ড

Update Time : 01:23 pm, Wednesday, 19 November 2025

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
জাল সনদে চাকরি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতা রণার দায়ে ঝিনাইদহে এক প্রধান শিক্ষককে ৭ বছর সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদন্ড করেছে ঝিনাইদহের একটি বিচারিক আদালত।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতের বিচারক মোঃ মাসুদ আলী এই রায় ঘোষণা করেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম রণি আক্তার। তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষ ক ছিলেন এবং একই উপজেলার দুর্গাপুর নারায়ন পুর পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে।

২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার, রণি আক্তারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদ দিয়ে চাকরী করার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্য প্রমান শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হওয়ায় এই রায় প্রদান করেন। সরকার পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. এ এস এম রাকিবুল হাসান ও আসামী পক্ষে এ্যাড.তারিকুল ইসলাম মামলাটি পরিচাল না করেন।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, আসামী রণি আক্তার গোয়া লপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছি লেন।

তিনি জাল জালিয়াতী চক্রের সদস্য হওয়ায় তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্র জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজন করে তাহা সঠিক বলে বিদ্যালয়ে চাকরি করে আ সছিলেন। চাকরী করার সুবাদে তিনি নিয়োগ বানি জ্যসহ স্কুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর আসামী রণি আক্তার তার সরকারী বেতন ভাতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দাখিল করেন।

আসামীর দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদসহ অন্যান্য কাগজ পত্র যাছাই বাছাই অন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃক পক্ষ ভুয়া ও জাল বলে প্রমানিত হয় এবং তার সরকারী বেতন ভাতা বাতিল করে।

আসামী উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকা অবস্থায় শিক্ষা প্রতি ষ্ঠানের আয়কৃত টাকা ও কাগজপত্র বুঝিয়ে না দিয়ে ২০ ২৪ সালের ৯ আগষ্ট বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামী রণি আক্তার উপস্থিত ছিলেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।