Dhaka , Sunday, 8 November 2026

লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৬ জন

  • Reporter Name
  • Update Time : 01:08 pm, Saturday, 7 February 2026
  • 78 Time View
এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি।
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শার মিন পুতুলের চারজন সমর্থক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর ১২ জন কর্মী-সমর্থক রয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রু য়া রি) রাত আটটার দিকে বিএনপির বহিষ্কৃত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকেরা লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের কচুয়া বাজারে গণসংযোগকালে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনী ক্যাম্পের সামনে পৌঁছালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি, গালাগালি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
সংঘর্ষের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের কয়েকটি মোট রসাইকেল ভাঙচুর ও বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে ভাঙচুর চালানো হয়।
এতে কচুয়া বাজার এলাকায় আ তঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে দো কানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এসময় উভয় পক্ষের ১৬ জন আহত হয়। আহতরা হলেন আড়বাব এলাকার মৃত মেহের আলীর ছেলে এনামুল হক (৪৫), জমিন প্রামানিকের ছেলে ফারুক (৩৭), ফজলুর রহমানের ছেলে সম্রাট
 এলাকার আজিজুলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৩) ,শেরপাড়া এলাকার মৃত শমসের আলী প্রামাণিকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মনজুর রহমান পান্না (৫২), কচুয়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে জামরুল ইসলাম বাবু (৩২), আব্দুল জলিলের ছেলে গিয়াস (৪০), মসলেমের ছেলে মিঠুন (৩০), লালন আলীর ছেলে শাহীন আলি (৩০), সাইপাড়া এলাকার রঞ্জিত আলীর ছেলে শিহাব আলী (৩০), মাহবু বুর রহমানের ছেলে শাহেদ আলী (২০),জহুরুল ইসলা মের ছেলে ফরহাদ (২৮) এবং শুকচানের ছেলে আকমল (৩৫)।
আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কম প্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অন্য দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কম প্লে ক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেন।
ঘটনাস্থল থেকে বড়বড়িয়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে খলিলুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।
এবিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
তাঁর দাবি, হামলার সময় দেশীয় অস্ত্র ও গুলির ব্যবহার করা হয় এবং একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় তাইফুল ইসলাম টিপুর পক্ষে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ নামে থা নায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও উপ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকেরাই প্রথমে বিএনপির নির্বা চনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ব্যানার ও প্রার্থীর ছবি ভাঙচুর করেন।
এ ঘটনায় ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের পক্ষে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনের নামে একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
###
About Author Information

Popular Post

লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ১৬ জন

Update Time : 01:08 pm, Saturday, 7 February 2026
এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি।
নাটোরের লালপুরে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শার মিন পুতুলের চারজন সমর্থক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর ১২ জন কর্মী-সমর্থক রয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রু য়া রি) রাত আটটার দিকে বিএনপির বহিষ্কৃত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপুর সমর্থকেরা লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের কচুয়া বাজারে গণসংযোগকালে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের নির্বাচনী ক্যাম্পের সামনে পৌঁছালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি, গালাগালি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
সংঘর্ষের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের কয়েকটি মোট রসাইকেল ভাঙচুর ও বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে ভাঙচুর চালানো হয়।
এতে কচুয়া বাজার এলাকায় আ তঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে দো কানপাট বন্ধ হয়ে যায়। এসময় উভয় পক্ষের ১৬ জন আহত হয়। আহতরা হলেন আড়বাব এলাকার মৃত মেহের আলীর ছেলে এনামুল হক (৪৫), জমিন প্রামানিকের ছেলে ফারুক (৩৭), ফজলুর রহমানের ছেলে সম্রাট
 এলাকার আজিজুলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৩) ,শেরপাড়া এলাকার মৃত শমসের আলী প্রামাণিকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মনজুর রহমান পান্না (৫২), কচুয়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে জামরুল ইসলাম বাবু (৩২), আব্দুল জলিলের ছেলে গিয়াস (৪০), মসলেমের ছেলে মিঠুন (৩০), লালন আলীর ছেলে শাহীন আলি (৩০), সাইপাড়া এলাকার রঞ্জিত আলীর ছেলে শিহাব আলী (৩০), মাহবু বুর রহমানের ছেলে শাহেদ আলী (২০),জহুরুল ইসলা মের ছেলে ফরহাদ (২৮) এবং শুকচানের ছেলে আকমল (৩৫)।
আহতদের মধ্যে ১৪ জনকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কম প্লেক্সে ভর্তি রয়েছে। অন্য দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কম প্লে ক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেন।
ঘটনাস্থল থেকে বড়বড়িয়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে খলিলুর রহমানকে আটক করেছে পুলিশ।
এবিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাইফুল ইসলাম টিপু অভিযোগ করে বলেন, তাঁদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।
তাঁর দাবি, হামলার সময় দেশীয় অস্ত্র ও গুলির ব্যবহার করা হয় এবং একাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় তাইফুল ইসলাম টিপুর পক্ষে ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭০ থেকে ৮০ নামে থা নায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও উপ জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব হারুনার রশিদ পাপ্পু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকেরাই প্রথমে বিএনপির নির্বা চনী ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ব্যানার ও প্রার্থীর ছবি ভাঙচুর করেন।
এ ঘটনায় ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের পক্ষে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনের নামে একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, উভয় পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
###