ডেস্ক নিউজ:বিএনপি নতুন সরকার গঠনের মাত্র তিন মা সে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধি বেশনের সভাপতি নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন বাংলাদে শের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমান।
বিশ্বমঞ্চে দেশের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে দেশজুড়ে বি এনপি নেতাক র্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বইছে খুশির জোয়ার।
এদিকে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ, পররা ষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশের পর রাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তারা এ বিজয়কে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক মর্যা দা এবং বহুপক্ষীয়তার প্রতি অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, পাকিস্তান, মাল দ্বীপ, আফ্রিকান ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা খলি লুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
অন্যদিকে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন, ঐক্য তৈরি ও জাতিসংঘের অভ্যন্তরে সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন খলিলুর রহমান।
এ বিশ্ব সংস্থাটির আগামী অধিবেশনের জন্য একটি সুদূর প্রসারী কর্ম পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই বিএ নপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যে একে অন্যতম প্রধান এবং বড় ধরনের আন্তর্জাতিক সফলতা হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
তাদের মতে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈ তিক সাফল্যে যে পালক যুক্ত হয়েছে তা নিঃসন্দেহে স্বস্তি র খবর।
দীর্ঘ চার দশক পর আবারও বিএনপির নেতৃত্বাধীন সর কার গঠনের মাত্র তিন মাসে এই শীর্ষ পদ প্রাপ্তিকে দল টির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপ তির সেই শক্তিশালী কূট নৈতিক ঐতিহ্যেরই এক অনন্য ধারাবাহি কতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তা ছাড়া একই সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনে খলিলুর রহমানের কোনো সমস্যা দেখছেন না বিশ্লেষকরা।
জানা যায়,পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের এই বিজয় বিএনপির রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে এক বিশেষ আবেগের সৃষ্টি করেছে।
দলটির নেতাকর্মীরা স্মরণ করছেন বাংলাদেশের প্রথমবা র জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদ পাওয়ার ঐতিহাসিক মুহূর্তটিকে।
এর আগে, ১৯৮৬ সালে জাতি সংঘের ৪১তম সাধারণ অধিবেশনে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী (পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী) সভা পতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
সেই ঐতিহাসিক মাহেন্দ্র ক্ষণে র কূটনৈতিক ভিত্তি ও আ ন্তর্জাতিক সম্পর্কের সুদৃঢ় সূচনা হয়েছিল মূলত জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী এবং বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতির হাত ধরেই।
বিএনপির দায়িত্বশীল নেতা এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক দের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মধ্যে সর কারে র অন্যতম এই বড় সাফল্যের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে।
সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—স্বল্প সময়ে আন্তর্জা তিক আস্থা অর্জন।
কেননা, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার অল্পদিনের মধ্যেই বিশ্ব সম্প্রদায়ের যে গভীর আস্থা ও সম র্থন লাভ করতে পেরেছে, এই বিজয় তারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
পাশাপাশি অত্যন্ত স্বল্প সময়ের নোটিশে বিশ্বনে তাদের সঙ্গে ফলপ্রসূ যোগাযোগ এবং খলিলুর রহমানের ব্যক্তি গত আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এই বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছে।
বিশ্বরাজনীতির এই জটিল সমীকরণের যুগে জাতিসং ঘের মতো সর্বোচ্চ বৈশ্বিক ফোরামে বাংলাদেশের এই নেতৃত্ব প্রাপ্তি আন্তর্জাতিক নীতি নির্ধারণে ভূ-রাজনী তিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত যেমন করবে, তেম নই দে শের প্রভাব বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনু ষ্ঠিত গোপন ব্যালটের ভোটে খলিলুর রহমান জাতি সংঘে র সাধারণ
পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। মোট ১৯০টি ভোটের মধ্যে তিনি পান ৯৯টি।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস কাকুরিস পান ৯১ ভোট। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরি ষদের ৮১তম অধিবেশন শুরু হলে খলিলুর আনুষ্ঠানি কভাবে সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী কী একই সঙ্গে দুই দায়িত্বে থাকবেন?: সাধা রণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কী পররাষ্ট্রমন্ত্রী একইসঙ্গে দুই দায়িত্বে থাকবেন, নাকি যে কোনো একটি বেছে নেবেন।
অবশ্য এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি ও সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্তরা বলছেন, একসঙ্গে দুই দায়িত্ব পালনে কোনো সম স্যা নেই।
জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক) ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির গতকাল কালবেলাকে বলেন,‘এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বাংলাদেশের জন্য এক অভাবনীয় বিজয়।
এটি আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলা দেশের জনগণের সাফল্য। আমি আজ গর্বিত যে, বাংলা দেশ বিশ্ব রাজনৈতিক অঙ্গনের শীর্ষস্থানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।
অনেকেই ভাবেননি, মাত্র তিন মাসের সংক্ষিপ্ত প্রচারণায় আমরা নির্বাচিত হতে পারব, যেখানে সাইপ্রাস বহু বছর ধরে প্রচারণা চালিয়েছিল।
এটি প্রমাণ করে যে, সদিচ্ছা ও অঙ্গীকার থাকলে একটি জাতি হিসেবে আমরা যা চাই, তাই অর্জন করতে পারি।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেও একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়ায় কো নো সমস্যা নেই।
অবশ্যই এতে কাজের চাপ বাড়বে; কিন্তু তা সুষ্ঠুভাবে সামাল দেওয়ার জন্য আমাদের সহায়ক ব্যব স্থা রয়েছে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম গতকাল সাংবাদি কদের বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমা নের ইউএনজিএ ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের ১৭ কোটি মানুষের বিজয়।
কারণ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি অবস্থান অর্জন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের আন্ত র্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন এই ঐতিহাসিক অর্জ ন।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের সময়েও বাংলাদেশ জাতিসংঘে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছিল।
তিনি সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার ভিত্তিতে ‘বাং লাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করেছিলেন। প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই নীতিকে আরও এগিয়ে নিয়েছেন।’
শুভেচ্ছায় সিক্ত খলিলুর রহমান:পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের এই অনন্য সাধারণ বিজয়ের পর বিএনপিসহ সারা দেশের দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
সাধারণ মানুষও আগ্রহভরে বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তা বলছেন।
খলিলুর রহমানের এই বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএন পির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানু ষের শুভেচ্ছা বার্তার ঢল নেমেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তিনি মঙ্গলবার রাতেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে অভিনন্দন বার্তায় বলেন, ‘এ অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, খলিলুর রহমান ভবিষ্যতে বাং লাদেশের প্রতিনিধিত্ব গর্বের সঙ্গে করবেন এবং বহুপক্ষীয় ইস্যুতে সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদারে কার্য কর ভূমিকা রাখবেন। নতুন এ দায়িত্ব পালনে তার প্রতি শুভকামনাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেন সেন এ বিজয় লাভে খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানি য়ে আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশন সফ লভাবে পরিচালনার জন্য শুভকামনা জানান।
এক বার্তায় তিনি বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জা তিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভা পতি নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন।’
চীন বলেছে, এ নির্বাচন বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা এবং বহুপক্ষীয়তা ও আন্তর্জাতিক সহ যোগিতা এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে দেশটির গঠনমূলক ভূমি কার প্রতিফলন।
অভিনন্দন বার্তায় চীন আশা প্রকাশ করেছে, ড. খলিলুর সব সদস্য রাষ্ট্রকে ঐক্যবদ্ধ করবেন,সার্বভৌম সাম্যের নীতি সমুন্নত রাখবেন,আন্তর্জাতিক আইনের শাসন রক্ষা করবেন এবং সংলাপ ও পরামর্শ জোরদার করার পাশা পাশি বহুপক্ষীয়তার ভিত্তি আরও মজবুত করবেন।
তার দায়িত্ব পালনের সময় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বেইজিং প্রস্তুত রয়েছে।
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রম ন্ত্রী এবং আমার প্রিয় ভাই ড.খলিলুর রহমানকে জাতি সংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন।
তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি নিশ্চিত, তার ব্যাপক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা ও বহুপক্ষী য়তার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকার পরিষদকে সুযোগ্য নেতৃত্ব দেবে।
বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার,অভিন্ন বৈশ্বিক অগ্রাধি কার বাস্তবায়ন এবং সংলাপ, শান্তি ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখবেন।’
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড.মোহাম্মদ মুইজ্জু জাতিসংঘে খলিলুরের নির্বাচিত হওয়াকে বাংলাদেশ ও বৃহত্তর অঞ্চ লের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেন।
অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে আপ নার সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করছি।
সাধারণ পরিষদ তার নেতৃত্বে সব সদস্য রাষ্ট্রের জন্য গুরু ত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসে বে ভূমিকা পালন করবে।
এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জনগণ এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য গর্বের একটি মুহূর্ত।’
কী বলছেন বিশ্লেষকরা: রাজনীতি ও কূটনৈতিক বিশ্লেষ করা বলছেন, জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের এই সভা পতি পদ প্রাপ্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূ র্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই অর্জন একটি ইতিবাচক এবং ঐক্যের আবহ তৈরি করেছে, যেখা নে সব দলই দেশের এই আন্তর্জাতিক সাফল্যকে সাধুবাদ জানাচ্ছে।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর কার ও রাজ নীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড.শামছুল আলম (সেলিম) বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিএনপি সরকার গঠনের পর এটা বিরাট সাফল্য।
কেননা, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক ধরনের আশার সঞ্চার হয়েছিল।
জাতীয় পর্যায়ে অনেকগুলো কাজ এগিয়ে চলেছে। বিভি ন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছিল এর মধ্যে আমরা দেখি যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি পররাষ্ট্র সংক্রা ন্ত অনেকগুলো বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের ব্যাপারে তার একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
বিশেষ করে বাংলাদেশের নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারেও ভূমিকা ছিল এবং দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশগুলোর সঙ্গে বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে শুল্ক নীতি সেটা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হলেন।
আমি মনে করি, এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সুনাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে তার জয়লাভ করা মানে প্রধা নমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও একটা সাফল্য অর্জন।
তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইউএনজিএ সভা পতি হিসেবে দায়িত্ব পালনে আমার দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা হবে না।
বিএনপির চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমি টির সদস্য বদরুল আলম চৌধুরী বলেন,এই জয় কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়,এটি ১৭ কোটি মানুষের এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতীক।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’ এবং মুসলিম বিশ্ব সহ আন্তর্জা তিক অঙ্গনে বাংলাদেশের যে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছিলেন, এই অর্জন তারই সুদূরপ্রসারী সুফল।
বিশ্বরাজনীতিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভা পতিত্ব করা বাংলাদেশের জন্য বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে সুযোগ তৈরি করবে।

Reporter Name 
























