Dhaka , Sunday, 8 November 2026

তানোরে বিধবার জমি জবর দখল 

  • Reporter Name
  • Update Time : 02:41 pm, Saturday, 11 October 2025
  • 42 Time View
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে এক অসহায় বয়োবৃদ্ধ বিধবা নারীর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালীরা পেশি শক্তির দাপটে ওই জমি জবরদখল করে রেখেছেন।
উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) রাতৈল ও একতা রপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।এই বৃদ্ধা অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না।অথচ তার প্রায় অর্ধকোটি টাকা মুল্যর সম্পদ (জমি) প্রভাবশালীরা জবর দখলে করে আছে।
ভুক্তভোগী নারীর নাম ছপিয়া বিবি সে রাতৈল গ্রামের মৃত সোহরাব আলীর স্ত্রী।
রাতৈল ও একতারপুর মৌজায় রেকর্ড মুলে ৪টি দাগে মোট ১৪২ শতক ধানী জমির মালিক ছপিয়া বিবি। তার নামে এস ব জমির  খাজনা চলমান রয়েছে, রেক র্ড মুলে জমির নাম জারি হয় না।
কিন্ত্ত সম্প্রতি রাতৈল গ্রামের সইবুর আলীর পুত্র মোজাম্মেল এবং এহেসানের পুত্র তাহাসেন ও আহসান পেশি শক্তির জো রে এসব জমি জবরদখল করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার জেল নম্বর-১২২ মৌজা রাতৈল, আরএস দাগ নম্বর-৪৮৬, আরএস খতিয়ান নম্বর-৪১৭ ,হো ল্ডিং নম্বর-৪২৪, শ্রেণী ধানী,পরিমাণ ৩৪ শতক এবং একই মৌজায় ১১৩২ নম্বর দাগে ৩০ শতক ও ১০৯৯ নম্বর দাগে ৩৬ শতক।
এছাড়াও জেল নম্বর ১১৭, মৌজা একতারপুর, আরএস খতিয়ান নম্বর-৯৮,আরএস দাগ নম্বর ৩৭৯,শ্রেণী ধানী ,পরি মাণ ৪২ শতক। মোট জমি ৪ দাগে ১৪২ শতক।
এদিকে রেকর্ড মুলে জমির নামজারি হয় না,তবে এসব জমি র খাজনা ছপিয়া বিবির নামে চলমান রয়েছে, কিন্ত্ত প্রভাব শালীরা জবরদখল করায় তিনি জমিতে চাষাবাদ করতে পার ছেন না।
ফলে এসব ফসলি জমি থাকার পরেও ওই বিধবা নারী মান বেতর জীবনযাপন করছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী ছপিয়া বিবি সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মোজাম্মেল এসব অভিযোগ অস্বী কার করে বলেন, ওই জমির দলিল তাদের নামে রয়েছে এবং আদালতে মামলা চলমান আছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে তাহাসেন আলী বলেন,ছপিয়া বিবি তার ফুফু হয়,বিগত ১৯৭৮ সালে সুফিয়া বিবি জমি তাদের কাছে বিক্রি করেছেন।
তিনি বলেন ছপিয়া বিবি যদি কাগজ মুলে জমি পায় তারা দিয়ে দিবেন।#
About Author Information

Popular Post

তানোরে বিধবার জমি জবর দখল 

Update Time : 02:41 pm, Saturday, 11 October 2025
তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর তানোরে এক অসহায় বয়োবৃদ্ধ বিধবা নারীর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে। প্রভাবশালীরা পেশি শক্তির দাপটে ওই জমি জবরদখল করে রেখেছেন।
উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের (ইউপি) রাতৈল ও একতা রপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।এই বৃদ্ধা অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেন না।অথচ তার প্রায় অর্ধকোটি টাকা মুল্যর সম্পদ (জমি) প্রভাবশালীরা জবর দখলে করে আছে।
ভুক্তভোগী নারীর নাম ছপিয়া বিবি সে রাতৈল গ্রামের মৃত সোহরাব আলীর স্ত্রী।
রাতৈল ও একতারপুর মৌজায় রেকর্ড মুলে ৪টি দাগে মোট ১৪২ শতক ধানী জমির মালিক ছপিয়া বিবি। তার নামে এস ব জমির  খাজনা চলমান রয়েছে, রেক র্ড মুলে জমির নাম জারি হয় না।
কিন্ত্ত সম্প্রতি রাতৈল গ্রামের সইবুর আলীর পুত্র মোজাম্মেল এবং এহেসানের পুত্র তাহাসেন ও আহসান পেশি শক্তির জো রে এসব জমি জবরদখল করেছেন।
জানা গেছে, উপজেলার জেল নম্বর-১২২ মৌজা রাতৈল, আরএস দাগ নম্বর-৪৮৬, আরএস খতিয়ান নম্বর-৪১৭ ,হো ল্ডিং নম্বর-৪২৪, শ্রেণী ধানী,পরিমাণ ৩৪ শতক এবং একই মৌজায় ১১৩২ নম্বর দাগে ৩০ শতক ও ১০৯৯ নম্বর দাগে ৩৬ শতক।
এছাড়াও জেল নম্বর ১১৭, মৌজা একতারপুর, আরএস খতিয়ান নম্বর-৯৮,আরএস দাগ নম্বর ৩৭৯,শ্রেণী ধানী ,পরি মাণ ৪২ শতক। মোট জমি ৪ দাগে ১৪২ শতক।
এদিকে রেকর্ড মুলে জমির নামজারি হয় না,তবে এসব জমি র খাজনা ছপিয়া বিবির নামে চলমান রয়েছে, কিন্ত্ত প্রভাব শালীরা জবরদখল করায় তিনি জমিতে চাষাবাদ করতে পার ছেন না।
ফলে এসব ফসলি জমি থাকার পরেও ওই বিধবা নারী মান বেতর জীবনযাপন করছে।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী ছপিয়া বিবি সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে মোজাম্মেল এসব অভিযোগ অস্বী কার করে বলেন, ওই জমির দলিল তাদের নামে রয়েছে এবং আদালতে মামলা চলমান আছে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে তাহাসেন আলী বলেন,ছপিয়া বিবি তার ফুফু হয়,বিগত ১৯৭৮ সালে সুফিয়া বিবি জমি তাদের কাছে বিক্রি করেছেন।
তিনি বলেন ছপিয়া বিবি যদি কাগজ মুলে জমি পায় তারা দিয়ে দিবেন।#