Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই

প্রতিদিন কোটি টাকার বেচা-কেনা জমজমাট গুড়ের হাট;সারাদেশে যাচ্ছে ঝিনাইদহের খেজুর গুড়

  • Reporter Name
  • Update Time : 08:02 am, Monday, 19 January 2026
  • 85 Time View

জেলা প্রতিনিধি,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের হাট- বাজারগুলোতে মাঘের শুরুতেই বেড়েছে খেজুর গুড়ের বেচাকেনা।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার খেজুর গুড়ের মান ভালো। ভালো দামও পাচ্ছেন গাছিরা।

রস সংগ্রহের পরে প্রান্তিক গাছি ও কৃষকেরা তাদের প্রস্তু ত করা খেজুর গুড় বিক্রি করছেন হাটে নিয়ে।

জেলার সবচেয়ে বড় খেজুর গুড়ের হাট ‘সাফদারপুর বাজার’।

কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর বাজারে এই গুড়ের হাট বসে। এ বাজারে সপ্তাহে দুই দিন অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার খেজুর গুড় বেচাকেনা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রেললাইন। রেললাইনের।পাশেই সাফদারপুর খেলার মাঠ।

ওই মাঠেই সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার দুই দিন খেজুর গুড়ের হাট বসে। বেলা ১১টা থেকেই আশেপাশের গাছি ও কৃষকরা তাদের বাড়িতে উৎপাদিত খেজুর গুড় হাটে নিয়ে আসেন বিক্রি করার জন্য।

এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়াও দুর-দুরান্তের গাছি ও কৃষকরা দুপুরের পরপর হাটে পৌছান নিজেদের গুড় নিয়ে। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, আলমসাধু
(ইঞ্জিনচালিত) গাড়ি সহ নানা উপায়ে গাছিরা তাদের গুড় হাটে নিয়ে আসেন।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে খেজুর গুড়ের হাট।
এরই মধ্যে সাফদারপুর খেজুর গুড়ের হাট জেলার সবচেয়ে বড় হাটে পরিণত হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন জেলার বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসেন এই হাটে। যাচাই- বাছাই, দাম-দর ও হাকডাকে মুখোর হয়ে ওঠে গুড়ের হাট।

এই হাটে ঝোলা গুড়, দানা গুড়, জিড়েন রসের গুড়, পাটা লি সহ বিভিন্ন ধরণের খেজুরের গুড় পাওয়া যায়। যে
কারণে ব্যবসায়ী ছাড়াও সাধারণ ক্রেতারাও ভিড় জমান এ হাটে।

আশরাফুল ইসলাম নামে একজন গুড় বিক্রেতা বলেন, এই হাট অনেক পুরনো, বাপ- দাদাদের কাছে শুনেছি, আগেও ব্যবসায়ীরা ট্রেনে করে এসে এই হাট থেকে গুড়
কিনে নিয়ে যেতো।

এখনো খুলনা, যশোর, নাটোর, পাবনা, ঢাকার ব্যবসায়ীরা এখানে গুড় কিনতে আসেন।

বাইরের ব্যবসায়ীরা হাটে আসে, যে কারণে আমরাও একটু ভালো দাম পাই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার ৬টি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে।

এর মধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। চলতি শীত মৌসুমে জেলার ৬টি উপ জেলা থেকে প্রায় ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ২৪১ লিটার খেজুর
রস ও প্রায় ৮৭২ মেট্রিন টন খেজুর গুড় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধি দপ্তর।

তারা বলছে, জেলায় উৎপাদিত এসব খেজুর গুড় স্থানীয়
চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা সহ বড় বড় শহরে নিয়মিত সরবরাহ করছেন ব্যবসায়ী ও গাছিরা।

দোড়া গ্রামের নাজমুল হোসেন নামে একজন বলেন, হাটে ১০/১২ কেজি ওজনের গুড়ভর্তি এক ভাড় গুড় ১৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৮০০ টাকায় বেচাকেনা হয়।

দাম নির্ভর করে গুড়ের মানের ওপর। যাচাই বাছাই করে এখান থেকে গুড় কিনে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। সাধারণ ক্রেতারাও আসেন গুড় কিনতে।

সলেমানপুর গ্রামের তাসলিমা খাতুন গিনি নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেকের আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্ন শহরে বসবাস করে।

শীত এলেই তাদের জন্য গুড় কিনে পাঠাতে হয়। ঢাকায় মেয়েকে গুড় পাঠাবো, খুলনায় দেবর-কে গুড় পাঠাবো। গ্রাম থেকে না কিনে সরাসরি হাটে এসেছি, যেন দাম একটু কম হয়।

হাটে এসে গুড় দেখে শুনে কিনতে পারলে ভালো হয়। ব্যবসায়ীরা ছাড়াও বহু মানুষ এই হাটে এসে গুড় কিনে নিয়ে যায়।

পাইকারি গুড় ব্যবসায়ী ও আড়তদার উজ্জল কুমার শাহা বলেন, একেবারেই গ্রামের সাধারণ গাছি ও কৃষকরা এই হাটে গুড় বিক্রি করার জন্য আসে।

সাফদারপুর হাটে ভেজাল গুড় খুব একটা আসে না। আম রা এখানে ভালো মাল পাই, যে কারণে এই হাট থেকে নিয় মিত মাল কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাই। এ বছর গুড়ের উৎপাদন বেশি, দামও ভালো।

সাফদারপুর গুড়ের হাটের ইজারাদার আবুল কাশেম বাবু বলেন, খেজুর গাছ কমছে গাছিও কমছে।

সরকার যদি খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে গাছিরা বাঁচবে।

শীত এলে কৃষকরা এই খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে ভালো আয় করেন। সরকারি সহায়তা পেলে গুড় উৎপাদন বাড়বে। যা দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখ তে পারে।

তিনি জানান, প্রায় ৩৫/৪০ বছরের পরনো এই হাট। প্রতি সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার এই গুড়ের হাট বসে। সপ্তাহে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার গুড় বেচাকেনা হয় এই
হাটে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঝিনাইহ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে।

এরমধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। জেলায় সবচেয়ে বেশি খেজুর গাছ কোট চাঁদপুর উপজেলায়। যে কারণে উপজেলার সাফদারপুরে
খেজুর গুড়ের হাট গড়ে উঠেছে। খেজুর গাছ রোপন বৃদ্ধি ও গাছিদের পৃষ্ঠপোষকতা করা গেলে গুড়ের উৎপাদন আরও বাড়বে।

 

About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

প্রতিদিন কোটি টাকার বেচা-কেনা জমজমাট গুড়ের হাট;সারাদেশে যাচ্ছে ঝিনাইদহের খেজুর গুড়

Update Time : 08:02 am, Monday, 19 January 2026

জেলা প্রতিনিধি,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের হাট- বাজারগুলোতে মাঘের শুরুতেই বেড়েছে খেজুর গুড়ের বেচাকেনা।

অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার খেজুর গুড়ের মান ভালো। ভালো দামও পাচ্ছেন গাছিরা।

রস সংগ্রহের পরে প্রান্তিক গাছি ও কৃষকেরা তাদের প্রস্তু ত করা খেজুর গুড় বিক্রি করছেন হাটে নিয়ে।

জেলার সবচেয়ে বড় খেজুর গুড়ের হাট ‘সাফদারপুর বাজার’।

কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর বাজারে এই গুড়ের হাট বসে। এ বাজারে সপ্তাহে দুই দিন অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার খেজুর গুড় বেচাকেনা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে রেললাইন। রেললাইনের।পাশেই সাফদারপুর খেলার মাঠ।

ওই মাঠেই সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার দুই দিন খেজুর গুড়ের হাট বসে। বেলা ১১টা থেকেই আশেপাশের গাছি ও কৃষকরা তাদের বাড়িতে উৎপাদিত খেজুর গুড় হাটে নিয়ে আসেন বিক্রি করার জন্য।

এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী এলাকা ছাড়াও দুর-দুরান্তের গাছি ও কৃষকরা দুপুরের পরপর হাটে পৌছান নিজেদের গুড় নিয়ে। বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, ভ্যান, আলমসাধু
(ইঞ্জিনচালিত) গাড়ি সহ নানা উপায়ে গাছিরা তাদের গুড় হাটে নিয়ে আসেন।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জমে ওঠে খেজুর গুড়ের হাট।
এরই মধ্যে সাফদারপুর খেজুর গুড়ের হাট জেলার সবচেয়ে বড় হাটে পরিণত হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন জেলার বড় পাইকারি ব্যবসায়ীরা আসেন এই হাটে। যাচাই- বাছাই, দাম-দর ও হাকডাকে মুখোর হয়ে ওঠে গুড়ের হাট।

এই হাটে ঝোলা গুড়, দানা গুড়, জিড়েন রসের গুড়, পাটা লি সহ বিভিন্ন ধরণের খেজুরের গুড় পাওয়া যায়। যে
কারণে ব্যবসায়ী ছাড়াও সাধারণ ক্রেতারাও ভিড় জমান এ হাটে।

আশরাফুল ইসলাম নামে একজন গুড় বিক্রেতা বলেন, এই হাট অনেক পুরনো, বাপ- দাদাদের কাছে শুনেছি, আগেও ব্যবসায়ীরা ট্রেনে করে এসে এই হাট থেকে গুড়
কিনে নিয়ে যেতো।

এখনো খুলনা, যশোর, নাটোর, পাবনা, ঢাকার ব্যবসায়ীরা এখানে গুড় কিনতে আসেন।

বাইরের ব্যবসায়ীরা হাটে আসে, যে কারণে আমরাও একটু ভালো দাম পাই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার ৬টি উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে।

এর মধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। চলতি শীত মৌসুমে জেলার ৬টি উপ জেলা থেকে প্রায় ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ২৪১ লিটার খেজুর
রস ও প্রায় ৮৭২ মেট্রিন টন খেজুর গুড় উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধি দপ্তর।

তারা বলছে, জেলায় উৎপাদিত এসব খেজুর গুড় স্থানীয়
চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকা সহ বড় বড় শহরে নিয়মিত সরবরাহ করছেন ব্যবসায়ী ও গাছিরা।

দোড়া গ্রামের নাজমুল হোসেন নামে একজন বলেন, হাটে ১০/১২ কেজি ওজনের গুড়ভর্তি এক ভাড় গুড় ১৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৮০০ টাকায় বেচাকেনা হয়।

দাম নির্ভর করে গুড়ের মানের ওপর। যাচাই বাছাই করে এখান থেকে গুড় কিনে নিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। সাধারণ ক্রেতারাও আসেন গুড় কিনতে।

সলেমানপুর গ্রামের তাসলিমা খাতুন গিনি নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেকের আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্ন শহরে বসবাস করে।

শীত এলেই তাদের জন্য গুড় কিনে পাঠাতে হয়। ঢাকায় মেয়েকে গুড় পাঠাবো, খুলনায় দেবর-কে গুড় পাঠাবো। গ্রাম থেকে না কিনে সরাসরি হাটে এসেছি, যেন দাম একটু কম হয়।

হাটে এসে গুড় দেখে শুনে কিনতে পারলে ভালো হয়। ব্যবসায়ীরা ছাড়াও বহু মানুষ এই হাটে এসে গুড় কিনে নিয়ে যায়।

পাইকারি গুড় ব্যবসায়ী ও আড়তদার উজ্জল কুমার শাহা বলেন, একেবারেই গ্রামের সাধারণ গাছি ও কৃষকরা এই হাটে গুড় বিক্রি করার জন্য আসে।

সাফদারপুর হাটে ভেজাল গুড় খুব একটা আসে না। আম রা এখানে ভালো মাল পাই, যে কারণে এই হাট থেকে নিয় মিত মাল কিনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠাই। এ বছর গুড়ের উৎপাদন বেশি, দামও ভালো।

সাফদারপুর গুড়ের হাটের ইজারাদার আবুল কাশেম বাবু বলেন, খেজুর গাছ কমছে গাছিও কমছে।

সরকার যদি খেজুর গুড়ের ঐতিহ্য ধরে রাখতে উদ্যোগ নেয়, তাহলে গাছিরা বাঁচবে।

শীত এলে কৃষকরা এই খেজুর গাছের রস ও গুড় বিক্রি করে ভালো আয় করেন। সরকারি সহায়তা পেলে গুড় উৎপাদন বাড়বে। যা দেশের অর্থনীতিতেও অবদান রাখ তে পারে।

তিনি জানান, প্রায় ৩৫/৪০ বছরের পরনো এই হাট। প্রতি সপ্তাহের শনি ও মঙ্গলবার এই গুড়ের হাট বসে। সপ্তাহে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার গুড় বেচাকেনা হয় এই
হাটে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঝিনাইহ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ২৩৫টি খেজুর গাছ রয়েছে।

এরমধ্যে রস আহরণযোগ্য গাছের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১২ হাজার ৭৬০টি। জেলায় সবচেয়ে বেশি খেজুর গাছ কোট চাঁদপুর উপজেলায়। যে কারণে উপজেলার সাফদারপুরে
খেজুর গুড়ের হাট গড়ে উঠেছে। খেজুর গাছ রোপন বৃদ্ধি ও গাছিদের পৃষ্ঠপোষকতা করা গেলে গুড়ের উৎপাদন আরও বাড়বে।