Dhaka , Monday, 9 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে নৌপরিবহন মন্ত্রী

oplus_0

আজ বুধবার দুপুরে কাউকে না জানিয়ে  হঠাৎ করেই মন্ত্রী বেনা পোল বন্দরে আসেন। পরে বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মি নাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, স্ক্যানিং কার্যক্রম ও বিভিন্ন পণ্যা গার পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বেনাপোল বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, পণ্য স্ক্যানিং কার্যক্রম ও বিভিন্ন পণ্যাগার পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বন্দরের অবকাঠামোগত অবস্থা, আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওঠানামা, পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া এবং বন্দ রের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন।

বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সঙ্গে ভারতের স্থলপথে আম দানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য দুই দেশের মধ্যে আম দানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। ফলে বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য খালাসের গতি, ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনা ও সড়ক যোগাযোগের ওপর ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি অনেকটাই নির্ভরশীল। মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে এসব কার্যক্রমের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে তুলে ধরা হয়।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাল ন করছে।

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসা রণের ক্ষেত্রে এ বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই বন্দরের বাণিজ্যিক সুবিধা আরও বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বন্দরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনি ক করতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দরের পণ্য ওঠানামা ও খালাস কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা ও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বন্দরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খুব দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে বন্দরের বিভিন্ন অংশে পণ্য পরিবহন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে যে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, তা কমা তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বন্দরের কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে বন্দ রের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বন্দরের সেবা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মূলক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধা নিশ্চি ত করার পাশাপাশি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম যত দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, দুই দেশে র বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও দেশের অর্থনীতিতেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিদর্শনের উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দরের চেয়া রম্যান মানজারুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার , সৈয়দ রফি কুল ইসলাম ,বেনাপোল স্থল বন্দর উপ-পরিচালক (ট্রাফি ক), রুহুল আমীন, সিন্ডএফ এজেন্টের সাবেক সভাপতি, মফিজুর রহমান সজন, (৯২৫) শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ,শহিদ আলীসহ অন্যণ্যে ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন ৷তারা মন্ত্রীকে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শনে নৌপরিবহন মন্ত্রী

Update Time : 06:37 pm, Wednesday, 30 September 2026
আজ বুধবার দুপুরে কাউকে না জানিয়ে  হঠাৎ করেই মন্ত্রী বেনা পোল বন্দরে আসেন। পরে বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মি নাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, স্ক্যানিং কার্যক্রম ও বিভিন্ন পণ্যা গার পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বেনাপোল বন্দরের কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল, ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ড, পণ্য স্ক্যানিং কার্যক্রম ও বিভিন্ন পণ্যাগার পরিদর্শন করেন।

এ সময় তিনি বন্দরের অবকাঠামোগত অবস্থা, আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ওঠানামা, পণ্য খালাসের প্রক্রিয়া এবং বন্দ রের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত খোঁজ নেন।

বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সঙ্গে ভারতের স্থলপথে আম দানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার। প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য দুই দেশের মধ্যে আম দানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। ফলে বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য খালাসের গতি, ইয়ার্ড ব্যবস্থাপনা ও সড়ক যোগাযোগের ওপর ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি অনেকটাই নির্ভরশীল। মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে এসব কার্যক্রমের বাস্তব পরিস্থিতি সরেজমিনে তুলে ধরা হয়।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পাল ন করছে।

ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসা রণের ক্ষেত্রে এ বন্দরের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই বন্দরের বাণিজ্যিক সুবিধা আরও বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বন্দরের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও আধুনি ক করতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বন্দরের পণ্য ওঠানামা ও খালাস কার্যক্রমে আরও শৃঙ্খলা ও গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বেনাপোল বন্দরের অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বন্দরের জলাবদ্ধতা নিরসনে খুব দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির পানি জমে বন্দরের বিভিন্ন অংশে পণ্য পরিবহন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে যে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, তা কমা তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বন্দরের কার্যক্রমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে নৌ পরিবহন মন্ত্রী বলেন, অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করে বন্দ রের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বন্দরের সেবা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহি মূলক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধা নিশ্চি ত করার পাশাপাশি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন।

বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম যত দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে, দুই দেশে র বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও দেশের অর্থনীতিতেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিদর্শনের উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দরের চেয়া রম্যান মানজারুল মান্নান, জেলা পুলিশ সুপার , সৈয়দ রফি কুল ইসলাম ,বেনাপোল স্থল বন্দর উপ-পরিচালক (ট্রাফি ক), রুহুল আমীন, সিন্ডএফ এজেন্টের সাবেক সভাপতি, মফিজুর রহমান সজন, (৯২৫) শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ,শহিদ আলীসহ অন্যণ্যে ব্যক্তিবর্গ উপস্তিত ছিলেন ৷তারা মন্ত্রীকে বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।