আলিফ হোসেন,তানোরঃ রাজশাহীর তানোরের বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে মধু মাসের রসালো ফললিচু।
গ্রীষ্মের প্রখর গরমে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এই ফলের দেখা মিলছে।
ভালো মুনাফা পাওয়ার আশায় ব্যবসায়ীরা বাজারে নিয়ে এসেছেন দেশীয় জাতের আগাম লিচু। তবে রাজশাহী বা দিনাজপুরের পরিপুষ্ট লিচু এখনো সেভাবে আসতে শুরু করেনি।
যে গুলো এসেছে সেগুলো অপরিপক্ক ও আকারে ছোট গুটি লিচু। ব্যবসায়ীরা বলছেন, তীব্র দাবদাহে লিচু ঝরে গেছে। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়ে পরিপক্ক হওয়ার আগেই লিচু বিক্রি করে দিচ্ছেন বাগান মালিকেরা।
ফলে লিচুর আসল স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ভোক্তারা। তবে দামও অনেক চড়া উপজেলার গোল্লাপাড়া বাজার, কালীগঞ্জহাট, মুন্ডুমালা হাটসহ বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে এ সব দেশীয় জাতের লিচু আকারে ছোট এসব অপরিপক্ক লিচু। কিছুটা টক হলেও প্রতি একশ লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকা’ থেকে তিনশ’ টাকায়।
তবে রাজশাহী ও দিনাজপুরের লিচু না আসায় ক্রেতাদের তেমন একটা ভিড় চোখে পড়ছে না। আর কিছু দিনের মধ্যে বাজারে পরিপুষ্ট লিচু আসলে ভোক্তাদের মন জুড়া বে।
তখন চাহিদা ও বিক্রিও বেড়ে যাবে। লিচুর গুণগত মান ধরে রাখার জন্য আরও কয়েকদিন পর লিচু বাজারজাত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
অপরিপক্ব লিচু খেলে ভোক্তারা লিচুর পুষ্টিমাণ পাবেন না। লিচুর স্বাদ থেকেও বঞ্চিত হবেন এদিকে চলতি মৌসুমে দেশি লিচু অনাবৃষ্টি ও প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে কালচে হয়ে ফে টে যাচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহ ও অনাবৃষ্টির কারণে এ বছর প্রতিটি লিচু গাছের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ ভাগ গুঁটি ঝরে গেছে। যার ফলে ফলনও কম হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়,, সুমিষ্ট ও রসালো লিচুর জন্য ২৮ থে কে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চাষাবাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।সম্প্রতি তাপমাত্রা ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে।
অনাবৃষ্টির কারণে গুটি ঝরে গেছে এবং লিচুর আকার ছোট হয়েছে। তবে আকারে ছোট হলেও প্রখর রোদের কারণে সুমিষ্ট হয়েছে লিচুসহ অন্যান্য ফল। রোদ যত বেশি হবে ততই ফল মিষ্টি হবে।
তবে বাজারে অপরিপক্ব লিচু দেখা যাচ্ছে। কয়েক দিন পর থেকে বাজারে ভালো জাতের লিচু পাওয়া যাবে।
উপজেলার লিচু ব্যবসায়ী আশরাফ আলী জানান, বাজা রে রাজশাহী, পাবনার ও দিনাজপুরের আগাম লিচু আস তে শুরু করবে আর কয়েক দিন পর।
বর্তমানে দেশীয় জাতের ১০০ পিচ লিচু ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে রাজশাহী, পাবনা ও দিনাজপুরের পরিপুষ্ট রসালো লিচু পাওয়াযাবে।
সাধারণত দিনাজপুরের লিচু স্বাদে ও মানে আলাদা। সারা দেশেই এ লিচুর চাহিদা বেশি।
বিভিন্ন জাতের লিচুর মধ্যে বেদানা, বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায় না-থ্রি এখানো বাজারে আসেনি। অধিকাংশ ক্রেতাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে চায়না থ্রি।
লিচু কিনতে আসা চিমনা গ্রামের বাসিন্দা আনারুল ইস লাম জানান, পছন্দের লিচু এখনও বাজারে আসেনি।
ছেলে-মেয়েরা লিচু অনেক পছন্দ করে তাই কিনতে এসে ছি। কিন্তু এসে দেখি আকারে ছোট এবং আধাপাকা লিচু। স্বাদ কম দামও বেশ চড়া।#

Reporter Name 



















