ডেস্ক নিউজ: এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে রাজধানীর শাহবাগ থানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাস এলাকায় গত রাতের সহিংসতা, হুমকি ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
নেতৃদ্বয় বলেন, একটি এআই-জেনারেটেড ও সম্পাদিত (এডিটেড) স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে যে সহিংস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক।
একটি ভুয়া ফটোকার্ডকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি দেওয়া, তার আবাসিক কক্ষে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করা এবং পরবর্তীতে শাহবাগ থানায় ভুক্তভোগীর জিডি কে কেন্দ্র করে ‘মব’ করা,এসব কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিন্দনীয়।
তারা উল্লেখ করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহ মুদ স্বেচ্ছায় আইনি আশ্রয় নিতে শাহবাগ থানায় গেলে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হলেও তার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) গ্রহণ করা হয়নি; বরং হয়রানির করা হয়েছে।
এটি নাগরিক অধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরিস্থিতি দেখার জন্য থানায় গেলে ঢাবি ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের ও এবিএম মোসা দ্দেকের উপর হামলা করা হয়।
থানার ভেতরে ‘মব’ তৈরি করে এই হামলা সংঘটিত হওয়া রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য গুরুতর হুমকি। অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু সরকারকে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।
এবি পার্টির নেতারা বলেন, ইতোমধ্যে ফ্যাক্ট-চেকিংয়ে দাবি করেছে যে সংশ্লিষ্ট ফটোকার্ডটি ভুয়া। সেক্ষেত্রে ভুক্তভোগীর থানায় জিডি করার অধিকার ছিল। কিন্তু একটি গুজবকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নেতৃবৃন্দ আরোও বলেন, শাহবাগ থানার ভেতরে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি গণমাধ্যমের প্রতিবেদক হামলার শিকার হয়েছেন।
তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদ স্য। সমিতি এই ঘটনাকে ‘মব হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে এর জন্য ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেছে।
হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিসহ তিন দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সমিতির তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
এর আগের দিন বুধবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে কয়ে কজন সাংবাদিককে হেনস্থা ও হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
মঞ্জু ও ফুয়াদ আরও বলেন, যদি ছাত্ররাজনীতি গুজ বনির্ভর ও সহিংসতার পথে পরিচালিত হয়, তবে তা শুধু শিক্ষাঙ্গন নয়,পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক পরিবেশকে বিনষ্ট করবে এবং সমাজে অস্থিতিশীলতা বাড়াবে।গুজব, সহিংসতা ও মব-সংস্কৃতি যদি প্রশ্রয় পায়, তবে আমরা নিজেরাই অগ ণতান্ত্রিক শক্তির পুনরুত্থানের পথ তৈরি করছি বলে প্রতী য়মান হবে।
এবি পার্টির নেতৃবৃন্দ সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলে ন, ১. ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
২. ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও আহত দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৩. থানার ভেতরে সংঘটিত হামলার নিরপে ক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
৪. সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রে প্তার করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

Reporter Name 
























