বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ কারীগরী শিক্ষা অধিদপ্ত রের রংপুর বিভাগের আঞ্চলিক পরিদর্শক বেলায়েত হোসে নের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক সূত্রে জানা যায়,বেলায়েত হোসেন কারীগরী শিক্ষা অধিদপ্তরের ৬ষ্ট গ্রেডে পরিদর্শক পদে সরকারী চাকুরী করেন।
অথচ তিনি তার দপ্তরের চোখ ফাঁকী দিয়ে আরও চারটি সিরামিক কোং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদে দায়িত্বে আছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ওই সকল প্রতিষ্ঠান গুলো হলো Best cramics ltd,, Lotus cramics ltd,,sony cramics,crystal cramic ltd এ ৪টি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্বে আছেন বলে একাধিক সূত্রে জানাগেছে।
এরমধ্যে Best cramics এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। এখান থেকে শেয়ার পান ৭০০০ টাকা।
এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসাবে আছেম গোলাম মোস্ত ফা খান। Lotus cramics ltd এর ম্যানিজিং ডাইরেক্টর হিসাবে এখান থেকে তিনি শেয়ার ৪৫০০ টাকা শেয়ার পান।
এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ার ম্যান হলেন মোহাদ সিরাজুল হক। ,sony cramic ltd এর তিনি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর তিনি।
এ প্রতিষ্ঠান তার শেয়ার ৬৬০০ টাকা। এর চেয়ারম্যান হলেন সিরাজুল হক।
crystal Ltd এর তিনি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর।এখানে ৩৬০০০ টাকার শেয়ার আছেন। এখানেও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর। এখান তিনি শেয়ার ৩৬ হাজার টাকা।। এর চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্বে আছেন আতিউর রহমান।
এ ছাড়া তিনি soler siramic এরও শেয়ার হোল্ডার আছেন।
এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ উঠেছে তিনি কারীগরী ৬ষ্ট গ্রেডে আঞ্চলিক পরিদর্শক পদে চাকুরী করে কিভাবে কোটিপতি বনে গেছেন?
তথ্যনুসন্ধানে আরও জানাযায়,বেলায়েত হোসেন গাজি পুর এলাকায় নামে বেনামে প্রায় ৩০/৪০ জমির মালিক তিনি।
এই জমি ২০১০ সালে শাকিলদের পরিবারের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ আছে।
এ বিষয়ে গাজিপুরের শাকিলের সাথে কথা হলে এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন বেলায়েত সাহেব কোং নাম করে আমার পিতার কাছ থেকে জমি ফাঁকী দিয়ে নিয়ে ছেন। আমরা জমির ন্যায্য দাম পায়নি। তিনি বিগত সর কারের সময়ে কোটি পতিবনে গেছেন।
অন্যদিকে কারিগরী অধিদপ্তরের বেলায়েত হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি এর সত্যতা অস্বীকার করে বলেন ২০১০ সালে sony cramic Lte গাজিপুর এলাকা থেকে ৩ একর ৮৫ শতক জমি ক্রয় করে। আর সাকিলের পিতা র জমি ছিল মাত্র সাড় ১৫ শতক।
সেখানে তার পিতা জালিয়াতি করে জমি sony cramic এর কাছে জমি বিক্রি করে। এতে কোং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন আমি cramic এর উপরে বিশেষজ্ঞ। এ বিষয়ে ডিপ্লোমা করেছি।সেই হিসাবে সিরামিক কোং আমাকে না জানিয়ে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর করে রাখে।
তাদের ব্যবসার স্বার্থে। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।এছাড়া ওই সকল সিরামিক কোংগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।
রংপুর আঞ্চলিক কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নাজমুলের কাছে,বেলায়েতের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিমি বলেন তিনি এখানে অফিস করেন।তবে এখান ঢাকায় গেলে কি করেন সেটা আমি বলতে পারবো না।
যদি কোন অনিয়ম করেন অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কারীগরী শিক্ষা অধিদপ্তরের যুগ্ন সচিব জনাব আক্কাচ আলীর সাথে এ বিষয়ে কথা হয়।
তিনি বলেন বেলায়েত রংপুরের আঞ্চলিক পরিদর্শক। তার এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়ার চেষ্টা করছি। এ ঘটনার সত্যতা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


Bartabd24.com সব খবর সবার আগে