কে এম ইদ্রিস আলী,যশোর:ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিয়োগ বানিজ্যে করতে যশোরের চৌগাছায় বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে শিক্ষা নীতিমালা লংঘন করে যেখানে সেখানে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত কলেজ স্থাপন করা হয়েছে!
এখন এর দায় কে নেবেন? কলেজ গুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের ভবন ও শিক্ষক কর্মচারী থাকলেও শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
প্রতি বছরই এইচ এস সি ভর্তির সময় আসলে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে পড়েন মহাটেনশনে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
কলেজ কর্তৃপক্ষের চাপে শিক্ষকদের ঘুম খাওয়া থাকে না। একটি কলেজের শিক্ষক অন্য কলজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
দেশের নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে আসা (এম পিও ভূক্ত)এসব কলেজের শিক্ষকরা কলেজ কর্তৃপক্ষের চাপে নাজহাল হচ্ছেন। সেই সাথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক রাও রয়েছে বাড়তি চাপে।
শিক্ষকরা নিরুপায় ভোটের মত শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের কাছে শিক্ষার্থী পাবার আশায় নানা সুযোগ সুবিধা দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
কলেজ শিক্ষকদের এহেন কর্মকান্ডে চৌগাছার শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও সচেতন মহলকে বেশ ভাবিয়ে তুলেছে।
জানাযায়,দেশ স্বাধীনতার পর পরই এ উপজেলায় মাত্র এক টি কলেজ হয় চৌগাছা সরকারী কলেজ।
এরপর ১৯৯৫ সালে চৌগাছা মৃধাপাড়া মহিলা কলেজ এর পর পর পরই সলুয়া আদর্শ কলেজ,এ.বি.সি.ডি কলেজটি স্থাপিত হয়।
শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে বিগত আও য়ামীলীগ সরকারের সময়ে রাতরাত যেখানে সেখানে সরকারী শিক্ষা নীতিমালায় থাকা দুরত্ব,জনবল ইত্যাদি শর্ত ভঙ্গ বা শিথিল করে স্থানীয় এমপিদের ডিও লেটারের মাধ্য মে পর্যায়ক্রমে আরও ৮ টি কলেজ স্থাপিত হয়। এখানে নিয়মনুযায়ী ৩/৪ টির বেশী হওয়ার কথা না। এ প্রশ্ন উপজে লার সচেতন মহলের।
একাধিক সূত্রে জানাযায় বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে গড়ে উঠা যে সব কলেজ এমপিও ভূক্ত হয় এরমধ্যে তরিকুল ইসলাম পৌর কলেজ,এস এম হাবিব পৌর কলেজ, পাশাপোল জাম-জাম তলা মডেল কলেজ,জিসিবি কলেজ, পুড়াপড়া সাইফুল ইসলাম কলেজসহ ৫ টি কলেজ।
এখনও এমপিও ভূক্ত হয়নি উপজেলা হাকিমপুর মহিলা কলেজ,জেএমএস কে কলেজ (জগদীশপুর ইউনিয়ন) ,মাড়ুয়া কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজসহ ৩টি কলেজ।
এ সব কলেজের শিক্ষকরা অসহায় হয়ে পড়েছেন। অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। উচ্চ শিক্ষা লাভ করে নিরুপায় হয়ে তারা চাকুরী করছেন। আবার শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে বাড় তি চাপ তাদের উপরে।
এবার এ উপজেলার ৪৫ টি স্কুল থেকে সব বিভাগ মিলে মোট১২৯০ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছে।
উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন এবার এস এস সি পাশ করা প্রায় (অর্ধেক) ৬০০ শিক্ষার্থী চৌগাছা সর কারী কলেজসহ দেশের নামী দামী কলেজে ভর্তির প্রথম পচ্ছন্দ দিতে পারে। এখানকার কোন কলেজে ভর্তি হবার সম্ভাবনা নেই।
আর বাকী ১১টি কলেজের জন্য ৬০০জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে। গড়ে কলেজ প্রত ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করতে পারবে।
সব মিলয়ে এই কলেজগুলোতে শিক্ষক,কর্মচারী, ভবন থাকলেও শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়বে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এবছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের কর্তাবাবুরা মাত্র ২০০০ এসএস সির পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিতে ৮টি পরীক্ষা কেন্দ্র করে পরী ক্ষা গ্রহন করা হয়।
এরফলে ব্যয় বেড়েছে কলেজের। আর আয় বেড়েছে প্রশা সনের ও বোর্ড কর্তৃপক্ষের।
আর কলেজ কর্তৃপক্ষ নিরুপায় হয়ে তাদের কেন্দ্র রক্ষা কর তে কলেজ শিক্ষকদের ডিউটি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাদে কেন্দ্র প্রতি ৩০/৩৫ হাজার আরও বাড়তি টাকা উদ্ধর্তন কর্তৃ পক্ষকে দিতে হয়েছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন কেন্দ্র সচিব জানিয়েছেন।

Reporter Name 



















