Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে এমপি মহিত যবিপ্রবিতে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ডুমুরিয়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপিত ঝিনাইদহে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ইউএনও’র তত্বাবধানে পাইকগাছায় জাপানি প্রযুক্তির পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার চালু শালিখায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন শৈলকুপায় জাতীয় সংহতি ও বিপ্লব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছা পৌর সদরে দুধর্ষ চুরি : বৃদ্ধাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে ৪ লাখ টাকার মালপত্র লুট

মোহনপুর গুদামে সিন্ডিকেটের ধান বাণিজ্য 

রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর  উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে রাজনৈতিক পরিচয়ের  প্রভাবশালীরা গুদাম কর্মকর্তার যোগসাজশে সিন্ডিকেট করে ধান দিয়েছেন বলে অভি যোগ উঠেছে।
এতে সরকারের দেওয়া ধানের দাম পাওয়া ও গুদামে ধান দেয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রকৃত কৃষকগণ।
এবারের অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে অংশগ্রহণ নেই কৃষ কের, তাদের নামে ধান দিচ্ছে রাজনৈতিক পরিচ য়ের একশ্রেণীর প্রভাবশালী।
খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার নেপ থ্যে মদদে কৃষকের কার্ড ভা ড়া নিয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৃষকের অগোচরে ধান দেয়া হয়েছে।এছাড়াও নীতিমালা লঙ্ঘন করে বন্ধ চালক লের (চাতাল) সঙ্গে চুক্তি করে চাল সংগ্রহ ও ছাঁটাইয়ের জন্য ধান বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও গুঞ্জন বইছে।
এদিকে খাদ্য গুদাম থেকে বাইরে বস্তা দেয়ার কোনো নিয় ম নাই। কৃষকেরা বস্তায় ধান নিয়ে গুদামে আসবে,এরপর ময়েশ্চার পরীক্ষার পর সেই ধান সরকারি বস্তায় ভরে গুদামে নিবেন।কিন্ত্ত গুদাম কর্মকর্তা আর্থিক সুবিধা নি য়ে সরকারি বস্তা প্রভাবশালীদের কাছে সরবরাহ করে ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান,(ডিসি ফুড) অফিসের কারিগরি পরি দর্শক শফিউর রহমান  ও অডিটর মশিউর রহমানের নেপ থ্যে মদদে গুদাম কর্মকর্তা এসব অনিয়ম করছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি সরেজমিন চাতাল পরিদর্শন, চাতা লের বিদ্যুৎ বিল পরীক্ষা ও  ধান দেয়া নামের তালিকাভুক্ত কৃষকের সঙ্গে কথা বলা হলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে সাধারণ কৃষক ধান দিতে গেলে আর্দ্রতাসহ নানা অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।এতে বাধ্য হয়ে কৃষক তার কৃষি কার্ড ভাড়া দিচ্ছে।
কৃষক আফজাল হোসেন, বকুল হোসেন ও রমজান আলী বলেন, তারা একাধিকবার গুদামে ধান দিতে গিয়েছেন,ত বে ধানের ময়েশ্চার ঠিক নাই বলে ফেরত পাঠানো হয়ে ছে।
কিন্ত্ত ওই একই ধান কম দামে কিনে নিয়ে প্রভাবশালীরা গুদামে দিচ্ছেন।
অথচ নীতিমালা অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকের উপস্থিতিতে ধান কেনার কথা।কিন্ত্ত  সিন্ডিকেট চক্র শত শত কৃষকের কার্ড দিয়ে ধান দিচ্ছে।
আবার যারা ধান দিবে না, যাদের ধান নাই তালিকায় সেসব কৃষকের নাম রয়েছে।অধিকাংশক্ষেত্রে শর্ত পুরুণ না করেই এসব ধান নেয়া হচ্ছে।নিজ এলাকার পরিবর্তে বাইরের এলাকার মোটা ধান ঢোকানো হচ্ছে।
এছাড়াও টন প্রতি দেড় থেকে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সু বিধা নিচ্ছেন ওসিএলএসডি। সরেজমিন সিসি ক্যামেরা ও কৃষকের মুঠোফোন নম্বর যাচাই ও গুদামে কেনা ধানের আর্দ্রতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বাজারে মোটা ধানের দাম ৯শ’ টাকা থেকে হাজার টাকা,সরকার কিনছে এক হাজার ৪৪০ টাকা মণ।
প্রতি মণে কৃষক হারাচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। পাবনা, নাটোর ও নওগাঁর বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটা ধান এনে গুদামে দেয়া হচ্ছে। খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার যোগসাজস এই কাজ চলছে। এতে সাধারণ কৃষকদের মাঝে সরকা রের ভাবমূতি নষ্ট হচ্ছে।
জানা গেছে,২০২৬ সালে মোহনপুর উপজেলায় অভ্যন্ত রীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪৯ টাকা কেজী দরে ৭টি মিল থেকে ২৫৯ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজী দরে ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। আগামী ৩১  আগস্ট এই কার্যক্রম চলবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষমতাসীন দলের এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি মোহনপুর রাজনৈতিক পরিচয়ের কিছু প্রভাবশালী এসব করছে।
তারা নিজেদের পছন্দের ইউনিয়ন (ইউপি) ও ভাগ করে নিয়ে নিজেদের বিশ্বস্ত লোক দিয়ে,সেসব ইউনিয়নের কৃষ কদের ভোটার আইডি সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুত করিয়ে ছেন।
কৃষকদের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছেন তা খুবই দুঃখজ নক। তিনি বলেন, শুরুতে তিনি সাধারণ কৃষক, বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ে যেসব কৃষক বঞ্চিত হয়েছেন তাদের তালিকা করে ধান দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু একশ্রেণীর প্রভাবশালীর লোভের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে
তিনি দলের হাইকমান্ডের  নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়নে ধানের সন্তোষজনক মূল্য দিয়েছেন আর তা লুটে নিচ্ছেন একশ্রেণীর প্রভাবশা লী, এর ফলে সরকারের সুনাম নষ্ট হচ্ছে, এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা উচিৎ।
এবিষয়ে মোহনপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) সুজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত কৃষক ব্যতিত অন্যকারো কাছে থেকে ধান কেনা হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মুহাঃ শফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,ধান ক্রয়ে অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই, তিনি বলেন, প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধান কেনা হয়েছে।
এদিকে ঘাসিগ্রাম ইউপির শ্যামপুর, মেলান্দী, আতানারা য়নপুর,ধুরইল ইউপির আমরাইল ও মহব্বতপুর এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষকের সঙ্গে সরকারি ধান সংগ্রহ অভিযানের বিষয়ে কথা হলে তাদের প্রায় সবারই বক্তব্য ছিল কাছাকাছি, সরকার ধান কেনে বলে শুনেছি।
কিন্তু কীভাবে কখন ধান নেয়, সেই বিষয়ে ধারণা নেই তাদের। এ বিষয়ে কোনো প্রচার চোখে পড়েনি তাদের। বেশিরভাগ কৃষক জানেন না, সরকার কত টাকা মূল্যে ধান কিনছে। সরকারি গুদামে কতটুকু পর্যন্ত ধান দেও য়ার অধিকার রয়েছে একজন কৃষকের।#

About Author Information

Popular Post

ঝিনাইদহে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মোহনপুর গুদামে সিন্ডিকেটের ধান বাণিজ্য 

Update Time : 11:42 am, Monday, 27 July 2026
রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর  উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে রাজনৈতিক পরিচয়ের  প্রভাবশালীরা গুদাম কর্মকর্তার যোগসাজশে সিন্ডিকেট করে ধান দিয়েছেন বলে অভি যোগ উঠেছে।
এতে সরকারের দেওয়া ধানের দাম পাওয়া ও গুদামে ধান দেয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রকৃত কৃষকগণ।
এবারের অভ্যন্তরীণ বোরো সংগ্রহ অভিযানে অংশগ্রহণ নেই কৃষ কের, তাদের নামে ধান দিচ্ছে রাজনৈতিক পরিচ য়ের একশ্রেণীর প্রভাবশালী।
খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার নেপ থ্যে মদদে কৃষকের কার্ড ভা ড়া নিয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৃষকের অগোচরে ধান দেয়া হয়েছে।এছাড়াও নীতিমালা লঙ্ঘন করে বন্ধ চালক লের (চাতাল) সঙ্গে চুক্তি করে চাল সংগ্রহ ও ছাঁটাইয়ের জন্য ধান বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও গুঞ্জন বইছে।
এদিকে খাদ্য গুদাম থেকে বাইরে বস্তা দেয়ার কোনো নিয় ম নাই। কৃষকেরা বস্তায় ধান নিয়ে গুদামে আসবে,এরপর ময়েশ্চার পরীক্ষার পর সেই ধান সরকারি বস্তায় ভরে গুদামে নিবেন।কিন্ত্ত গুদাম কর্মকর্তা আর্থিক সুবিধা নি য়ে সরকারি বস্তা প্রভাবশালীদের কাছে সরবরাহ করে ছেন।
ভুক্তভোগীরা জানান,(ডিসি ফুড) অফিসের কারিগরি পরি দর্শক শফিউর রহমান  ও অডিটর মশিউর রহমানের নেপ থ্যে মদদে গুদাম কর্মকর্তা এসব অনিয়ম করছেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি সরেজমিন চাতাল পরিদর্শন, চাতা লের বিদ্যুৎ বিল পরীক্ষা ও  ধান দেয়া নামের তালিকাভুক্ত কৃষকের সঙ্গে কথা বলা হলে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে সাধারণ কৃষক ধান দিতে গেলে আর্দ্রতাসহ নানা অজুহাতে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে।এতে বাধ্য হয়ে কৃষক তার কৃষি কার্ড ভাড়া দিচ্ছে।
কৃষক আফজাল হোসেন, বকুল হোসেন ও রমজান আলী বলেন, তারা একাধিকবার গুদামে ধান দিতে গিয়েছেন,ত বে ধানের ময়েশ্চার ঠিক নাই বলে ফেরত পাঠানো হয়ে ছে।
কিন্ত্ত ওই একই ধান কম দামে কিনে নিয়ে প্রভাবশালীরা গুদামে দিচ্ছেন।
অথচ নীতিমালা অনুযায়ী কার্ডধারী কৃষকের উপস্থিতিতে ধান কেনার কথা।কিন্ত্ত  সিন্ডিকেট চক্র শত শত কৃষকের কার্ড দিয়ে ধান দিচ্ছে।
আবার যারা ধান দিবে না, যাদের ধান নাই তালিকায় সেসব কৃষকের নাম রয়েছে।অধিকাংশক্ষেত্রে শর্ত পুরুণ না করেই এসব ধান নেয়া হচ্ছে।নিজ এলাকার পরিবর্তে বাইরের এলাকার মোটা ধান ঢোকানো হচ্ছে।
এছাড়াও টন প্রতি দেড় থেকে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সু বিধা নিচ্ছেন ওসিএলএসডি। সরেজমিন সিসি ক্যামেরা ও কৃষকের মুঠোফোন নম্বর যাচাই ও গুদামে কেনা ধানের আর্দ্রতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলেই অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বাজারে মোটা ধানের দাম ৯শ’ টাকা থেকে হাজার টাকা,সরকার কিনছে এক হাজার ৪৪০ টাকা মণ।
প্রতি মণে কৃষক হারাচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। পাবনা, নাটোর ও নওগাঁর বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটা ধান এনে গুদামে দেয়া হচ্ছে। খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার যোগসাজস এই কাজ চলছে। এতে সাধারণ কৃষকদের মাঝে সরকা রের ভাবমূতি নষ্ট হচ্ছে।
জানা গেছে,২০২৬ সালে মোহনপুর উপজেলায় অভ্যন্ত রীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪৯ টাকা কেজী দরে ৭টি মিল থেকে ২৫৯ মেট্রিক টন চাল এবং সরাসরি কৃষকের কাছে থেকে ৩৬ টাকা কেজী দরে ৭৮৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। আগামী ৩১  আগস্ট এই কার্যক্রম চলবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষমতাসীন দলের এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি মোহনপুর রাজনৈতিক পরিচয়ের কিছু প্রভাবশালী এসব করছে।
তারা নিজেদের পছন্দের ইউনিয়ন (ইউপি) ও ভাগ করে নিয়ে নিজেদের বিশ্বস্ত লোক দিয়ে,সেসব ইউনিয়নের কৃষ কদের ভোটার আইডি সংগ্রহ করে তালিকা প্রস্তুত করিয়ে ছেন।
কৃষকদের সঙ্গে যে প্রতারণা করেছেন তা খুবই দুঃখজ নক। তিনি বলেন, শুরুতে তিনি সাধারণ কৃষক, বিগত ফ্যাসিস্ট সময়ে যেসব কৃষক বঞ্চিত হয়েছেন তাদের তালিকা করে ধান দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু একশ্রেণীর প্রভাবশালীর লোভের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে
তিনি দলের হাইকমান্ডের  নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের উন্নয়নে ধানের সন্তোষজনক মূল্য দিয়েছেন আর তা লুটে নিচ্ছেন একশ্রেণীর প্রভাবশা লী, এর ফলে সরকারের সুনাম নষ্ট হচ্ছে, এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা উচিৎ।
এবিষয়ে মোহনপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) সুজন এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রকৃত কৃষক ব্যতিত অন্যকারো কাছে থেকে ধান কেনা হয়নি।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মুহাঃ শফিকুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,ধান ক্রয়ে অনিয়মের কোনো সুযোগ নাই, তিনি বলেন, প্রকৃত কৃষকের কাছে থেকে ধান কেনা হয়েছে।
এদিকে ঘাসিগ্রাম ইউপির শ্যামপুর, মেলান্দী, আতানারা য়নপুর,ধুরইল ইউপির আমরাইল ও মহব্বতপুর এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষকের সঙ্গে সরকারি ধান সংগ্রহ অভিযানের বিষয়ে কথা হলে তাদের প্রায় সবারই বক্তব্য ছিল কাছাকাছি, সরকার ধান কেনে বলে শুনেছি।
কিন্তু কীভাবে কখন ধান নেয়, সেই বিষয়ে ধারণা নেই তাদের। এ বিষয়ে কোনো প্রচার চোখে পড়েনি তাদের। বেশিরভাগ কৃষক জানেন না, সরকার কত টাকা মূল্যে ধান কিনছে। সরকারি গুদামে কতটুকু পর্যন্ত ধান দেও য়ার অধিকার রয়েছে একজন কৃষকের।#