Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট ঝিকরগাছায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত বাগেরহাটে নানা আয়োজনে সমবায় দিবস উদযাপন

ঠাকুরগাঁওয়ে এক মঞ্চে জনগণের মুখোমুখি সব প্রার্থী দুর্নীতিমুক্ত শাসন ও জবাবদিহির অঙ্গীকার

  • Reporter Name
  • Update Time : 03:36 pm, Saturday, 31 January 2026
  • 70 Time View

রহমত আরিফ | ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা:একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো পদ নেই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের প্রার্থীদের নিয়ে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পীরগঞ্জ উপজেলার মিনি স্টেডি য়ামে উন্মুক্ত মঞ্চে সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির উদ্যো গে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সরাসরি জনগণের সামনে হাজির করে তাঁদের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা এবং ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা ফ্যাসিলিটেটর হাসান বাপ্পির সা র্বিক সহযোগিতায় এবং জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদ ক শাহ মো. নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি নসরতে খোদা রানা। পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংস দ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অনুষ্ঠানে সব প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান যোগাযো গ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিল্পকা রখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলেন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রতিশ্রুতিও দেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা গঠনের অঙ্গীকার করেন।

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ফসল সংরক্ষণের জন্য গুদাম নির্মাণ এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিক ল্পনার কথা জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন ও তরুণ দের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বা রোপ করেন।

গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ শিল্পকা রখানা স্থাপন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রানীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আল আমিন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সরকারি হাসপাতালগুলোর আধুনি কায়নের কথা বলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. আশা মনি নারীর ক্ষমতায়ন ও সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থীরাও অব কাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পক্ষে মত দেন।

সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি আবদুল লতিফ বলেন, এই আয়োজনের লক্ষ্য ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি সংলাপ তৈরি করা। অনুষ্ঠানের শেষে সব প্রার্থী সুজনের অঙ্গীকারনামার সঙ্গে একমত পোষণ করে দুর্নীতিমুক্ত শাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার শপথ নেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

 

About Author Information

Popular Post

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত

ঠাকুরগাঁওয়ে এক মঞ্চে জনগণের মুখোমুখি সব প্রার্থী দুর্নীতিমুক্ত শাসন ও জবাবদিহির অঙ্গীকার

Update Time : 03:36 pm, Saturday, 31 January 2026

রহমত আরিফ | ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা:একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো পদ নেই’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের প্রার্থীদের নিয়ে ‘জনগণের মুখোমুখি’ শীর্ষক এক ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পীরগঞ্জ উপজেলার মিনি স্টেডি য়ামে উন্মুক্ত মঞ্চে সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা কমিটির উদ্যো গে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সরাসরি জনগণের সামনে হাজির করে তাঁদের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা এবং ভোটারদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।

সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা ফ্যাসিলিটেটর হাসান বাপ্পির সা র্বিক সহযোগিতায় এবং জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদ ক শাহ মো. নাজমুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুজন পীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি নসরতে খোদা রানা। পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশ নেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংস দ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অনুষ্ঠানে সব প্রার্থী একই মঞ্চে উপস্থিত হয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান যোগাযো গ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিল্পকা রখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলেন। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রতিশ্রুতিও দেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান দুর্নীতি ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা গঠনের অঙ্গীকার করেন।

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ফসল সংরক্ষণের জন্য গুদাম নির্মাণ এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিক ল্পনার কথা জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপন ও তরুণ দের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বা রোপ করেন।

গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. মামুনুর রশিদ শিল্পকা রখানা স্থাপন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং রানীশংকৈল ডিগ্রি কলেজ সরকারি করার প্রতিশ্রুতি দেন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আল আমিন শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সরকারি হাসপাতালগুলোর আধুনি কায়নের কথা বলেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. আশা মনি নারীর ক্ষমতায়ন ও সীমান্ত এলাকার উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থীরাও অব কাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পক্ষে মত দেন।

সুজন ঠাকুরগাঁও জেলা সভাপতি আবদুল লতিফ বলেন, এই আয়োজনের লক্ষ্য ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে সরাসরি সংলাপ তৈরি করা। অনুষ্ঠানের শেষে সব প্রার্থী সুজনের অঙ্গীকারনামার সঙ্গে একমত পোষণ করে দুর্নীতিমুক্ত শাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার শপথ নেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।