Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই মান্দায় রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!!

নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা। গোপাল হাজরার (৭৫) বাড়ী নড়াইল সদর উপজেলার মুলি য়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান,

দারিদ্রের কষাঘাতে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি ছিলেন তৎকা লীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে দক্ষিণবঙ্গের একজন নাম করা ফূটবল খেলোয়াড়। খেলার মাঠে তার পজিশন ছিল ব্যাক ।

অর্থাৎ তিনি ছিলেন ডিফেন্সের খেলোয়াড়। তখন এবং বর্ত মান সময়ে ক্রীড়াঙ্গণে তার সমকক্ষ্ খেলোয়াড় দেখা পাওয়া ভার। খেলায় প্রতিপক্ষ দলের আক্রমণগুলো ঠান্ডা মাথায় প্রতিহত করতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন তিনি।

তার দুই পা,মাথা চলতো বিদ্যুৎ গতিতে ।৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চ তা এই মানুষটি পায়ে কখনো বুট,হুজ,অ্যাংক্লেট,সেফগার্ড পড়তেন না।

খালি পায়েই ফুটবল খেলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে তিনি শাড়ী কাপড়ের দুই পাশের পাইর কেটে তৈরি কর তেন ব্যান্ডেজ।

সেই ব্যান্ডেজ দুই পায়ের পাতা ও গিড়ায় পে চিয়ে মাঠে নাম তেন।আজব এবং সাহসী এই ফুটবলারের বাবা ছিলেন বি হারী লাল হাজরা ,মা কাঞ্চনবালা। দুজনেই বেশ আগে গঙ্গা পেয়েছেন।

ফুটবল জীবনের স্মৃতিকথা বলতে গিয়ে গোপাল হাজরা ব লেন,ছোটবেলায় ছোলম লেবু দিয়ে বল খেলা শিখেছি।খাটি দুপুরের সময় পরের গাছ থেকে ছোলম লেবু চুরি করে পাড় তাম ।

নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ক্লাস সিক্সে লেখাপড়া করার সময় চামড়ার বলে খেলা করার সুযোগ হয়। তিনি ব লেন,ক্লাস সিক্স থেকেই আমি ইন্টার স্কুলে ফুটবল খেলতে থাকি। ১৯৬৯ সালে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর যশোহর জেলার অর্ন্তগত নড়াইল মহকুমা(বর্তমানে জেলা) ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত জা তীয় পর্যায়ে নড়াইল ভিক্টোরিয়া স্কুল চ্যাম্পিয়ন হলে দেশব্যা পী সাড়া পড়ে যায়।

তিনি বলেন,ওই দলের সদস্য হয়ে ফুট বল খেলেছিলেন গোলকিপার আব্দুস ছাত্তার,ডিফেন্সে গোপাল হাজরা,নকুল সরকার, আব্দুল হামিদ, রকিব, আ ক্রমণভাগে যশোরের সাচ্চু, কায়জার, খুলনার রঘুরাম, মুন ছুর অনেকে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ খেলোয়াড় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।

এর আগে ১৯৬৮ সালে নড়াইল মডেল স্কুল(বর্তমানে সরকা রি বালক উচ্চ বিদ্যালয়) ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথমে মহকুমা চ্যম্পিয়ন, পরে বৃহত্তর যশোর জেলা চ্যাম্পিয়ন, তারপরে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান চ্যাম্পি য়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তখন ভিক্টোরিয়া কলেজি য়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, মো. মোসলেম উদ্দীন স‍্যার। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে।

About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার

নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!!

Update Time : 22 Hours Ago

নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা। গোপাল হাজরার (৭৫) বাড়ী নড়াইল সদর উপজেলার মুলি য়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান,

দারিদ্রের কষাঘাতে বেড়ে ওঠা এই মানুষটি ছিলেন তৎকা লীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে দক্ষিণবঙ্গের একজন নাম করা ফূটবল খেলোয়াড়। খেলার মাঠে তার পজিশন ছিল ব্যাক ।

অর্থাৎ তিনি ছিলেন ডিফেন্সের খেলোয়াড়। তখন এবং বর্ত মান সময়ে ক্রীড়াঙ্গণে তার সমকক্ষ্ খেলোয়াড় দেখা পাওয়া ভার। খেলায় প্রতিপক্ষ দলের আক্রমণগুলো ঠান্ডা মাথায় প্রতিহত করতে সিদ্ধহস্ত ছিলেন তিনি।

তার দুই পা,মাথা চলতো বিদ্যুৎ গতিতে ।৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চ তা এই মানুষটি পায়ে কখনো বুট,হুজ,অ্যাংক্লেট,সেফগার্ড পড়তেন না।

খালি পায়েই ফুটবল খেলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন। তবে তিনি শাড়ী কাপড়ের দুই পাশের পাইর কেটে তৈরি কর তেন ব্যান্ডেজ।

সেই ব্যান্ডেজ দুই পায়ের পাতা ও গিড়ায় পে চিয়ে মাঠে নাম তেন।আজব এবং সাহসী এই ফুটবলারের বাবা ছিলেন বি হারী লাল হাজরা ,মা কাঞ্চনবালা। দুজনেই বেশ আগে গঙ্গা পেয়েছেন।

ফুটবল জীবনের স্মৃতিকথা বলতে গিয়ে গোপাল হাজরা ব লেন,ছোটবেলায় ছোলম লেবু দিয়ে বল খেলা শিখেছি।খাটি দুপুরের সময় পরের গাছ থেকে ছোলম লেবু চুরি করে পাড় তাম ।

নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ক্লাস সিক্সে লেখাপড়া করার সময় চামড়ার বলে খেলা করার সুযোগ হয়। তিনি ব লেন,ক্লাস সিক্স থেকেই আমি ইন্টার স্কুলে ফুটবল খেলতে থাকি। ১৯৬৯ সালে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর যশোহর জেলার অর্ন্তগত নড়াইল মহকুমা(বর্তমানে জেলা) ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত জা তীয় পর্যায়ে নড়াইল ভিক্টোরিয়া স্কুল চ্যাম্পিয়ন হলে দেশব্যা পী সাড়া পড়ে যায়।

তিনি বলেন,ওই দলের সদস্য হয়ে ফুট বল খেলেছিলেন গোলকিপার আব্দুস ছাত্তার,ডিফেন্সে গোপাল হাজরা,নকুল সরকার, আব্দুল হামিদ, রকিব, আ ক্রমণভাগে যশোরের সাচ্চু, কায়জার, খুলনার রঘুরাম, মুন ছুর অনেকে। এদের মধ্যে বেশিরভাগ খেলোয়াড় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন।

এর আগে ১৯৬৮ সালে নড়াইল মডেল স্কুল(বর্তমানে সরকা রি বালক উচ্চ বিদ্যালয়) ইন্টার স্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথমে মহকুমা চ্যম্পিয়ন, পরে বৃহত্তর যশোর জেলা চ্যাম্পিয়ন, তারপরে তৎকালীণ পূর্ব পাকিস্তান চ্যাম্পি য়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। তখন ভিক্টোরিয়া কলেজি য়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন, মো. মোসলেম উদ্দীন স‍্যার। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে।