Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই

ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):
ডুমুরিয়া (খুলনা) মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় মাটি ও জলবায়ুর খাপ খাইয়ে নেওয়া এই নারকেল চাষে মিলছে অভাবনীয় সাফল্য।

স্থানীয় জাতের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি ফলন এবং দ্রুত ফল ধরার কারণে ডুমুরিয়ার কৃষকদের মাঝে এই নারকেল চাষে আগ্রহ তুঙ্গে উঠেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মূলত ভিয়েতনামী জাতের দুটি প্রকার (সিয়াম গ্রিন নারকেল এবং সিয়াম ব্লু নারকেল) চাষ হচ্ছে।

সাধারণ নারকেল গাছে ফল আসতে যেখানে ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগে, সেখানে ভিয়েতনামী খাটো জাতের গাছে চারা রোপণের মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে ফল ধরা শুরু করে।

অভাবনীয় ফলন: উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক গাছ থেকে বছরে গড়ে ২৫০ থেকে ৩৫০টি নারকেল পাওয়া যায়।

মিষ্টি ও সুস্বাদু পানি: প্রতিটি কাঁচা নারকেলে গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ মিলিলিটার অত্যন্ত মিষ্টি ও পুষ্টিকর পানি থাকে।

ঝড়-ঝাপটায় নিরাপদ: গাছগুলো উচ্চতায় বেশ খাটো হওয়ায় যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝড়ে ভাঙার ঝুঁকি কম থাকে এবং ফল সংগ্রহ করাও অত্যন্ত সহজ।

নারকেল কেবল একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফলই নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। সনাতন ও সামাজিক সংস্কৃতিতে এটিকে ‘স্বর্গীয় গাছ’ হিসেবে আখ্যা য়িত করা হলেও, শিল্পখাতে এর ব্যবহার বহুমুখী: শিল্পের কাঁচামাল: নারকেলের তেল, গ্লিসারিন, সাবান এবং উন্নত মানের চুলের তেল তৈরিতে এটি মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উপজাতের বাণিজ্যিক রূপ: নারকেল গাছের পাতা দিয়ে উন্নতমানের ঝাড়ু, ঘরের ছাউনি এবং গৃহস্থালি আসবাব পত্র তৈরি হচ্ছে। এমনকি কাণ্ড ও শিকড়ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিগুণ: নারকেলের পানিতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি, প্রয়োজনীয় চর্বি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ লবণ রয়েছে, যা মানবদেহের পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলা ইটের ভারসাম্য রক্ষায় দারুণ কার্যকরী।

‘সব ঋতুতেই মিলবে ফল, ছাদেও সম্ভব বাণিজ্যিক চাষ
ডুমুরিয়ার বান্দা গ্রামের অশোক ও খলশী ‌গ্রামের শান্ত শেখ (ভিয়েতনামী নারিকেল চাষী) বলেন“আমি কয়েক বছর আগে যখন প্রথম ভিয়েতনামী জাতের নারিকেলের কথা শুনি, তখন বেশ কৌতুহল জাগে।

আমাদের দেশীয় নারিকেল গাছে ফলন আসতে ৭-৮ বছ র লেগে যায়, আর গাছগুলোও অনেক লম্বা হয়। কিন্তু এই জাতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—গাছের উচ্চতা কম থাকে এবং মাত্র ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই ফলন পেতে শুরু করা যায়।

শুরুতে একটু ভয় ছিল, মাটিতে কেমন মানাবে বা আমা দের আবহাওয়ায় ফলন কেমন হবে তা নিয়ে। তবে সঠিক পরিচর্যা, যেমন—সময়মতো জৈব সার প্রয়োগ, সেচব্যবস্থা এবং গোড়ার মাটি পরিষ্কার রাখা—এসব নিয়ম মেনে চলা র পর চমৎকার ফলাফল পেয়েছি।

প্রতিটি গাছে বছরে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টির মতো নারি কেল পাওয়া সম্ভব। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ছোট গাছ হওয়ায় ঝড়-বাতাসে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কম এবং নারি কেল পাড়াও খুব সহজ।

যারা নতুন করে নারিকেল বাগান করতে চান, তাদের আমি বলবো—উন্নত জাতের খাঁটি চারা নির্বাচন করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিচর্যা করলে অল্প জমিতে এবং কম সময়ে নারিকেল চাষ একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হতে পারে।“

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাজমুল হুদা বলেন বাংলাদেশের বিশেষ করে দক্ষিণঞ্চলের উপকৃষি জলবায়ু ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেলের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।

এই জাতটি কম সময়ে সর্বোচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। সব চেয়ে বড় সুবিধা হলো—এটি একটি বারোমাসি ফল, যা সব ঋতুতেই বাজারে সরবরাহ করা যায়।

সাধারণ চাষি ছাড়া আর কারা এই চাষে লাভবান হতে পারেন?

খুলনা জেলা উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হুদা: শুধুপ্র থাগত কৃষিজমিতেই নয়, অর্ধ-ড্রামে করে বাড়ির ছাদে কিংবা পুকুর পাড়ের পতিত জমিতেও এই নারকেলের বাণিজ্যিক চাষ পুরোপুরি সম্ভব।

ডুমুরিয়ার অনেক খামারি পুকুর পাড় ব্যবহার করে শত ভাগ লাভবান হচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে আমরা সঠিক পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

ভিয়েতনামী নারকেল চাষ নিয়ে খুলনা জেলা কৃষি বিভা গের ভাবনায় কী পরিকল্পনা রয়েছে?

মো. নজরুল ইসলাম বলেন খুলনার উপকূলীয় ও আ শেপাশের অঞ্চলে লবণাক্ততা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল এই অঞ্চলে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। ডুমুরিয়ার সাফল্য আমাদের উৎসাহিত করেছে।

ডুমুরিয়ায় ভিয়েতনামী নারকেলের এই বাম্পার ফলন প্রমাণ করে যে, সঠিক জাত নির্বাচন করলে কৃষি থেকে বহুগুণ বেশি আয় করা সম্ভব।

স্থানীয় বাজারে ডাব ও নারকেলের ব্যাপক চাহিদা রয়ে ছে। বাণিজ্যিকভাবে ডাব বিক্রি করে কৃষকরা মাত্র তিন থেকে চার বছরেই তাদের বিনিয়োগের মূল টাকা তুলে লাভজনক অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছেন। আমরা খুলনার অন্যান্য উপজেলাতেও এই জাত সম্প্রসারণের কাজ করছি।

About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল চাষে ডুমুরিয়ায় বিপ্লব: আড়াই বছরেই ফলন, বছরে মিলছে ৩৫০ নারকেল

Update Time : 07:47 am, Tuesday, 28 July 2026

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা):
ডুমুরিয়া (খুলনা) মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় মাটি ও জলবায়ুর খাপ খাইয়ে নেওয়া এই নারকেল চাষে মিলছে অভাবনীয় সাফল্য।

স্থানীয় জাতের চেয়ে চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি ফলন এবং দ্রুত ফল ধরার কারণে ডুমুরিয়ার কৃষকদের মাঝে এই নারকেল চাষে আগ্রহ তুঙ্গে উঠেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বাংলাদেশে মূলত ভিয়েতনামী জাতের দুটি প্রকার (সিয়াম গ্রিন নারকেল এবং সিয়াম ব্লু নারকেল) চাষ হচ্ছে।

সাধারণ নারকেল গাছে ফল আসতে যেখানে ৭ থেকে ৮ বছর সময় লাগে, সেখানে ভিয়েতনামী খাটো জাতের গাছে চারা রোপণের মাত্র আড়াই বছরের মধ্যে ফল ধরা শুরু করে।

অভাবনীয় ফলন: উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে প্রতিটি প্রাপ্ত বয়স্ক গাছ থেকে বছরে গড়ে ২৫০ থেকে ৩৫০টি নারকেল পাওয়া যায়।

মিষ্টি ও সুস্বাদু পানি: প্রতিটি কাঁচা নারকেলে গড়ে ৩০০ থেকে ৩৫০ মিলিলিটার অত্যন্ত মিষ্টি ও পুষ্টিকর পানি থাকে।

ঝড়-ঝাপটায় নিরাপদ: গাছগুলো উচ্চতায় বেশ খাটো হওয়ায় যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ঝড়ে ভাঙার ঝুঁকি কম থাকে এবং ফল সংগ্রহ করাও অত্যন্ত সহজ।

নারকেল কেবল একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফলই নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। সনাতন ও সামাজিক সংস্কৃতিতে এটিকে ‘স্বর্গীয় গাছ’ হিসেবে আখ্যা য়িত করা হলেও, শিল্পখাতে এর ব্যবহার বহুমুখী: শিল্পের কাঁচামাল: নারকেলের তেল, গ্লিসারিন, সাবান এবং উন্নত মানের চুলের তেল তৈরিতে এটি মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উপজাতের বাণিজ্যিক রূপ: নারকেল গাছের পাতা দিয়ে উন্নতমানের ঝাড়ু, ঘরের ছাউনি এবং গৃহস্থালি আসবাব পত্র তৈরি হচ্ছে। এমনকি কাণ্ড ও শিকড়ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

পুষ্টিগুণ: নারকেলের পানিতে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি, প্রয়োজনীয় চর্বি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং খনিজ লবণ রয়েছে, যা মানবদেহের পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলা ইটের ভারসাম্য রক্ষায় দারুণ কার্যকরী।

‘সব ঋতুতেই মিলবে ফল, ছাদেও সম্ভব বাণিজ্যিক চাষ
ডুমুরিয়ার বান্দা গ্রামের অশোক ও খলশী ‌গ্রামের শান্ত শেখ (ভিয়েতনামী নারিকেল চাষী) বলেন“আমি কয়েক বছর আগে যখন প্রথম ভিয়েতনামী জাতের নারিকেলের কথা শুনি, তখন বেশ কৌতুহল জাগে।

আমাদের দেশীয় নারিকেল গাছে ফলন আসতে ৭-৮ বছ র লেগে যায়, আর গাছগুলোও অনেক লম্বা হয়। কিন্তু এই জাতের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—গাছের উচ্চতা কম থাকে এবং মাত্র ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই ফলন পেতে শুরু করা যায়।

শুরুতে একটু ভয় ছিল, মাটিতে কেমন মানাবে বা আমা দের আবহাওয়ায় ফলন কেমন হবে তা নিয়ে। তবে সঠিক পরিচর্যা, যেমন—সময়মতো জৈব সার প্রয়োগ, সেচব্যবস্থা এবং গোড়ার মাটি পরিষ্কার রাখা—এসব নিয়ম মেনে চলা র পর চমৎকার ফলাফল পেয়েছি।

প্রতিটি গাছে বছরে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০টির মতো নারি কেল পাওয়া সম্ভব। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ছোট গাছ হওয়ায় ঝড়-বাতাসে ক্ষতির ঝুঁকি অনেক কম এবং নারি কেল পাড়াও খুব সহজ।

যারা নতুন করে নারিকেল বাগান করতে চান, তাদের আমি বলবো—উন্নত জাতের খাঁটি চারা নির্বাচন করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পরিচর্যা করলে অল্প জমিতে এবং কম সময়ে নারিকেল চাষ একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হতে পারে।“

ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাজমুল হুদা বলেন বাংলাদেশের বিশেষ করে দক্ষিণঞ্চলের উপকৃষি জলবায়ু ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেলের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।

এই জাতটি কম সময়ে সর্বোচ্চ ফলন দিতে সক্ষম। সব চেয়ে বড় সুবিধা হলো—এটি একটি বারোমাসি ফল, যা সব ঋতুতেই বাজারে সরবরাহ করা যায়।

সাধারণ চাষি ছাড়া আর কারা এই চাষে লাভবান হতে পারেন?

খুলনা জেলা উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হুদা: শুধুপ্র থাগত কৃষিজমিতেই নয়, অর্ধ-ড্রামে করে বাড়ির ছাদে কিংবা পুকুর পাড়ের পতিত জমিতেও এই নারকেলের বাণিজ্যিক চাষ পুরোপুরি সম্ভব।

ডুমুরিয়ার অনেক খামারি পুকুর পাড় ব্যবহার করে শত ভাগ লাভবান হচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে আমরা সঠিক পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

ভিয়েতনামী নারকেল চাষ নিয়ে খুলনা জেলা কৃষি বিভা গের ভাবনায় কী পরিকল্পনা রয়েছে?

মো. নজরুল ইসলাম বলেন খুলনার উপকূলীয় ও আ শেপাশের অঞ্চলে লবণাক্ততা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ভিয়েতনামী খাটো জাতের নারকেল এই অঞ্চলে বেশ ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে। ডুমুরিয়ার সাফল্য আমাদের উৎসাহিত করেছে।

ডুমুরিয়ায় ভিয়েতনামী নারকেলের এই বাম্পার ফলন প্রমাণ করে যে, সঠিক জাত নির্বাচন করলে কৃষি থেকে বহুগুণ বেশি আয় করা সম্ভব।

স্থানীয় বাজারে ডাব ও নারকেলের ব্যাপক চাহিদা রয়ে ছে। বাণিজ্যিকভাবে ডাব বিক্রি করে কৃষকরা মাত্র তিন থেকে চার বছরেই তাদের বিনিয়োগের মূল টাকা তুলে লাভজনক অবস্থায় পৌঁছে যাচ্ছেন। আমরা খুলনার অন্যান্য উপজেলাতেও এই জাত সম্প্রসারণের কাজ করছি।