Dhaka , Thursday, 5 November 2026
সর্বশেষ:
চৌগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন ন্যানো ইউরিয়ার পর “ন্যানো ফিশ ফিড” এর পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ চৌগাছা উপজেলা সরকারি মডেল হাসপাতালের স্বাস্থ্য কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষীকী উপলক্ষে যবিপ্রবিতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল নড়াইলের লোহাগড়ায় চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে খুন একটি ছাগল হারিয়েছিলেন ফিরে পেলেন চারটি নিয়ামতপুরে ২০ কোটি ব্যয়ে সড়কের উন্নয়ন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে  চৌগাছায় প্রবাসী স্বামীকে তালাকের পর স্ত্রী হামলার শিকার ॥ হাসপাতালে ভর্তি বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ ঢাকায় প্রযুক্তিনির্ভর গ্রাম আদালত গঠনে VCMIS প্রশিক্ষণ সম্পন্ম

ন্যানো ইউরিয়ার পর “ন্যানো ফিশ ফিড” এর পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ

:যশোর:এবার অতি ক্ষুদ্র খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ “ন্যা নো ফিশ ফিড” তৈরির পদ্ধতি আবি ষ্কারের জন্য পেটেন্ট পেলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের কেমি ক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং NAME Lab এর পরিচালক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান।

গত ১ নভেম্বর রোজ রবিবার পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্ক অধিদপ্তর(DPDT), বাংলাদেশ থেকে প্রদত্ত একটি Not ice of Grant-এর মাধ্যমে পেটেন্ট সিরিয়াল নম্বর ১০০৭ ১৮৮ এ “A Formulation Process of Smart Nano-Micro Size Fish Feed with Vitamins” (ভিটামিনসহ স্মার্ট ন্যানো-মাইক্রো আকারের মাছের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া) শিরোনামে পেটেন্ট অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মাছের খাদ্যে আয়রন, জিংক, কপার ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজ এবং ভিটামিন অতি ক্ষুদ্র আকারে মিশিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য এই পেটেন্ট পেয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান।

তার এই পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে ছোট আকারে পুষ্টি উপা দান মাছের শরীরে সহজে কাজে লাগবে বলে আশা করেন তিনি।

এই আবিষ্কারের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে গবেষক অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান বলেন,”মাছ খাদ্যের সব পুষ্টি কাজে লাগাতে পারে না।

যে অংশ কাজে লাগে না, তা পুকুরের পানিতে জমে বর্জ্য হয়। অন্যদিকে মাছ চাষের সবচেয়ে বড় খরচই খাদ্য।

তাই একই খাদ্য থেকে মাছ বেশি পুষ্টি পেলে চাষির লাভ হতে পারে এবং পুকুরের পানি কম দূষিত হতে পারে।

দেশের মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও নিউট্রিয়েন্ট বিদেশ থেকে, বিশেষ করে ভার ত থেকে আমদানি করতে হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। ন্যানো

প্রযুক্তিনির্ভর এ ফর্মুলেশন ব্যবহার করা গেলে অল্প পরিমাণ উপাদান দিয়েই অধিক কার্যকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এতে খাদ্যের অপচয় কমবে, পরিবেশের ওপর চাপ হ্রাস পাবে এবং মাছের গুণগত মান উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, “এ প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য কৃষিজমিতে সার প্রয়োগের মতো আলাদা কোনো ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে না।

প্রচলিত ফিড মিলগুলোতে মাছের খাদ্য তৈরির সময় প্রয়ো জনীয় উপাদানের সঙ্গে এটি মিশিয়ে দেওয়া যাবে।

ফলে নারিশ, কাজী ফার্মস কিংবা আফিলের মতো মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে সহজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ প্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে ছে।”

উল্লেখ্য এর আগে গত অক্টোবর মাসে অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়া আবিষ্কারের জন্য প্রথমবার পেটেন্ট পেয়েছিলেন এবং “ন্যানো ফিশ ফিড” তার দ্বিতীয় পেটেন্ট।

About Author Information

Popular Post

চৌগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন

ন্যানো ইউরিয়ার পর “ন্যানো ফিশ ফিড” এর পেটেন্ট পেলেন যবিপ্রবি অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ

Update Time : 35 Minutes Ago

:যশোর:এবার অতি ক্ষুদ্র খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ “ন্যা নো ফিশ ফিড” তৈরির পদ্ধতি আবি ষ্কারের জন্য পেটেন্ট পেলেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ব বিদ্যালয়ের কেমি ক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এবং NAME Lab এর পরিচালক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান।

গত ১ নভেম্বর রোজ রবিবার পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেড মার্ক অধিদপ্তর(DPDT), বাংলাদেশ থেকে প্রদত্ত একটি Not ice of Grant-এর মাধ্যমে পেটেন্ট সিরিয়াল নম্বর ১০০৭ ১৮৮ এ “A Formulation Process of Smart Nano-Micro Size Fish Feed with Vitamins” (ভিটামিনসহ স্মার্ট ন্যানো-মাইক্রো আকারের মাছের খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া) শিরোনামে পেটেন্ট অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

মাছের খাদ্যে আয়রন, জিংক, কপার ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজ এবং ভিটামিন অতি ক্ষুদ্র আকারে মিশিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য এই পেটেন্ট পেয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান।

তার এই পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে ছোট আকারে পুষ্টি উপা দান মাছের শরীরে সহজে কাজে লাগবে বলে আশা করেন তিনি।

এই আবিষ্কারের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে গবেষক অধ্যাপক ড. মো. জাভেদ হোসেন খান বলেন,”মাছ খাদ্যের সব পুষ্টি কাজে লাগাতে পারে না।

যে অংশ কাজে লাগে না, তা পুকুরের পানিতে জমে বর্জ্য হয়। অন্যদিকে মাছ চাষের সবচেয়ে বড় খরচই খাদ্য।

তাই একই খাদ্য থেকে মাছ বেশি পুষ্টি পেলে চাষির লাভ হতে পারে এবং পুকুরের পানি কম দূষিত হতে পারে।

দেশের মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও নিউট্রিয়েন্ট বিদেশ থেকে, বিশেষ করে ভার ত থেকে আমদানি করতে হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। ন্যানো

প্রযুক্তিনির্ভর এ ফর্মুলেশন ব্যবহার করা গেলে অল্প পরিমাণ উপাদান দিয়েই অধিক কার্যকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে।

এতে খাদ্যের অপচয় কমবে, পরিবেশের ওপর চাপ হ্রাস পাবে এবং মাছের গুণগত মান উন্নত করার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, “এ প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য কৃষিজমিতে সার প্রয়োগের মতো আলাদা কোনো ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে না।

প্রচলিত ফিড মিলগুলোতে মাছের খাদ্য তৈরির সময় প্রয়ো জনীয় উপাদানের সঙ্গে এটি মিশিয়ে দেওয়া যাবে।

ফলে নারিশ, কাজী ফার্মস কিংবা আফিলের মতো মাছের খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে সহজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ প্রযুক্তির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে ছে।”

উল্লেখ্য এর আগে গত অক্টোবর মাসে অধ্যাপক ড. জাভেদ হোসেন খান ন্যানো ইউরিয়া আবিষ্কারের জন্য প্রথমবার পেটেন্ট পেয়েছিলেন এবং “ন্যানো ফিশ ফিড” তার দ্বিতীয় পেটেন্ট।