Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট ঝিকরগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে সমবায় দিবস উদযাপন

গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে,মিসর,কাতার,তুরস্কের যৌথ বিবৃতি

  • Reporter Name
  • Update Time : 11:25 am, Tuesday, 14 October 2025
  • 33 Time View

আন্তর্জাতিক দেশ :মিসর, কাতার, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের নে তারা গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সমর্থন করে এবং এই অঞ্চলে ‘স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিসরের শারম আল-শেখে আন্তর্জা তিক শীর্ষ সম্মেলনের পর বিবৃতিটি প্রকাশিত হয়। এই বিবৃতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিরল স্বীকৃতি যেখানে বলা হয়, ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিরা সমান অধিকারের যোগ্য।

এতে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ফিলিস্তিন ও ইসরাইল এই ঘোষণার বিষয়বস্তু হলে এই দুই দেশ এতে অংশ নেয়নি।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা ট্রাম্প শান্তি চুক্তির সব প ক্ষের সত্যিকারের ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নকে স্বাগত জানাই। যা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির অবসান ঘটাবে এবং আশা, নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য একটি ভাগ করা দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই অঞ্চ লের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’

এতে বলা হয়, ‘গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং মধ্যপ্রা চ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আন্তরিক প্রচে ষ্টাকে আমরা সমর্থন করি। আমরা একসাথে এই চুক্তিটি এম নভাবে বাস্তবায়ন করব যা ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয় অ ঞ্চলের সব মানুষের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুযোগ নিশ্চিত করবে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘স্থায়ী শান্তি এমনভাবে হবে যেখানে ফি লিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয়ই তাদের মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষিত, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের মর্যাদা সমু ন্নত রেখে উন্নতি করতে পারবে। আমরা নিশ্চিত করছি যে সহযোগিতা ও টেকসই সংলাপের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং জাতি ও জনগণের মধ্যে বন্ধন জোরদার করা আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্থায়ী স্বার্থে কাজ করবে।’

কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিবৃতি বলা হয়, ‘আমরা ভবিষ্যতের বিরো ধগুলো বলপ্রয়োগ বা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পরিবর্তে কূটনৈ তিক সম্পৃক্ততা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে প্রতিশ্রু তি বদ্ধ।

আমরা স্বীকার করি যে মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, স্থবি র আ লোচনা, অথবা সফল আলোচনার শর্তাবলীর অসম্পূর্ণ প্রয়োগের ধারাবাহিক চক্র চলতে পারে না। গত দুই বছরে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলো একটি জরুরি স্মারক হিসেবে কাজ করবে যে ভবিষ্যত প্রজন্ম অতীতের ব্যর্থতার চেয়ে আরো ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।’

এই ঘোষণাপত্রে সংঘাতের কারণ হিসেবে ফিলিস্তিনিদের ওপর আঙুল তোলা হয়নি, যেভাবে মার্কিন প্রশাসনগুলো করেছে। এটি গাজার সংগ্রামকে বৃহত্তর ফিলিস্তিনি প্রশ্নের অংশ হিসেবে পুনর্বিন্যাস করেছে। তবে, যৌথ বিবৃতিতে ফি লিস্তিনিদের রাষ্ট্র এবং তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়নি।

সূত্র : আল জাজিরা

 

About Author Information

Popular Post

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত

গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে,মিসর,কাতার,তুরস্কের যৌথ বিবৃতি

Update Time : 11:25 am, Tuesday, 14 October 2025

আন্তর্জাতিক দেশ :মিসর, কাতার, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের নে তারা গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে সমর্থন করে এবং এই অঞ্চলে ‘স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) মিসরের শারম আল-শেখে আন্তর্জা তিক শীর্ষ সম্মেলনের পর বিবৃতিটি প্রকাশিত হয়। এই বিবৃতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিরল স্বীকৃতি যেখানে বলা হয়, ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিরা সমান অধিকারের যোগ্য।

এতে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান ও মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ফিলিস্তিন ও ইসরাইল এই ঘোষণার বিষয়বস্তু হলে এই দুই দেশ এতে অংশ নেয়নি।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা ট্রাম্প শান্তি চুক্তির সব প ক্ষের সত্যিকারের ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নকে স্বাগত জানাই। যা দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির অবসান ঘটাবে এবং আশা, নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য একটি ভাগ করা দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই অঞ্চ লের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।’

এতে বলা হয়, ‘গাজায় যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং মধ্যপ্রা চ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আন্তরিক প্রচে ষ্টাকে আমরা সমর্থন করি। আমরা একসাথে এই চুক্তিটি এম নভাবে বাস্তবায়ন করব যা ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয় অ ঞ্চলের সব মানুষের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুযোগ নিশ্চিত করবে।’

এতে আরো বলা হয়, ‘স্থায়ী শান্তি এমনভাবে হবে যেখানে ফি লিস্তিনি ও ইসরাইলি উভয়ই তাদের মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষিত, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং তাদের মর্যাদা সমু ন্নত রেখে উন্নতি করতে পারবে। আমরা নিশ্চিত করছি যে সহযোগিতা ও টেকসই সংলাপের মাধ্যমে অর্থপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হবে এবং জাতি ও জনগণের মধ্যে বন্ধন জোরদার করা আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্থায়ী স্বার্থে কাজ করবে।’

কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিবৃতি বলা হয়, ‘আমরা ভবিষ্যতের বিরো ধগুলো বলপ্রয়োগ বা দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পরিবর্তে কূটনৈ তিক সম্পৃক্ততা ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে প্রতিশ্রু তি বদ্ধ।

আমরা স্বীকার করি যে মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ, স্থবি র আ লোচনা, অথবা সফল আলোচনার শর্তাবলীর অসম্পূর্ণ প্রয়োগের ধারাবাহিক চক্র চলতে পারে না। গত দুই বছরে বেদনাদায়ক ঘটনাগুলো একটি জরুরি স্মারক হিসেবে কাজ করবে যে ভবিষ্যত প্রজন্ম অতীতের ব্যর্থতার চেয়ে আরো ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য।’

এই ঘোষণাপত্রে সংঘাতের কারণ হিসেবে ফিলিস্তিনিদের ওপর আঙুল তোলা হয়নি, যেভাবে মার্কিন প্রশাসনগুলো করেছে। এটি গাজার সংগ্রামকে বৃহত্তর ফিলিস্তিনি প্রশ্নের অংশ হিসেবে পুনর্বিন্যাস করেছে। তবে, যৌথ বিবৃতিতে ফি লিস্তিনিদের রাষ্ট্র এবং তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়নি।

সূত্র : আল জাজিরা