এ সময় জাসা স নেতা রেজাউল করিম বাপ্পীসহ স্থানীয় বাসি ন্দা শাহিন, বাবুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
জানাযায়,গত ১১ আগস্ট নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সেব নের পর বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার আলতাফনগর এলা কা থেকে একটি ছাগল চুরি করে পালানোর সময় চার ব্যক্তি গ্রেপ্তার হন।
পরে ওই দিন বিকেলে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তাদের জেল-জরিমানা করা হলে চো রাই ছাগলটি নিয়ে বিপাকে পড়েন তারা। একপর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ছাগল চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা।
তারা জানান, নেশা করে ফেরার পথে রাস্তার পাশে ছাগলটি দেখতে পেয়ে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
অনুমান করে আদমদীঘি উপজেলার কথা বলায় ওই দিন সন্ধ্যায় ছাগলটি দেখভালের জন্য আদমদীঘি উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে পাঠানো হয়।
এরপর শুরু হয় ছাগলটির নতুন এক অধ্যায়। কার্যালয়ে আনার পর ওই রাতেই ছাগলটির তিনটি বাচ্চা দেয়।
প্রকৃত মালিকের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত ছাগল ও বাচ্চা গুলোর দেখভালের দায়িত্ব নেন কার্যালয়ের কর্মচারী জিয়া। দীর্ঘ দুই মাস ২০ দিন ধরে তিনি যত্নসহকারে ছাগল চারটিকে লালন-পালন করেন।
অবশেষে ছাগলটির প্রকৃত মালিকের সন্ধান মেলে। দুপচাঁ চিয়া উপজেলার আলতাফনগরের বালুকাপাড়া গ্রামের বাসি ন্দা শামছুন্নাহার প্রয়োজনীয় প্রমাণসহ ছাগলটি নিতে আদ মদীঘিতে আসেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফি সে আসেন।
পরে যাচাই-বাছাই শেষে মঙ্গলবার সকালে সহ কারী কমিশ নার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম ছাগল ও তার তিনটি বাচ্চা ছাগল মালিকের হাতে তুলে দেন।
একটি ছাগল হারিয়ে চারটি ছাগল ফিরে পেয়ে আনন্দিত শামছুন্নাহার।
অন্যদিকে হারানো ছাগলটির নিরাপদ আশ্রয়, তিনটি বাচ্চার জন্ম এবং দীর্ঘদিন ধরে সেগুলোর যত্ন নেও য়ার ঘটনাটি এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মোঃ মনসুর আলী আদমদিঘী বগুড়া প্রতিনিধিঃ 

















