Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এবার আ:লীগের নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারবে না

ডেস্ক নিউজ:নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের ১টি নতুন প্রস্তাবের কারণে জাতীয় সংসদের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রার্থী হতে পারছে না ।

নিষিদ্ধ ঘোষিত বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজ নৈতিক দল বা সংগঠনের নেতাকর্মীরা যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচন আচরণ বিধি মালায় নতুন বিধি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন বিধি অনুযায়ী,স্থানীয় সরকারের যেকো নো নির্বাচনে অংশ নিতে হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি বিশেষ অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হবে।

ইসির তৈরি করা এই অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ থাকবে যে প্রার্থীর নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজ নৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই অঙ্গীকারনামায় কোনো প্রার্থী ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে ইসির হাতে।

যেহেতু সন্ত্রাস বিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামীলী গের কার্যক্রম ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই এই নতুন বিধি কার্যকর হলে দলটির কোনো পদধারী নেতা বা কর্মী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

সম্প্রতি নতুন বিধিমালার খসড়া তৈরি করেছেন ইসির কর্মকর্তারা। ঈদের ছুটি শুরুর আগে শেষ কর্মদিবস ২৪ মে ওই খসড়ার কপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চার কমিশনারকে দেওয়া হয়েছে।

শিগগিরই এই খসড়া নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনাররা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ইউনিয়ন পরিষদের আচরণ বিধিমালার খসড়া ‘অনেকটা মডেল’ হিসেবে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ বিধিমালায় যেসব সংশোধনী আনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন একমত হবে, সেই সংশোধনীগুলো সিটি করপো রেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ধরন অনুযায়ী আচরণ বিধিমালায় যতটা সম্ভব সংযোজ ন বা বিয়োজন করা হবে।

তারা আরও জানান, নির্বাচন কমিশনের আইন সংস্কার কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিচালনা বিধিমালা এবং আচরণ বিধিমালার সংশোধনী নিয়ে আ লাচনা হয়।

ওই বৈঠকের পর এসব খসড়া তৈরি করা হয়। ওইসব খসড়া সংশোধনীর ওপর নির্বাচন কমিশনাররা মতামত দিলে এতে আবারও সংশোধনী আসতে পারে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো.আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকার নামা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হবে।

আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে এ বিধি যুক্ত হচ্ছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো দল বা সংগঠ নকে সামনে রেখে এটা করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশে কয়েকটা দল নিষিদ্ধ আছে। দেশে বিদ্যমান অন্যান্য আইন বিবেচনায় নিয়ে এটা করা হচ্ছে। কোনো দলকে টার্গেট করে নয়।

 

About Author Information

Popular Post

স্বাস্থ্য উন্নয়নকেন্দ্রিক হবে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার

এবার আ:লীগের নেতাকর্মীরা স্থানীয় নির্বাচনেও প্রার্থী হতে পারবে না

Update Time : 03:09 pm, Monday, 1 June 2026

ডেস্ক নিউজ:নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের ১টি নতুন প্রস্তাবের কারণে জাতীয় সংসদের পর এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা প্রার্থী হতে পারছে না ।

নিষিদ্ধ ঘোষিত বা কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো রাজ নৈতিক দল বা সংগঠনের নেতাকর্মীরা যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন, সেজন্য নির্বাচন আচরণ বিধি মালায় নতুন বিধি যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত নতুন বিধি অনুযায়ী,স্থানীয় সরকারের যেকো নো নির্বাচনে অংশ নিতে হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একটি বিশেষ অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করতে হবে।

ইসির তৈরি করা এই অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ থাকবে যে প্রার্থীর নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন কোনো রাজ নৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এই অঙ্গীকারনামায় কোনো প্রার্থী ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে ইসির হাতে।

যেহেতু সন্ত্রাস বিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামীলী গের কার্যক্রম ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাই এই নতুন বিধি কার্যকর হলে দলটির কোনো পদধারী নেতা বা কর্মী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

সম্প্রতি নতুন বিধিমালার খসড়া তৈরি করেছেন ইসির কর্মকর্তারা। ঈদের ছুটি শুরুর আগে শেষ কর্মদিবস ২৪ মে ওই খসড়ার কপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চার কমিশনারকে দেওয়া হয়েছে।

শিগগিরই এই খসড়া নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনাররা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ইউনিয়ন পরিষদের আচরণ বিধিমালার খসড়া ‘অনেকটা মডেল’ হিসেবে কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ বিধিমালায় যেসব সংশোধনী আনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশন একমত হবে, সেই সংশোধনীগুলো সিটি করপো রেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের ধরন অনুযায়ী আচরণ বিধিমালায় যতটা সম্ভব সংযোজ ন বা বিয়োজন করা হবে।

তারা আরও জানান, নির্বাচন কমিশনের আইন সংস্কার কমিটির বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিচালনা বিধিমালা এবং আচরণ বিধিমালার সংশোধনী নিয়ে আ লাচনা হয়।

ওই বৈঠকের পর এসব খসড়া তৈরি করা হয়। ওইসব খসড়া সংশোধনীর ওপর নির্বাচন কমিশনাররা মতামত দিলে এতে আবারও সংশোধনী আসতে পারে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো.আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকার নামা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হবে।

আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে এ বিধি যুক্ত হচ্ছে কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো দল বা সংগঠ নকে সামনে রেখে এটা করা হচ্ছে না।

বাংলাদেশে কয়েকটা দল নিষিদ্ধ আছে। দেশে বিদ্যমান অন্যান্য আইন বিবেচনায় নিয়ে এটা করা হচ্ছে। কোনো দলকে টার্গেট করে নয়।