Dhaka , Sunday, 8 November 2026
সর্বশেষ:
ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ইয়াবাসহ দুই ভাইবোন গ্রেফতার নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মিন্টু রহমানের যোগদান লালপুরে গরম পানি ঢেলে আপন ভাবী ও ভাতিজার শরীর ঝলসে দিল নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান আলী চৌগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির আলোচনা সভা ও র‌্যালি ক্ষমতার ভাগাভাগি নয়,জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করছে এবি পার্টি: মজিবুর রহমান মঞ্জু নড়াইলর মুলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুটবলার গোপাল হাজরার স্মৃতি কথা!! ধ্বংসপ্রাপ্ত দেশকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে চান সংস্কৃতিমন্ত্রী- নিতাই রায় চৌধুরী পুঠিয়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পাওনা টাকা চাওয়ায় ছোট ভাইয়ের মাথা ফাটালো বড় ভাই

চৌগাছার কৃষকের মাথায় হাত! মাঠের কাঁটা ধান পানির নীচে!!

যশোর প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় চলতি বোরো মৌসুমে পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
কাল বৈশাখী ঝড় ও ঘন ঘম বৃষ্টির পাশাপাশি শ্রমিক সংক টে দেখা দিয়েছে। কৃষকের এখন  মাঠের পাকা নিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই।
জমিতে কেটে রাখা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে ন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এ বছর চৌগাছায় ১৮ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল এবং অর্জিত হয়েছে শতভা গ। যেখান থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ৬৮০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।
অধিকাংশ জমির ধান ইতোমধ্যে পেকে গেলেও গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
আজ শুক্রবার চৌগাছা পৌরসভা, হাকিমপুর, যাত্রাু র,ফুলসারা,সিংহঝুলী,পাশাপোল,নারায়নপুর,স্বরুপদাহ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ঝো ড়ো হাওয়ায় অনে কের পাকা  ক্ষেতের ধানের গাছ পড়ে গেছে। নিচু জমিতে কেটে রাখা ধান পানির ওপর ভাসছে।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ধান কাটতে সাহস পাচ্ছেন না। কৃষকদের মতে, দিনে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হচ্ছে ঝড়-বৃষ্টি।
ইছাপুর গ্রামের কৃষক ফরিদ বলেন আবহাওয়া ভালো দেখে ধান কেটেছিলাম,কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সব আট কে গেছে। দ্রুত আবহাওয়া ঠিক না হলে নিচু জমির ধান নষ্ট হয়ে যাবে। বৃষ্টিতে ভিজে ধানের রং নষ্ট হওয়া য় বাজারে ব্যবসায়ী রা দাম কম বলছেন
কৃষ আঃ মাজিদ (পেটভরা গ্রাম): মাঠে ২ বিঘা ধান কাটা অবস্থায় ভিজে গেছে। বেশি পেকে যাওয়ায় ধান ঝরে পড়ার ভয় থাকলেও বৃষ্টির কারণে কাটতে পার ছি না।
যাত্রাপুর গ্রামের আয়ুব হোসেন বলেন আমি ৩ বিঘা জমিতে ধান করেছি। এখন শ্রমিক সংকটের কারণে দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসেন জানান, এখন পুরো উপজেলা জুড়েই ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে।
তবে অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা কিছুটা সম স্যায় পড়েছেন। আমরা নিয়মিত কৃষকদের আবহা ওয়ার পূর্বাভাস বলে দিচ্ছি। এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
About Author Information

Popular Post

ঠাকুরগাঁওয়ে ওয়ারিশান সনদে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানোর অভিযোগ প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

চৌগাছার কৃষকের মাথায় হাত! মাঠের কাঁটা ধান পানির নীচে!!

Update Time : 05:26 pm, Friday, 8 May 2026
যশোর প্রতিনিধি: যশোরের চৌগাছায় চলতি বোরো মৌসুমে পাকা ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।
কাল বৈশাখী ঝড় ও ঘন ঘম বৃষ্টির পাশাপাশি শ্রমিক সংক টে দেখা দিয়েছে। কৃষকের এখন  মাঠের পাকা নিয়ে ভোগান্তির শেষ নেই।
জমিতে কেটে রাখা ধান পানিতে ভিজে নষ্ট হওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে ন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস জানিয়েছে, এ বছর চৌগাছায় ১৮ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল এবং অর্জিত হয়েছে শতভা গ। যেখান থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ৬৮০ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে।
অধিকাংশ জমির ধান ইতোমধ্যে পেকে গেলেও গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।
আজ শুক্রবার চৌগাছা পৌরসভা, হাকিমপুর, যাত্রাু র,ফুলসারা,সিংহঝুলী,পাশাপোল,নারায়নপুর,স্বরুপদাহ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, ঝো ড়ো হাওয়ায় অনে কের পাকা  ক্ষেতের ধানের গাছ পড়ে গেছে। নিচু জমিতে কেটে রাখা ধান পানির ওপর ভাসছে।
বৈরী আবহাওয়ার কারণে কৃষকরা ধান কাটতে সাহস পাচ্ছেন না। কৃষকদের মতে, দিনে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হচ্ছে ঝড়-বৃষ্টি।
ইছাপুর গ্রামের কৃষক ফরিদ বলেন আবহাওয়া ভালো দেখে ধান কেটেছিলাম,কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সব আট কে গেছে। দ্রুত আবহাওয়া ঠিক না হলে নিচু জমির ধান নষ্ট হয়ে যাবে। বৃষ্টিতে ভিজে ধানের রং নষ্ট হওয়া য় বাজারে ব্যবসায়ী রা দাম কম বলছেন
কৃষ আঃ মাজিদ (পেটভরা গ্রাম): মাঠে ২ বিঘা ধান কাটা অবস্থায় ভিজে গেছে। বেশি পেকে যাওয়ায় ধান ঝরে পড়ার ভয় থাকলেও বৃষ্টির কারণে কাটতে পার ছি না।
যাত্রাপুর গ্রামের আয়ুব হোসেন বলেন আমি ৩ বিঘা জমিতে ধান করেছি। এখন শ্রমিক সংকটের কারণে দ্বিগুণ মজুরি দিয়েও লোক পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসেন জানান, এখন পুরো উপজেলা জুড়েই ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে।
তবে অনিয়মিত বৃষ্টির কারণে কৃষকেরা কিছুটা সম স্যায় পড়েছেন। আমরা নিয়মিত কৃষকদের আবহা ওয়ার পূর্বাভাস বলে দিচ্ছি। এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করে যাচ্ছি।